বুধবার ১, ফেব্রুয়ারি ২০২৩
EN

একযোগে জেগে উঠতে হবে

হারুন ইবনে শাহাদাত : কোন সংকটের জালে বন্দি বিরোধীদলের রাজনীতি- এ প্রশ্নের উত্তর জানা থাকলেও সমাধান মিলছে না, কারণ কবি কামিনী রায়ের লেখা সেই পাঠকনন্দিত কবিতার ছত্রে লুকিয়ে আছে এর সমাধান এমনটাই মনে করেন বিশ্লেষকরা। কবিতার লাইনগুলো পাঠকদের অজানা নয়, তারপরও আবার উদ্ধৃত করা হলো- ‘করিতে পারি না কাজ, সদা ভয় সদা লাজ/সংশয়ে সংকল্প সদা টলে, পাছে লোকে কিছু বলে।’

মানবাধিকার রক্ষায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফরম দেশের রাজনীতির মঞ্চে এখন এমন আত্মঘাতী খেলাই চলছে। ‘দণ্ডিতের সাথে দণ্ডদাতা কাঁদে যবে সমান আঘাতে শ্রেষ্ঠ সে বিচার।’ ন্যায়শাস্ত্রের এ আপ্তবাক্য আজ ভুলে গেছেন তথাকথিত মানবাধিকারের ফেরিওয়ালারা। তাদের কণ্ঠের সেই ‘ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই’ ফ্যাসিবাদী স্লোগান আজও দেশবাসীর কানে বাজে।

কথিত মানবাধিকারের ফেরিওয়ালারা এমন স্লোগান দিয়ে যখন দেশের সবচেয়ে বড় ইসলামপন্থী ও তৃতীয় বৃহত্তম একটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের পরপারে পাঠানোর ব্যবস্থা করল, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ত্রুটিপূর্ণ আইনে ন্যায়ভ্রষ্ট রায় বলে অভিহিত করলেও দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে বসে তামাশা দেখেছে। কিন্তু সেই একই আগুনে এখন রাজনৈতিক দলগুলোসহ পুড়ছে গোটা জাতি।

জার্মানির নাৎসিবিরোধী কবি ও ধর্মযাজক মার্টিন নিম্যোলার কবিতার মতোই  একেকটি ঘটনা ঘটছে এখন এ দেশে ‘যখন ওরা প্রথমে কমিউনিস্টদের জন্য এসেছিল, আমি কোনো কথা বলিনি,/কারণ আমি কমিউনিস্ট নই।/তারপর যখন ওরা ট্রেড ইউনিয়নের লোকগুলোকে ধরে নিয়ে গেল, আমি নীরব ছিলাম,/কারণ আমি শ্রমিক নই।/তারপর ওরা যখন ফিরে এলো ইহুদিদের গ্যাস চেম্বারে ভরে মারতে, আমি তখনও চুপ করে ছিলাম,/কারণ আমি ইহুদি নই।/আবারও আসল ওরা ক্যাথলিকদের ধরে নিয়ে যেতে, আমি টুঁ শব্দটিও উচ্চারণ করিনি,/কারণ আমি ক্যাথলিক নই।/শেষবার ওরা ফিরে এলো আমাকে ধরে নিয়ে যেতে,/আমার পক্ষে কেউ কোনো কথা বলল না, কারণ, কথা বলার মতো তখন আর কেউ বেঁচে ছিল না।’

মানবাধিকার লঙ্ঘন ও হত্যা, সন্ত্রাস নির্যাতনের প্রতিবাদ করতে গিয়েও দেশের বিরোধীদলগুলোর সংশয়ে সংকল্প কম করে সাতবার টলে। এ সংশয়ের সংকটের কারণেই দেশে সরকারবিরোধী ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে উঠছে না। সরকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অপপরিচয়কে (যেমন: স্বাধীনতাবিরোধী, পাকিস্তানপন্থী, ক্যান্টমেন্টে জন্ম ইত্যাদি ইত্যাদি) সামনে এনে ভাগ করো এবং শাসন করো নীতিতে দিব্যি আরামে বিনাভোটে দেশ শাসন করে চলছে। একেকটা দল নিজেদের গায়ে এ আঠা লাগার ভয়ে হাজার মাইল দূরে দূরে অবস্থান করছে।

সিরাতুন্নবী সা.-এর মতো অরাজনৈতিক ভ্রাম্যমাণ ট্রাক র‌্যালি থেকে নিরীহ শিল্পীদের গ্রেপ্তারের ঘটনার পরও দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো প্রতিবাদ করার সাহস কিংবা প্রয়োজন অনুভব করে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবরার হত্যার তৃতীয় বার্ষিকী, অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের হামলা এবং উল্টো মামলা ও গ্রেপ্তারের পরও উহারা নীরব। কারণ ঐ একটাই আবরার ‘শিবির’ নয়তো এমন সংশয়। তার মানে ‘শিবির’র যেন কোনো মানবাধিকার নেই, কিংবা থাকতে নেই।

কিন্তু এর সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র দেখা যায় প্রতিবেশী দেশ ভারতে পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়া (পিএফআই)-কে জঙ্গি তকমা লাগিয়ে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে দেশটির বিজেপি সরকার। পিএফআই-এর নেতা-কর্মীদের নির্যাতনের প্রতিবাদে মুখর সে দেশের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসসহ সবাই। কারণ তারা মনে করেন, যে প্রক্রিয়ায় তাদের নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক। গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ এবং মানবাধিকারের পরিপন্থী।

গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ মানবাধিকারের পরিপন্থী
পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়াকে নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদ জানিয়ে ভারতের মানবাধিকার সংস্থা ‘বন্দিমুক্তি কমিটি’র সাধারণ সম্পাদক ছোটন দাস বলেছেন, ‘আমরা যেকোনো সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার বিরোধী। সরকার কোনো সংগঠনের কাজকর্ম নিয়ে অভিযোগ জানাতেই পারে, কিন্তু সেটা আদালতের বিচার্য বিষয়। এক্ষেত্রে সংগঠনের সঙ্গে রাজনৈতিক মতাদর্শগত সংগ্রামে না এঁটে উঠতে পেরে প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করছে। এ ধরনের নিষিদ্ধকরণ গণতন্ত্রকে দুর্বল করে, ক্ষতিগ্রস্ত করে। অবশ্য আরএসএস পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার তো আর গণতন্ত্রের ধার ধারে না, তারা ফ্যাসিজম কায়েম করতে চাচ্ছে। তাই বিরুদ্ধ মত, ভিন্নধর্মের ধর্মীয় সামাজিক সংগঠনের ওপরে আক্রমণ নামিয়ে এনেছে।’  

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুরোধ করবÑ তারা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে ‘পিএফআই’ এবং যেসব সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তারা কী কী কাজে যুক্ত তা জানাতে। কখনো যদি বিরোধী সরকার ক্ষমতায় এসে আরএসএ বা তাদের কোনো সংগঠনকে নিষিদ্ধ করে আমরা তারও বিরোধিতা আগাম করে রাখছি। আমরা মানবাধিকার সংগঠন, সর্বদাই নিষিদ্ধকরণের বিরুদ্ধে। একইভাবে ‘সিমি’র নিষিদ্ধকরণের বিরুদ্ধে আমরা আজও সংগ্রাম করছি এবং সিপিআই মাওবাদী এবং তার সঙ্গে যুক্ত করে অন্য সংগঠনেরও আমরা নিষিদ্ধকরণের বিরোধিতা করছি। ‘পিএফআই’ এবং তার সঙ্গে যুক্ত করে যাদের নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তার মধ্যে একটি ‘মানবাধিকার সংগঠন’ আছে, তাদেরও নিষিদ্ধ করেছে। আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করছি এবং অবিলম্বে এই নিষিদ্ধকরণের নির্দেশ প্রত্যাহার করা হোক। সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন- গণতন্ত্রের ওপরে এ আক্রমণ, এটা কোনো নির্দিষ্ট কোনো সংগঠনের ওপরে নয়, এর বিরুদ্ধে সকলকে প্রতিবাদে শামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’
উত্তরপ্রদেশের সম্ভলের সমাজবাদী পার্টির সংসদ সদস্য শফিক উর রহমান বার্ক বলেছেন, পিএফআইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা ভুল সিদ্ধান্ত। বিজেপি যেভাবে কাজ করছে, ২০২৪ সালের নির্বাচনে মানুষ তাদের শিক্ষা দেবে। 

ভারতীয় সংসদে নিম্নকক্ষ লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা ও পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী এমপি বলেছেন, ‘বিভিন্ন রাজ্যে রাহুল গান্ধীর পদযাত্রায় ভিড় এবং জনসমর্থনের ভয়ে কেন্দ্রীয় সরকার পিএফআইকে নিষিদ্ধ করেছে। অধীর রঞ্জনের মতে, রাহুল গান্ধী যখন কেরালায় সফর করছিলেন, তখনই পিএফআই-এর ওপর আঘাত শুরু হয়েছিল এবং এখন যখন তিনি কর্ণাটকে প্রবেশ করতে চলেছেন এবং কর্ণাটকের লোকেরা তার অপেক্ষায় আছে, তখন পিএফআই নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং এটি ছিল সুপরিকল্পিত। এটি গেম প্ল্যানের অধীনে করা হচ্ছেÑ যাতে কংগ্রেস এবং পিএফআইকে সংযুক্ত করা যায়। উভয়কে যুক্ত করে যাতে কংগ্রেসের মানহানি করা যায়।’

কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী আরও বলেন, ‘মহাত্মা গান্ধীকে হত্যার পর আরএসএস নিষিদ্ধ হয়েছিল। একই আরএসএস ও হিন্দু সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়েছে কখনো ট্রেন বিস্ফোরণ মামলায়, কখনো মসজিদে বিস্ফোরণে। কেন তখন আরএসএস নিষিদ্ধ করা হয়নি? এমতাবস্থায় যারা নীতির কথা বলছেন, তাদের অতীতের দিকে তাকাতে হবে। পিএফআই নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।’  

কেরালার সিপিআইএম নেতা ও রাজ্য সম্পাদক এমভি গোবিন্দন বলেছেন, ‘যদি কোনো সংগঠনকে নিষিদ্ধ করতে হয়, সেটা হলো আরএসএস। এটি সাম্প্রদায়িক কার্যক্রম পরিচালনাকারী প্রধান সংগঠন। এটা কী নিষিদ্ধ হবে? একটি চরমপন্থী সংগঠনকে নিষিদ্ধ করে সমস্যার সমাধান হবে না। অতীতে আরএসএস নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সিপিআইকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একটি সংগঠনকে নিষিদ্ধ করলে তার আদর্শের অবসান হবে না এবং এটি একটি নতুন নামে অস্তিত্বে আসবে। অন্যদিকে বিজেপি নেতা ও বিভিন্ন রাজ্যের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীরা পিএফআইয়ের ওপরে নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থন করে সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। বিজেপির পক্ষ থেকে এমন প্রতিক্রিয়া জানানো হবেÑ এটাই স্বাভাবিক। কারণ তাদের সরকারই এ ঘটনা ঘটিয়েছে।’

এদেশে এমন ঘটনায় বিরোধীদলগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা রাখতে পারে না। বিশেষ করে ইসলামপন্থী কোনো রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন নেমে এলে তো কোনো কথাই নেই। অবস্থা এমন দাঁড়ায় যেন এরা এদেশের কেউ নন, এদের মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার কিংবা এদেশের উন্নয়নে কাজ করার কোনো অধিকার নেই। মানবাধিকার সংগঠন ও বিরোধীদলগুলোর এমন একচোখা অমানবিক মানসিকতার কারণে সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের আগ্রাসন দিন দিন বাড়ছে। কারণ তারা এখন নিজেদের ছাড়া আরও কাউকে এদেশের বৈধ নাগরিক মনে করছে না। তাই তো মিছিল-মিটিং করলে হামলা-মামলা দেয়া হচ্ছে। দলীয় সন্ত্রাসী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কাজে লাগাচ্ছে বিরোধীদলের নেতা-কর্মীদের মানবিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিতে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিউৎসাহী একশ্রেণির সদস্য ভুলেই গেছেন, তারা সরকারের কর্মচারী নন, প্রজাতন্ত্রের চাকরি করেন। বিরোধীদলের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে তারা তাদের শপথ ভঙ্গ করছেন। তাদের মধ্যে কোন অনুশোচনা নেই দিনের ভোট রাতে করে আওয়ামী লীগের ক্ষমতার মেয়াদ বাড়িয়ে তারা অপরাধ করেছেন। এর প্রমাণ পাওয়া গেল সেদিন নির্বাচন কমিশনের সাথে ডিসি ও এসপিদের বৈঠকে।

ডিসি-এসপিদের ‘হইচই’ খারাপ দৃষ্টান্ত
নির্বাচন কমিশনের মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপার (এসপি) সাহেবরা ‘হইচই’ করেছেন। শনিবারের (৮ অক্টোবর) এ ঘটনা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) রাশেদা সুলতানা বলেন, ঘটনাটি খারাপ লেগেছে এবং তিনি কিছুটা বিব্রতও হয়েছেন। তবে এ ঘটনায় বিচলিত নন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে ওই সভায় নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমানের বক্তব্যের জেরে ডিসি-এসপিরা হই-হট্টগোল করে ওঠেন। আনিছুর রহমান ভোটের সময় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পক্ষপাতের অভিযোগের কথা তুলে ধরেছিলেন। তার এ কথায় ডিসি-এসপিরা ‘হইচই’ শুরু করেন। এ সময় সভা সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়।

পরে ডিসি-এসপিদের আপত্তির মুখে আনিছুর রহমান বক্তব্য শেষ না করে তার সিটে গিয়ে বসে পড়েন। গত ১০ অক্টোবর সোমবার এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ওই সভায় অংশ নেয়া কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘হইচই’ করাটা তাদের ঠিক হয়নি, এটা সত্য কথা। পরিবেশটা তৈরি হওয়াটা কোনোভাবেই ঠিক হয়নি। সাময়িকভাবে বলব, একটু খারাপ লাগছে। বিব্রত তো বটেই। এমন অবস্থায় দেশের সর্বস্তরে পচনের লক্ষণ বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক। তারা মনে করেন, যারা ইসির মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কথা শুনতে চায় না তারা কি আদেশ মেনে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করতে পারবেন? এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোর অনৈক্য এবং মানবাধিকার সম্পর্কে উদাসীনতাকেই তারা দায়ী করেছেন।

একযোগে জেগে উঠতে হবে
ছুঁৎ মার্গ ভুলে সংশয়ের বেড়াজাল ছিন্ন করে একযোগে জেগে উঠতে পারলেই এ সংকট কাটবে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। যার বিরুদ্ধেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটুক, সবাই একসাথে প্রতিবাদ জানাতে পারলে স্বৈরাচারের গলার আওয়াজ এমনিতেই মিলিয়ে যাবে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এ দেশের মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করছে। এ কাজ সহজ নয়। এ পথে অনেক বাধা-বিপত্তি ও পরীক্ষা আছে। সে পরীক্ষা ও শত জুলুম-নির্যাতনের মধ্যেও ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’ তিনি গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানান। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করাই আমাদের শপথ। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। যুগপৎ আন্দোলনকে জোরদার করতে হবে।’

এন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *