মঙ্গলবার ২৫, জানুয়ারী ২০২২
EN

কঠোর লকডাউনে ব্যাংক চলবে দেড়টা পর্যন্ত

মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আগামীকাল (২৩ জুলাই) শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে শুরু হচ্ছে ‘কঠোর লকডাউন’। এই লকডাউন চলবে আগামী ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত। লকডাউন চলাকালে দেশের ব্যাংকগুলোতে লেনদেন নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সময় অনুযায়ী ব্যাংকে লেনদেন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বেলা দেড়টা পর্যন্ত চলবে।

মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আগামীকাল (২৩ জুলাই) শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে শুরু হচ্ছে ‘কঠোর লকডাউন’। এই লকডাউন চলবে আগামী ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত।

লকডাউন চলাকালে দেশের ব্যাংকগুলোতে লেনদেন নতুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সময় অনুযায়ী ব্যাংকে লেনদেন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বেলা দেড়টা পর্যন্ত চলবে।

কঠোর লকডাউনে ব্যাংকিং কার্যক্রম নিয়ে গত ১৩ জুলাই এক প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপন আরও বলা হয়, সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত বিধিনিষেধ চলাকালে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই সময়ে মাস্ক পরিধানসহ সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পরিপালন করে সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জরুরি বিভাগসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক শাখা খোলা রাখতে পারবে ব্যাংকগুলো। শাখা খোলা রাখার ব্যাপারে বলা হয়েছে, নিজ বিবেচনায় খোলা রাখা যাবে।

বিধিনিষেধ চলাকালে হিসাবে নগদ/ চেকের মাধ্যমে অর্থ জমা ও উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট/ পে-অর্ডার ইস্যু ও জমা গ্রহণ-এসব সেবার পাশাপাশি বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির ভাতা/ অনুদান বিতরণ ইত্যাদি সেবা মিলবে। এছাড়া একই ব্যাংকের খোলা রাখা বিভিন্ন শাখা ও একই শাখার বিভিন্ন হিসাবের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, অনলাইন সুবিধা-সংবলিত ব্যাংকের সব গ্রাহকের এবং এসব সুবিধা-বহির্ভূত ব্যাংকের খোলা রাখা শাখার গ্রাহকেরা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমস/ ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা ও জরুরি বৈদেশিক লেনদেন-সংক্রান্ত সেবা পাবেন গ্রাহকেরা।

এই সময়ে কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখার নির্দেশনা দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এটিএম বুথগুলোতে পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ সার্বক্ষণিক সেবা চালু রাখতে হবে।

এমবি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *