সোমবার ১৭, জানুয়ারী ২০২২
EN

অপরাধীর তালিকায় ওসি'দের নাম

নারায়ণগঞ্জে ৭ খুনের ঘটনায় ইমেজ সংকটে পড়ে র‌্যাব যখন সুনির্দিষ্ট কাজের বাইরে কোনো এজেন্ডায় অংশ নিচ্ছে না। ঠিক তখনই রাজধানীসহ সারাদেশে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে পুলিশ। একের পর এক বড় বড় সব অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন খোদ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।রাজধানীর বেশ কয়েকটি থানার ওসি'র বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশের বিরুদ্ধে অনেক গুরুতর অভিযোগ উঠলেও এবার একাধিক থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) বিরুদ্ধে সরাসরি হত্যার অভিযোগও উঠেছে।

নারায়ণগঞ্জে ৭ খুনের ঘটনায় ইমেজ সংকটে পড়ে র‌্যাব যখন সুনির্দিষ্ট কাজের বাইরে কোনো এজেন্ডায় অংশ নিচ্ছে না। ঠিক তখনই রাজধানীসহ সারাদেশে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে পুলিশ।

একের পর এক বড় বড় সব অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন খোদ পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।রাজধানীর বেশ কয়েকটি থানার ওসি'র বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পুলিশের বিরুদ্ধে অনেক গুরুতর অভিযোগ উঠলেও এবার একাধিক থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) বিরুদ্ধে সরাসরি হত্যার অভিযোগও উঠেছে।

ইতোপূর্বে অপরাধকর্মে জড়িত থাকার কারণেকনস্টেবল এমনকিবেশ কিছু উপপরিদর্শককেও বিচারের আওতায় এনেছে পুলিশ হেড কোয়াটার। কিন্তু থানার মূল হোতা যার আশ্রয় আর প্রশয়ে অন্য পুলিশ সদস্যরা অপরাধকর্মে জড়িয়ে পড়ছে তাদেরকেই আইনের আওতায় না হয় না।

অভিযোগ উঠছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজধানীর একাধিক থানার ওসি বেআইনি সব কাজ করছেন। কেউ আবার টাকার বিনিময়ে অপরাধীদের সাহায্যও করছেন।

চলতি বছর রাজধানীতে কথিত বন্দুকযুদ্ধ, নির্যাতন ও ছাদ থেকে ফেলে অন্তত ৯ জনকে 'পরিকল্পিতভাবে' হত্যা করেছে পুলিশ। নিহতদের পরিবারের সদস্যরা এ অভিযোগ করেছেন।

সাংবাদিককে থানা ভবনের ছাদ থেকে ফেলে হত্যা

চলতি বছরের ২ মার্চ উত্তরা পশ্চিম থানায় সাপ্তাহিক অপরাধ দমন পত্রিকার সাংবাদিক শাহ আলমকে ছাদ থেকে ফেলে মেরে ফেলার অভিযোগ রয়েছে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ওসি রফিকুল ইসলামসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হত্যা মামলা দায়ের হয়।

নিহত সাংবাদিক শাহ আলম ওরফে সাগরের বড় ভাই খালেক মোল্লা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

শাহ আলমের ভাই খালেদ মোল্লা বলেন, টঙ্গী এলাকার বশির উদ্দিনকে নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশের পর বশির ও শাহ আলমের মধ্যে ঝামেলা হয়। ওসি রফিকুল ইসলাম দুজনকে থানায় ডাকেন।

ওই সময় শাহ আলমের বিরুদ্ধে জিডি করেন বশির উদ্দিন। এর কিছুক্ষণ পর একজন এসআই শাহ আলমকে থানার ছাদে নিয়ে যায়। এরপর ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। থানায় এ বিষয়ে মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। এরপর ২৫ মার্চ মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে ওসি রফিকুল ইসলামসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি রফিকুল ইসলাম মামলার বিষয়টি স্মরণে নেই তাই কিছু বলতে পারবেন না বলে জানান।

রমনা থানার ওসি বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির মামলা

দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে রমনা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মশিউর রহমান ও নিউমার্কেট থানার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেন এক ব্যবসায়ী।

গত ২২ জুন রাজধানীর কাকরাইলের বাসিন্দা জনৈক জাকির হোসেন চৌধুরী ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির হয়ে এ মামলাটি করেন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিজানুর রহমান বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। বাদীর আনীত অভিযোগ পর্যালোচনা ও গুরুত্ব বিবেচনা করে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নিদের্শ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, নারী নির্যাতন ও চুরির পৃথক দুটি মামলায় বাদী রমনা থানায় তিন দিনের রিমান্ডে ছিলেন। রিমান্ড চলাকালে গত ৩ জুন রাত আনুমানিক ১টা থেকে ২টা ৩০ মিনিটের দিকে বাদীকে ওসি তার কামরায় ডেকে এনে সামনে থাকা চেয়ারে বসতে বলেন।

এ সময় অন্য আসামি হঠাৎ ওসির রুমে ঢুকে বাদীকে অপ্রত্যাশিতভাবে মারপিটকরেন।একপর্যায়ে বাদীর কাছ থেকে দুই লাখ টাকা দাবি করে। ওই দিনই রাত আড়াইটার সময় মামলার সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ওসি এবং এসআই থানায় বসে ওই টাকা নেয়।

এ মামলায় গত ১০ জুন আদালত থেকে জামিনেমুক্তি পেয়েই আদালতে এসে এ মামলাটি করেন। মামলা দায়ের হলেও উর্ধ্বতন পুলিশ কোনো তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।

রমনার আরেক ওসির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

এ ঘটনার আগে রমনা থানার আরেক ওসি এ কে সাইদুল হক ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।

স্ত্রীর দায়ের করা যৌতুকের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার ১ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাদিকুল ইসলাম তালুকদার এ পরোয়ানা জারি করে।

গত ২০১২ সালের ৩১ জুলাই ২০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে মারধরের অভিযোগ এনে একে সাইদুল হকের স্ত্রী মরিয়ম আক্তার মৌসুমী এ মামলাটি দায়ের করেন।

শ্যামপুর থানার ওসির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

রাজধানীর শ্যামপুর থানার ওসি আবদুর রহমানের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজি এবং নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগি একটি পরিবারের পক্ষে দুলালি বেগম ওসি আবদুর রশিদের বিরুদ্ধে তার ছেলেকে আটকের পর চাঁদা দাবি এবং নির্যাতনের অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে করে দুলালি বেগম জানান, গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর আমার ছেলে জুয়েল এবং লিখন নামের অন্য আরেক ছেলেকে ওসি আটক করে আমাদের কাছে এক লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে।

দাবিকৃত টাকা দিতে না পারায় ওসি নিজে তাদের দু'জনকে ব্যাপক নির্যাতন করে। ওসি টাকা না পাওয়ায় পরে জুয়েল এবং লিখনকে পেন্ডিং মামলায় আটক দেখিয়ে আদালতে পাঠায়।

ধানমন্ডি ওসির বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ

এরআগে সাংবাদিক বিভাস চন্দ্র সাহা দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পরবর্তী মূহুর্তে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে ব্যর্থতা ও সাংবাদিকদের সাথে অশোভন আচরণ করায় তৎকালীন ধানমন্ডি থানার ওসি মনিরুজ্জামানকে বদলি করা হয়।

তবে এঘটনায় পরে শেখ মোহাম্মদ মারুফ হাসানকে প্রধান করে তিন-সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও তা আলার মুখ দেখেনি।

ওসির বিরুদ্ধে মানবপাচার অভিযোগ

চলতি বছরের জুনে রাজধানীর সবুজবাগ থানার দুই ওসিসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মানবপাচারের গুরুতর অভিযোগ ওঠে।

গত ১২ জুন মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেলথ ফাউন্ডেশনের পক্ষে মহাসচিব মিয়াজি সেলিম আহম্মেদ বাদি হয়ে সবুজবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাবুল মিয়া, অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) তাজুল ইসলামসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে মানবপাচার আইনে মামলাটি করেন।

মিডিয়ায় কাজ করানোর কথা বলে শিশু, কিশোরী এবং নারীদের তারা পাচার করতো বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

বিহারী হত্যায়পল্লবী থানার ওসিরমদদ

সম্প্রতি পল্লবীর স্থানীয় সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার নির্দেশে যুবলীগ কর্মীরা কালশীর বিহারী পল্লীতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করে ১০ জনকে হত্যা করে বলে অভিযোগ উঠে।

এঘটনায় মোটা অঙ্কের টাকায় পল্লবী থানার ওসি জিয়াউজ্জামান রফাদফা করেন। তিনি পুলিশকে নির্দেশ দিয়ে হামলাকারীদের সহায়তা করেছিল বলে অভিযোগ করেছেন নিহতদের পরিবারের সদস্যরা। এমনকি ক্ষতিগ্রস্ত ও নিহতের স্বজনদের মামলা পর্যন্ত গ্রহণ করেন তিনি।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ওসি জিয়াউজ্জামান বলেন, কে বলে মামলা নেয়া হয়নি। আমার কাছে ধরে নিয়ে আসেন। তারা কেউ মামলা করতে আসেনি।

থানায় পুলিশ হেফাজতে ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা

সর্বশেষ গত ১২ জুলাই শনিবার রাতে ঝুট ব্যবসায়ী সুজনকে মিরপুর মডেল থানা হাজতে আটকে রেখে নির্যাতন করে পুলিশ। পরে সুজন মারা যায়। এঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত সুজনের স্ত্রী মমতা সুলতানা লুচি।

গত রোববার সকালে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ জহিরুল হকের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। এতে থানার ওসি সালাউদ্দিন খান এবং এসআই জাহিদসহ মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের পর বেলা সাড়ে ১১টায় আদালত মামলাটি গ্রহণ করেন। পরে বিচারিক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিরপুর থানার এসআই জাহিদুর রহমান ঝুট ব্যবসায়ী সুজনকে থানা হাজতে আটকে রেখে নির্যাতন করে হত্যা করেন। এর পেছনে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন ওসি সালাউদ্দিন।

মিরপুর থানা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, মামলার প্রধান আসামি এসআই জাহিদওসি'কে মোটা অঙ্কের মাসোয়ারা দিতেন। ওসির আশকারা পেয়ে জাহিদ বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। সুজন হত্যাকাণ্ডে ওসির প্রত্যক্ষ মদদ ছিল।

ওসি সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে আরও যতো অভিযোগ

শুরু থেকেই তার বিরুদ্ধে ছিল হয়রানি, ঘুষ বাণিজ্য ও আইনের অপব্যবহারের অভিযোগ। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ গ্রেপ্তার বাণিজ্যের। নিরীহ মানুষকে ধরে এনে হাজতে আটকে রেখে নির্যাতন করে অর্থ আদায়ের একাধিক অভিযোগ দেয়া হয় পুলিশ সদর দপ্তরে।

কোতোয়ালি থানার ওসি'র দায়িত্ব পালনকালে আদালত চত্বরে তরুণীর শ্লীলতাহানি ও সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় অভিযুক্ত হয়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছিলেন।

মিরপুর থানায় আসার পর তিনি হন মূর্তিমান আতংক।

গত বছরের ১৭ই মার্চ মিরপুরে বাবলু নামে এক যুবকের পায়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করেন তিনি। সেই যুবক এখন পঙ্গু। একই বছর ১০ই এপ্রিল রাতে মিল্টন ও শিপন নামে দুই যুবককে ধরে নিষ্ঠুর নির্যাতন করেন তিনি।

আযহারুল ইসলাম নামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের মাস্টার্সের এক ছাত্রকে থানায় আটকে রেখে হাত-পা ভেঙে দেয়া ও নখ তুলে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

ওসি সালাহউদ্দিন খানের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিপুল সম্পদ আহরণেরও অভিযোগ রয়েছে। ২০১০ সাল থেকে ২০১১ সালে দুদকের অনুসন্ধানে যেসব পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ছিল।

এর আগে ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক অভিযোগে বলা হয়, সালাউদ্দিন খানের শেয়ারবাজারে এক কোটিরও বেশি টাকা বিনিয়োগ ছাড়াও নামে-বেনামে কয়েক কোটি টাকার সম্পদের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

ডিএমপি মিডিয়া সেন্টার সূত্রে জানা গেছে, বরাবর রাজনৈতিক প্রভাব দেখিয়ে আসছেন সালাউদ্দিন। ওসি সালাউদ্দিনের বাড়ি গোপালগঞ্জে হওয়ায় উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করতে সাহস পাচ্ছে না।

অপরদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রধান আসামী এসআই জাহিদ ইতোমধ্যে ব্যবসায়ী সুমন হত্যার ঘটনায় ওসি সালাউদ্দিনের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। সুমনকে নির্যাতন করার বিষয়টিও জানতেন ওসি। এবং ওসির নির্দেশেই্ সুমনের মাথা বুট দিয়ে থেতলে দিয়েছিল এসআই জাহিদ।

নিহতের স্বজনরা দাবি করেছেন, দেড় লাখ টাকা না দেয়ায় সুজনকে পিটিয়ে হত্যা করেন এসআই জাহিদুর রহমান খান।

এসব অভিযোগ সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হলে ওসি সালাউদ্দিন আহমেদ খান কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ডিএমপি, মুখপাত্র যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম টাইমনিউজবিডি'কে বলেন, পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠতে পারে। তবে অভিযোগ সত্য কি মিথ্যা তা তদন্ত সাপেক্ষ ব্যাপার। সম্প্রতি যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে তা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঢাকা, জেইউ, ২৩ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, এআর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *