সোমবার ৬, ফেব্রুয়ারি ২০২৩
EN

কারচুপির অভিযোগে ২১ প্রার্থীর নির্বাচন বর্জন

ভোট কারচুপি, জোর করে কেন্দ্র দখল, ভাড়াটে লোক দিয়ে জালভোট প্রদান ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেয়ার অভিযোগে খোদ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রার্থীসহ কমপক্ষে ২১ জন প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

[b]ঢাকা:[/b] ভোট কারচুপি, জোর করে কেন্দ্র দখল, ভাড়াটে লোক দিয়ে জালভোট প্রদান ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেয়ার অভিযোগে খোদ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রার্থীসহ কমপক্ষে ২১ জন প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রে কেন্দ্রে জাল ভোট প্রদান, অপ্রাপ্ত বয়স্কদের দিয়ে ভোট প্রদানের মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে ১০১টি ভোটকেন্দ্রের প্রায় সবই ছিল ভোটারশূন্য। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে সমাগম করতে পারেনি সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা। এর মধ্যে চারটি কেন্দ্রের বাইরে বিশৃঙ্খলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সেখান থেকে পুলিশ যুব ও ছাত্রদলের চার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। সারা দিন দু-একজন করে ভোটার ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিয়ে গেছেন। কোনো কেন্দ্রেই লাইন ধরে দাঁড়িয়ে ভোটারদের ভোট দিতে দেখা যায়নি। এ দিকে বেশির ভাগ ভোটকেন্দ্র থেকে নিজেদের পুলিং এজেন্ট বের করে দেয়া ও বেশির ভাগ কেন্দ্র দখলে নিয়ে সরকারদলীয় প্রার্থীরা ইচ্ছে মতো ভোট দিয়েছে এমন অভিযোগ এনে বেলা ১টায় স্বতন্ত্রপ্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা ডা: শওকত আলী এবং একই ধরনের অভিযোগে বিকেল সাড়ে ৩টায় জাতীয় পার্টির প্রার্থী জয়নাল আবেদীন নির্বাচন বর্জন করেন। সকালে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য গাজী গোলাম দস্তগীর (বীরপ্রতীক) রূপসী নিউ মডেল উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। আর স্বতন্ত্রপ্রার্থী ডা: শওকত আলী গন্ধর্বপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিজের ভোট দেন। স্বতন্ত্রপ্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা ডা: শওকত আলী সাংবাদিকদের জানান, প্রায় সব কেন্দ্র থেকেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কর্মীরা তার পুলিং এজেন্টদের বের করে দিয়েছে। বিষয়টি প্রথম তিনি রিটার্নিং অফিসারকে জানান। এতে কোনো প্রতিকার না পেয়ে তিনি নির্বাচন বর্জন করেন। একই কথা বলে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জয়নাল আবেদীনও ভোট বর্জন করেন। আওয়ামী লীগ প্রার্থী গাজী গোলাম দস্তগীর বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে হয়েছে। শীতকাল হওয়ায় ভোটার উপস্থিতি সকালে কিছুটা কম ছিল। ভোট কারচুপি ও কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট প্রদানের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ি-সাদুল্যাপুর) আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী খাদেমুল ইসলাম খুদি ও গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বরগুন: উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভোটার উপস্থিতি ছাড়াই ব্যাপক কারচুপির মধ্য দিয়ে গতকাল রোববার বরগুনা-২ আসনের পাথরঘাটা উপজেলার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন চলাকালীন বেলা ১১টায় পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়াসহ ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন স্বতন্ত্রপ্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা প্রফেসর আবুল হোসেন শিকদার। লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর) আসনের দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন বয়কটের ঘাষণা দিয়েছেন। নির্বাচনে অনিয়ম-কারচুপির অভিযোগ এনে ভোটগ্রহণের দিন গতকাল বেলা পৌনে ১১টার দিকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এ বয়কটের ঘোষণা দেন। তারা হলেন হরিণ প্রতীকের প্রার্থী আজাদ উদ্দীন চৌধুরী ও ফুটবল প্রতীকের অ্যাডভোকেট এ কে এম শরীফ উদ্দিন। আজাদ উদ্দীন চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট এ কে এম শরীফ উদ্দিন রামগতি প্রেস কাবের সামনে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের সমর্থকেরা অর্ধশতাধিক কেন্দ্র থেকে তাদের পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়ে নৌকা প্রতীকে সিল মারছেন। যে কারণে তারা নির্বাচন বয়কটের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন।  কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী তাহা ইয়াহিয়া নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। রোববার বেলা দেড়টায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে জাল ভোট প্রদান, এজেন্টদের বের করে দেয়া এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা ও নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন তাহা ইয়াহিয়া। ঝালকাঠি-১ আসনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বজলুল হক হারুনসহ তার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্র দখল করে ব্যালটে জোরপূর্বক সিল মারা, লাঙ্গল প্রতীকের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া, জীবননাশের হুমকি দেয়ার অভিযোগ এনে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো: নাসির উদ্দিন। গতকাল বিকেলে ঝালকাঠি প্রেস কাবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। তিনি আরো অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে তার কর্মী-সমর্থকদের প্রচারণায় মাঠে নামতে দেয়নি বজলুল হক হারুনের নেতাকর্মীরা। নির্বাচনের পর দেখে নেয়ার হুমকিও দেয়া হয় বলে জাপা প্রার্থী জানান। বর্তমানে তিনি ও তার সমর্থকেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ব্যাপারে তিনি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। বিলম্বে বোধোদয় সিলেটের দু’টি আসনে আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচন বয়কট করে বলেছেন, আবারো প্রমাণিত হলো এ সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তারা বলেছেন, ১৮ দলীয় জোট নির্বাচন বয়কট করে তারা সঠিক কাজটি করেছে। গতকাল বিকেলে সিলেট-২ (বিশ্বনাথ, ওসমানীনগর ও বালাগঞ্জের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহিবুর রহমান ও সিলেট-৪ আসনের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফারুক আহমদ নগরীর একটি হোটেলে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তারা এ কথা বলেন। সিলেট-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহিবুর রহমান অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বিভিন্ন কেন্দ্র দখল করে নিয়ে তার এজেন্টদের বের করে দিয়ে ভোট টেবিলে কাস্টিং করেছে। এটাকে পাতানো নির্বাচন বলে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, বিভিন্ন সেন্টারে আওয়ামী লীগের একেকজন কর্মী তিন চার বার করে ভোট দিচ্ছে। এ দিকে সিলেট-৪ আসনের আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ফারুক আহমদ জোরপূর্বক ভোটকেন্দ্র দখল ও জাল ভোটের অভিযোগ করেছেন। বিএনপি-আওয়ামী লীগের কর্মীরা মিলে জাল ভোট দেয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। পটুয়াখালীতে অনিয়ম, কারচুপি ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ এনে পটুয়াখালী-১ আসনে নির্বাচন বর্জন করলেন আওয়ামী লীগ নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী পৌরমেয়র ডা: মো: শফিকুল ইসলাম। রোববার বিকেলে পটুয়াখালী প্রেস কাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, সরকারদলীয় ক্যাডাররা জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পক্ষে রোববার সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপি করে। এ সময় কয়েকটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনতাই করে ক্যাডাররা। তা ছাড়া বেলা বাড়ার সাথে সাথে দুমকী উপজেলার প্রায় সব ক’টি কেন্দ্র জাতীয় পার্টির কর্মী-সমর্থকেরা দখল করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়। নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের আওয়ামী লীগের শরিক দল জাসদের প্রার্থী আফজাল হোসেন খান জকি। গতকাল বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঘিওরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমরা বেলা ২টার সময় পরিস্থিতি দেখে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি অভিযোগ করেন, ঘিওর, দৌলতপুর ও শিবালয় নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী নাইমুর রহমান দুর্জয়ের লোকজন ৫০-৬০টি কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের জোর করে বের করে দেয়। এ সময় বিভিন্ন কেন্দ্রে তার লোকজনকে মারধর করে আওয়ামী লীগের লোকেরা। তিনি বলেন, আমার লোকদের এসব অভিযোগ লিখিতভাবে দেয়ার সুযোগও দেয়া হয়নি। নীলফামারী-১ আসনে জাপা (এ) দলীয় লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী বর্তমানে ওই আসনের সংসদ সদস্য জাফর ইকবাল সিদ্দিকী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ভোট চলাকালীন বেলা ১১টা থেকে ডিমলা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজ, বালাপাড়া সুন্দরখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম ছাতনাই উচ্চবিদ্যালয়, বাবুরহাট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ৫০টি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আফতাব উদ্দিন সরকার নিজে এবং দলীয় লোকজনদের দিয়ে কেন্দ্রে কেন্দ্রে গিয়ে প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল মেরেছেন। এ ছাড়াও ডিমলা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে লাঙ্গলের এজেন্ট আব্দুল মতিনকে নৌকার প্রার্থী নিজেই বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেছেন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে-২৭৯ চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে ব্যাপক কারচুপির মাধ্যমে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। রোববার সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হলেও বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে দুপুর গড়িয়ে গেলেও ভোটারদের উপস্থিতি ছিল নগণ্য। একপর্যায়ে বেলা ৩টায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. মাহমুদ হাসান লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, উপজেলার সব ক’টি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার ২ ঘণ্টা শেষ না হতেই ১৪ দলসমর্থিত নৌকার প্রার্থী সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজণ্ডারীর নির্দেশে তার দলীয় ক্যাডার ও সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা বেআইনিভাবে কেন্দ্র দখল করে। নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ভীতি প্রদর্শন এবং ব্যালেট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে সিল দেয়, এরপর ব্যালট বাক্স ভর্তি করে আমার অ্যাজেন্টেদের বলপূর্বক কেন্দ্রে হতে বের করে দেয়। মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এসপি মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম ও মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে জেলা জাসদের সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিরুজ্জামান নির্বাচন বর্জন করেছেন। এসপি মাহবুব রোববার বেলা ২টায় টঙ্গীবাড়ি উপজেলার রবনগরকান্দি গ্রামের নিজ বাড়িতে বেলা ২টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এ নির্বাচন বর্জন করেন। এ ছাড়া জাসদের (ইনু) প্রার্থী আওয়ামী লীগ প্রার্থী সুকুমার রঞ্জন ঘোষের নির্বাচনে অনিয়ম ও ভোট কারচুপির কারণে নির্বাচন বয়কট করতে বাধ্য হয়েছেন। বেলা ১১টার পর থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও তার সমর্থকেরা ভোটকেন্দ্রে সিল মারা, জাল ভোট ও অ্যাজেন্টদের মারধর করার অভিযোগে এ নির্বাচন বয়কট করা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ নির্বাচনী আসনে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়ম ও ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী কাজী মামুনুর রশীদ। গতকাল দুপুরে তিনি নবীনগরে সাংবাদিকদের জানান, এ নির্বাচন প্রহসনের নির্বাচন। এতে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপি হয়েছে বলে আমি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিচ্ছি। লাকসাম সংবাদদাতা জানান, কুমিল্লার লাকসাম-মনোহরগঞ্জ আসনে নির্বাচনী সহিংসতা ভোট গ্রহণে অনিয়ম ও প্রার্থীর অ্যাজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগে জাতীয় পার্টির প্রার্থী প্রফেসর ড. গোলাম মোস্তফা গতকাল বেলা ১টায় লাকসাম-মনোহরগঞ্জ ভারপ্রাপ্ত নির্বাচনী কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভোট গ্রহণ স্থগিতে আবেদন করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *