বুধবার ১, ফেব্রুয়ারি ২০২৩
EN

অর্থপাচার গুরুতর অপরাধ : আপিল বিভাগ

বর্তমান সময়ে অর্থপাচারকে ‘গুরুতর অপরাধ’ (সিরিয়াস অফেন্স) বলে মন্তব্য করেছেন আপিল বিভাগ। ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের তৎকালীন সেক্রেটারি জয় গোপাল সরকারকে চার মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বাতিল করার আদেশে এমন কথা বলেছেন আপিল বিভাগ।

বর্তমান সময়ে অর্থপাচারকে ‘গুরুতর অপরাধ’ (সিরিয়াস অফেন্স) বলে মন্তব্য করেছেন আপিল বিভাগ। ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের তৎকালীন সেক্রেটারি জয় গোপাল সরকারকে চার মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বাতিল করার আদেশে এমন কথা বলেছেন আপিল বিভাগ। 

গত ২ নভেম্বর আপিল বিভাগের দেওয়া ওই আদেশ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। আদেশে মামলাটি এক বছরের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

গত ১৯ আগস্ট হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে চার মামলায় জামিন দিয়েছিলেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ২৩ আগস্ট হাইকোর্টের আদেশ ছয় সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছিলেন।

তার ধারাবাহিকতায় আবেদনটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে ওঠে। ২ নভেম্বর গোপাল সরকারকে চার মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ ওই আদেশ দেন।  

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ। জয় গোপালের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোমতাজ উদ্দিন ফকির। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।  

জয় গোপাল ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের একজন ফুটবলার ছিলেন। অবসরে গিয়ে পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, পরে ক্যাশিয়ারের দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। ২০১৪ সালে ক্লাবটির সাধারণ সম্পাদক হন।  

গত বছরের ১৩ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের একটি ভবন থেকে এক সহযোগীসহ দুই ভাই এনু ও রূপনকে গ্রেফতার করে সিআইডি। এরপর গেন্ডারিয়া থানায় মানিলন্ডারিং আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।  

এনামুল হক এনু ও রূপন ভূঁইয়ার আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে জয় গোপালের নাম উঠে এলে সিআইডি তাকে ২০২০ সালের ১৩ জুলাই লালবাগ থেকে গ্রেফতার করে। পরদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাস তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এমআর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *