রবিবার ২, অক্টোবর ২০২২
EN

খালেদার বিরুদ্ধে করা মানহানি মামলা খারিজ

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক এবং প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা দিয়ে বিশ্বের কাছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হেয় প্রতিপন্ন করায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মানহানি মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক এবং প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা দিয়ে বিশ্বের কাছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হেয় প্রতিপন্ন করায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মানহানি মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। সোমবার বিকেলে এক আদেশে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামসুল আরেফিন বলেন, ‘মামলায় যথাযথ উপাদান না থাকার কারণে তা আদালত খারিজ করে দিচ্ছে।’ এর আগে সোমবার সকালে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামসুল আরেফিনের আদালতে জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকীর পক্ষে তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট রওশন আরা শিকদার ডেইজি মামলাটি দায়ের করেন। পরে মামলার শুনানিতে বাদীপক্ষের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। জবানবন্দিতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বাদী তিনটি অভিযোগ করেন। এগুলো হলো- জিয়াকে প্রথম রাষ্ট্রপতি বলা, গোপালগঞ্জের নাম বদলানোর হুমকি এবং মিথ্যা জন্মদিন পালন। এদিকে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের পর বিএনপিপন্থি আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাসুদ আহাম্মেদ তালুকদার দাঁড়িয়ে এর বিরোধিতা করে বক্তব্য দেন। তিনি বিচারককে বলেন, ‘আমি কোনো পক্ষেরই নই, কেবল একজন কোর্ট অফিসার হিসেবে আমি এই বক্তব্য দিচ্ছি।’ এরপর ওই আইনজীবী জানান, শুধু মামলা করার কারণেই এই বাদীকে তিনি চেনেন। বাদীর কোনো পরিচয় জানেন না। তিনি বলেন, ‘খালেদার বক্তব্যে যদি কোনো অপরাধ হয়ে থাকে তবে রাষ্ট্রের সরকার বধির নয়। চাইলে সরকারই ব্যবস্থা নিতে পারে।’ তিনি বাদীর মামলাকে সোলেমানের কবিতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘জন্মের আগেই এসব মামলার মৃত্য হয়ে যায়।’ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, গত ২৭ মার্চ ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত ‘মুক্তিযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ অহংকার স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান বীরউত্তম’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি সেখানে জিয়াউর রহমানকে দেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুকে হেয় করেছেন। এছাড়া গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর তিনি গোপালগঞ্জের নাম বদলে ফেলার হুমকি দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে অপমান করেছেন। মামলায় খালেদা জিয়া দিনাজপুর গার্লস হাইস্কুল থেকে মেট্রিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন ও পরীক্ষায় তার রোল নং ছিল- এ-৯৭২ এবং তার জন্ম তারিখ ৫/৯/১৯৪৬ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১৭/৫০০/৫০৬ ধারায় এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে।  মামলায় বাদীসহ মোট তিনজন সাক্ষীও রয়েছেন। [b]ঢাকা, ৩১ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *