সোমবার ৬, ডিসেম্বর ২০২১
EN

কুষ্টিয়া ও মুন্সিগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর হামলা, গ্রেফতারে দাবি এফইউজের

কুষ্টিয়া ও মুন্সিগঞ্জে ৩ সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)’র সভাপতি এম আবদুল্লাহ ও মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন।

কুষ্টিয়া ও মুন্সিগঞ্জে ৩ সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)’র সভাপতি এম আবদুল্লাহ ও মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর ক্রমবর্ধমান হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের আস্কারা, নির্লিপ্ততা ও বিচারহীনতায় একের পর এক সাংবাদিক হত্যা নির্যাতনের ঘটনা ঘটে চলেছে। অবিলম্বে সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারিদের গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান নেতৃদ্বয়।

বিবৃতিতে বিএফইউজে নেতৃবৃন্দ বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া শহরের একটি পরিবহন কাউন্টারে হামলা ও ভাংচুর চালানোর সময় ভিডিও চিত্র ধারনকালে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা দীপ্ত টিভির জেলা প্রতিনিধি দেবেশ ও তার সহযোগী ক্যামরাপার্সন হারুনের ওপর হামলা চালায়। হামলায় দুই সাংবাদিক মারাত্মকভাবে আহত হন এবং তাদের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ব্যাপারে সাদ আহম্মদসহ হামলাকারিদের আসামী করে মামলা করা হলেও এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়নি। একই দিন সন্ত্রাসীরা কুষ্টিয়ার স্থানীয় পত্রিকা ‘দেনিক হাওয়া’ ও মাইটিভির জেলা প্রতিনিধির কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। তাদের বিরুদ্ধেও কোন আইনী ব্যবস্থা চোখে পড়েনি।

এর আগের দিন (৪ ডিসেম্বর) শুক্রবার মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় জুমার নামাজ চলাকালে মসজিদে ঢুকে হামলা চালানো হয় বিজয় টিভির জেলা প্রতিনিধি ও আমাদের সময় পত্রিকার গজারিয়া উপজেলা প্রতিনিধি এবং গজারিয়া প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি আমিরুল ইসলাম নয়নের ওপর। নামাজে সেজদারত অবস্থায় এ বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটে শত শত লোকের সামনে। সাংবাদিকের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাকে বেদম প্রহার করা হয় স্থানীয় চেয়ারম্যানের ভাগিনার নেতৃত্বে। ইউপি চেয়ারম্যান শহীদুজ্জমানের অনুসারীদের বিরুদ্ধে রিপোর্ট করায় এ হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়।

নেতৃদ্বয় বলেন, ক্ষমতার ছত্রছায়ায় থেকে সন্ত্রাসীরা সাংবাদিকদের ওপর অব্যাহত নিপীড়ন চালাচ্ছে। কোন সংবাদ মনপুত না হলেই ঝাপিয়ে পড়ছে সংবাদকর্মীর ওপর। অথবা ডিজিটাল কালো আইনে মামলা ঠুকে গ্রেফতার ও হয়রানি করা হচ্ছে।

এতে স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পথ প্রায় রুদ্ধ হয়ে গেছে। সকল সাংবাদিক হত্যা নির্যাতনের বিচারের না হলে দেশে সাংবাদিকতা বলে আর কিছু অবশিষ্ট থাকবে না। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

এএস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *