শুক্রবার ৩, ডিসেম্বর ২০২১
EN

ওষুধ ছাড়াই টনসিলের ব্যথা জব্দ করার ৬ উপায়

শীতে যে সব অসুখের প্রকোপে প্রায়ই ভুগতে থাকি আমরা, টনসিলে সংক্রমণ তার অন্যতম।

শীতে যে সব অসুখের প্রকোপে প্রায়ই ভুগতে থাকি আমরা, টনসিলে সংক্রমণ তার অন্যতম। জিভের পিছনের প্রান্তে গলার দু’পাশে যে গোলাকার পিণ্ডটি দেখা যায়, তা-ই টনসিল।

মূলত মুখ, নাক, গলা থেকে কোনও প্রকার রোগজীবাণু যাতে কোনও ভাবে শরীরে ঢুকতে না পারে, সে দিকেই খেয়াল রাখে টনসিল। -সূত্র: আনন্দবাজার।

ঠান্ডা লাগলে টনসিলে সংক্রমণ হয়ে থাকে। তখন ঢোক গিলতে ও কথা বলতেও অসুবিধা হয়, গলায় ব্যথার কারণে কাশতে গেলেও কষ্ট হয়। টনসিলের ব্যথা কমাতে বাজারচলতি নানা ওষুধ রয়েছে ঠিকই। কিন্তু ঘরোয়া উপায়েও এর মোকাবিলা করা যায়।

টনসিলাইটিস যে শুধু শিশুদের হয়, তা নয়। এটি শিশুদের বেশি হলেও যেকোনো বয়সেই হতে পারে।

বছরের অন্য সময়ের চেয়ে শীতে টনসিলের সমস্যা বেড়ে যায়। এই রোগে আগে ঘরোয়া চিকিৎসা। আর অতিরিক্ত সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

আসুন জেনে নিই টনসিল রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা-

১. গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে ভেপার নিন। এই সময় চাদর দিয়ে নিজেকে মুড়ে ফেলুন।

২. কান-মাথা যেন কাপড় দিয়ে ডেকে রাখতে হবে। এ সময় বাতাস গায়ে না লাগানো ভালো।

৩. গলাব্যথা, টলসিলের অসুখ থেকে অনেকটা আরাম লবণ ও পানির ভেপার।

৪. ফোটানো দুধে এক চিমটে হলুদ মিশিয়ে খেতে পারেন। হলুদের অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান সংক্রমণ সরায়। এ ছাড়া হলুদ প্রাকৃতিকভাবেই অ্যান্টিসেপটিক উপাদানে ঠাসা। তাই হলুদের প্রভাবে গলার প্রদাহও সারে।

৫. তিন কাপ পানিতে এক চা চামচ গ্রিন টি ও এক চামচ মধু দিয়ে মিনিট পাঁচেক ফুটিয়ে নিন। এই চা একটা ফ্লাস্কে রেখে দিন। উষ্ণ থাকাকালীন অল্প অল্প করে বারবার খান। গ্রিন টি অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি এটি শরীরের জীবাণুর সঙ্গে লড়াইও করে।

৬. খেয়ে দেখতে পারেন মধু। মধুর অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল উপাদান প্রদাহ কমায় টনসিলের।

এএস

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *