মঙ্গলবার ১৬, অগাস্ট ২০২২
EN

আজ থেকে খোলা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু

কারওয়ান বাজার, নয়াবাজার ও রামপুরা বাজার ঘুরে ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রোববার দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল ৭৮-৮০ টাকা কেজি দরে। শনিবার ছিল ৭০ টাকা।

শুক্রবার ভারতের প্রতি টন পেঁয়াজের সর্বনিু রফতানি মূল্য ৮৫০ মার্কিন ডলারের ঘোষণা দেয়ার পর দেশে পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।

গত দুই দিনে রাজধানীর পাইকারি ও খুচরা বাজারে দুদফা কেজিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, পেঁয়াজের দাম বাড়ায় আমাদেরও বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। তাই দ্রুত অন্য দেশ থেকে পণ্যটি আমদানি করে সরবরাহ বাড়িয়ে মূল্য সহনীয় করা হবে।

কারওয়ান বাজার, নয়াবাজার ও রামপুরা বাজার ঘুরে ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রোববার দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল ৭৮-৮০ টাকা কেজি দরে। শনিবার ছিল ৭০ টাকা।

বৃহস্পতিবার বিক্রি হয় ৫০-৫৫ টাকায়। রোববার ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৭০ টাকা কেজি দরে, শনিবার বিক্রি হয় ৬০ টাকায়। বৃহস্পতিবার ছিল ৪৫-৫০ টাকা।

আর তাই পেঁয়াজের বাজারদরের ঊর্ধ্বগতি রোধে রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে এলসি মার্জিন এবং সুদের হার হ্রাসের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বন্দরে আমদানিকৃত পেঁয়াজের খালাস প্রক্রিয়া দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা এবং নির্বিঘ্নে পরিবহন নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ বরাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে।

আমাদের হিলি প্রতিনিধি জানিযেছেন, নিজেদের বাজার সামাল দিতে পেঁয়াজ রপ্তানির ন্যূনতম মূল্য টনপ্রতি ৮৫০ ডলার বেঁধে দিয়েছে ভারত। এ খবরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রোববার বাংলাদেশের বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় ১৫ টাকা।

ঢাকার বড় বড় বাজারে এখন ভালোমানের দেশি পেঁয়াজ ৭০ টাকা, দেশি কিং নামের পেঁয়াজ ৬৫ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবারও দেশি পেঁয়াজ ৫০-৫৫ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৪৫-৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল।

এএস

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *