শনিবার ২৯, জানুয়ারী ২০২২
EN

খুলনাকে হারিয়ে প্লে-অফে মুশফিকের ঢাকা

প্লে-অফ নিশ্চিত করার ম্যাচে নিজেদের প্রমাণ করেছে বেক্সিমকো ঢাকা। আসরের শুরুতে টানা হেরে ঢাকার শিবিরে শঙ্কা জেগেছিল ছিটকে পড়ার। তব ৭ ম্যাচে চার জয়, ৮ পয়েন্ট নিয়ে সেই শঙ্কা দূর করেছে মুশফিকুর রহিমরা।

প্লে-অফ নিশ্চিত করার ম্যাচে নিজেদের প্রমাণ করেছে বেক্সিমকো ঢাকা। আসরের শুরুতে টানা হেরে ঢাকার শিবিরে শঙ্কা জেগেছিল ছিটকে পড়ার। তব ৭ ম্যাচে চার জয়, ৮ পয়েন্ট নিয়ে সেই শঙ্কা দূর করেছে মুশফিকুর রহিমরা।

বৃহস্পতিবার জেমকন খুলনার বিপক্ষে টসে হেরে আগে ব্যাটিং করে ঢাকা। ব্যাটিংয়ের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। নাঈম শেখ আর সাব্বির রহমানের ব্যাটে উড়ন্ত সূচনা পায় দলটি।

সাকিব আল হাসানের করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে চারটি ছয় আর দুই রানে মোট ২৬ রান নেন নাঈম শেখ। ভালো শুরু পর ফিরতে হয়ে ৩৬ রান করে শহিদুল ইসলামের বলে ক্যাচ দিয়ে।

এদিন সাব্বির রহমান ব্যাট হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন একপাশ আগলে রেখে ৫৬ (৩৮)। দুই নম্বরে ব্যাট করতে নামা আল আমীন ২৫ বলে করেন ৩৬ রান।

তবে অধিনায়ক মুশফিকুর রহমান ব্যর্থ হয়েছেন, মাত্র ৩ রান করে ক্যাচ দেন মাশরাফী বিন মোর্তজার বলে। এছাড়া আকবর আলীর ১৪ বলে ৩১ রানে ভর করে ৭ উইকেটে ১৭৯ রান তুলে ঢাকা।

খুলনার হয়ে ২ উইকেট নেন শহিদুল ইসলাম, ১টি করে উইকেট নেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, নাজমুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার জহুরুল ইসলাম অমি ছাড়া ব্যর্থ হয়েছেন বাকিরা। আরেক ওপেনার জাকির হাসানকে ১ রানে ফেরান রবিউল ইসলাম।

মুলত রবিউল ইসলামের তোপেই ভেঙ্গে পড়ে খুলনার ব্যাটিং লাইন-আপ। সাকিব আল হাসানও কাটা পড়েন রবির ঘূর্ণিতে। আজ করেন মাত্র ৮ (৭) রান।

মাহমুদউল্লাহ দলের হাল ধরার চেষ্টা করলেও সফল হতে দেননি মুক্তার আলী। ২৬ বলে ২৩ রান করে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাজঘরে।

ওপেনিং করা জহুরুল ইসলামের ৩৬ বলে ৫৩ রান করে বিদায়ের পর শামিম হোসেনের ৯ বলে ২৪ রান, হাসান মাহমুদের ১৫ রান শুধু হারের ব্যবধান কমিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভার তিন বলে সব উইকেট হারায় ১৫৯ রানে। ২০ রানের জয়ে প্লে-অফে খেলা নিশ্চিত করেছে ঢাকা।

ঢাকার হয়ে ২৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন রবি, ২টি করে নেন রুবেল হোসেন ও মুক্তার আলী। ১টি উইকেট নেন নাসুম আহমেদ।

এমআর

প্লে-অফ নিশ্চিত করার ম্যাচে নিজেদের প্রমাণ করেছে বেক্সিমকো ঢাকা। আসরের শুরুতে টানা হেরে ঢাকার শিবিরে শঙ্কা জেগেছিল ছিটকে পড়ার। তব ৭ ম্যাচে চার জয়, ৮ পয়েন্ট নিয়ে সেই শঙ্কা দূর করেছে মুশফিকুর রহিমরা।

 

বৃহস্পতিবার জেমকন খুলনার বিপক্ষে টসে হেরে আগে ব্যাটিং করে ঢাকা। ব্যাটিংয়ের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। নাঈম শেখ আর সাব্বির রহমানের ব্যাটে উড়ন্ত সূচনা পায় দলটি।

 

সাকিব আল হাসানের করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে চারটি ছয় আর দুই রানে মোট ২৬ রান নেন নাঈম শেখ। ভালো শুরু পর ফিরতে হয়ে ৩৬ রান করে শহিদুল ইসলামের বলে ক্যাচ দিয়ে।

 

এদিন সাব্বির রহমান ব্যাট হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন একপাশ আগলে রেখে ৫৬ (৩৮)। দুই নম্বরে ব্যাট করতে নামা আল আমীন ২৫ বলে করেন ৩৬ রান।

 

তবে অধিনায়ক মুশফিকুর রহমান ব্যর্থ হয়েছেন, মাত্র ৩ রান করে ক্যাচ দেন মাশরাফী বিন মোর্তজার বলে। এছাড়া আকবর আলীর ১৪ বলে ৩১ রানে ভর করে ৭ উইকেটে ১৭৯ রান তুলে ঢাকা।

 

খুলনার হয়ে ২ উইকেট নেন শহিদুল ইসলাম, ১টি করে উইকেট নেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, নাজমুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ।

 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার জহুরুল ইসলাম অমি ছাড়া ব্যর্থ হয়েছেন বাকিরা। আরেক ওপেনার জাকির হাসানকে ১ রানে ফেরান রবিউল ইসলাম।

 

মুলত রবিউল ইসলামের তোপেই ভেঙ্গে পড়ে খুলনার ব্যাটিং লাইন-আপ। সাকিব আল হাসানও কাটা পড়েন রবির ঘূর্ণিতে। আজ করেন মাত্র ৮ (৭) রান।

 

মাহমুদউল্লাহ দলের হাল ধরার চেষ্টা করলেও সফল হতে দেননি মুক্তার আলী। ২৬ বলে ২৩ রান করে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাজঘরে।

 

ওপেনিং করা জহুরুল ইসলামের ৩৬ বলে ৫৩ রান করে বিদায়ের পর শামিম হোসেনের ৯ বলে ২৪ রান, হাসান মাহমুদের ১৫ রান শুধু হারের ব্যবধান কমিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভার তিন বলে সব উইকেট হারায় ১৫৯ রানে। ২০ রানের জয়ে প্লে-অফে খেলা নিশ্চিত করেছে ঢাকা।

 

ঢাকার হয়ে ২৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন রবি, ২টি করে নেন রুবেল হোসেন ও মুক্তার আলী। ১টি উইকেট নেন নাসুম আহমেদ।
প্লে-অফ নিশ্চিত করার ম্যাচে নিজেদের প্রমাণ করেছে বেক্সিমকো ঢাকা। আসরের শুরুতে টানা হেরে ঢাকার শিবিরে শঙ্কা জেগেছিল ছিটকে পড়ার। তব ৭ ম্যাচে চার জয়, ৮ পয়েন্ট নিয়ে সেই শঙ্কা দূর করেছে মুশফিকুর রহিমরা।

 

বৃহস্পতিবার জেমকন খুলনার বিপক্ষে টসে হেরে আগে ব্যাটিং করে ঢাকা। ব্যাটিংয়ের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। নাঈম শেখ আর সাব্বির রহমানের ব্যাটে উড়ন্ত সূচনা পায় দলটি।

 

সাকিব আল হাসানের করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে চারটি ছয় আর দুই রানে মোট ২৬ রান নেন নাঈম শেখ। ভালো শুরু পর ফিরতে হয়ে ৩৬ রান করে শহিদুল ইসলামের বলে ক্যাচ দিয়ে।

 

এদিন সাব্বির রহমান ব্যাট হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন একপাশ আগলে রেখে ৫৬ (৩৮)। দুই নম্বরে ব্যাট করতে নামা আল আমীন ২৫ বলে করেন ৩৬ রান।

 

তবে অধিনায়ক মুশফিকুর রহমান ব্যর্থ হয়েছেন, মাত্র ৩ রান করে ক্যাচ দেন মাশরাফী বিন মোর্তজার বলে। এছাড়া আকবর আলীর ১৪ বলে ৩১ রানে ভর করে ৭ উইকেটে ১৭৯ রান তুলে ঢাকা।

 

খুলনার হয়ে ২ উইকেট নেন শহিদুল ইসলাম, ১টি করে উইকেট নেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, নাজমুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ।

 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার জহুরুল ইসলাম অমি ছাড়া ব্যর্থ হয়েছেন বাকিরা। আরেক ওপেনার জাকির হাসানকে ১ রানে ফেরান রবিউল ইসলাম।

 

মুলত রবিউল ইসলামের তোপেই ভেঙ্গে পড়ে খুলনার ব্যাটিং লাইন-আপ। সাকিব আল হাসানও কাটা পড়েন রবির ঘূর্ণিতে। আজ করেন মাত্র ৮ (৭) রান।

 

মাহমুদউল্লাহ দলের হাল ধরার চেষ্টা করলেও সফল হতে দেননি মুক্তার আলী। ২৬ বলে ২৩ রান করে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাজঘরে।

 

ওপেনিং করা জহুরুল ইসলামের ৩৬ বলে ৫৩ রান করে বিদায়ের পর শামিম হোসেনের ৯ বলে ২৪ রান, হাসান মাহমুদের ১৫ রান শুধু হারের ব্যবধান কমিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভার তিন বলে সব উইকেট হারায় ১৫৯ রানে। ২০ রানের জয়ে প্লে-অফে খেলা নিশ্চিত করেছে ঢাকা।

 

ঢাকার হয়ে ২৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন রবি, ২টি করে নেন রুবেল হোসেন ও মুক্তার আলী। ১টি উইকেট নেন নাসুম আহমেদ।
প্লে-অফ নিশ্চিত করার ম্যাচে নিজেদের প্রমাণ করেছে বেক্সিমকো ঢাকা। আসরের শুরুতে টানা হেরে ঢাকার শিবিরে শঙ্কা জেগেছিল ছিটকে পড়ার। তব ৭ ম্যাচে চার জয়, ৮ পয়েন্ট নিয়ে সেই শঙ্কা দূর করেছে মুশফিকুর রহিমরা।

 

বৃহস্পতিবার জেমকন খুলনার বিপক্ষে টসে হেরে আগে ব্যাটিং করে ঢাকা। ব্যাটিংয়ের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। নাঈম শেখ আর সাব্বির রহমানের ব্যাটে উড়ন্ত সূচনা পায় দলটি।

 

সাকিব আল হাসানের করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে চারটি ছয় আর দুই রানে মোট ২৬ রান নেন নাঈম শেখ। ভালো শুরু পর ফিরতে হয়ে ৩৬ রান করে শহিদুল ইসলামের বলে ক্যাচ দিয়ে।

 

এদিন সাব্বির রহমান ব্যাট হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন একপাশ আগলে রেখে ৫৬ (৩৮)। দুই নম্বরে ব্যাট করতে নামা আল আমীন ২৫ বলে করেন ৩৬ রান।

 

তবে অধিনায়ক মুশফিকুর রহমান ব্যর্থ হয়েছেন, মাত্র ৩ রান করে ক্যাচ দেন মাশরাফী বিন মোর্তজার বলে। এছাড়া আকবর আলীর ১৪ বলে ৩১ রানে ভর করে ৭ উইকেটে ১৭৯ রান তুলে ঢাকা।

 

খুলনার হয়ে ২ উইকেট নেন শহিদুল ইসলাম, ১টি করে উইকেট নেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, নাজমুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ।

 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার জহুরুল ইসলাম অমি ছাড়া ব্যর্থ হয়েছেন বাকিরা। আরেক ওপেনার জাকির হাসানকে ১ রানে ফেরান রবিউল ইসলাম।

 

মুলত রবিউল ইসলামের তোপেই ভেঙ্গে পড়ে খুলনার ব্যাটিং লাইন-আপ। সাকিব আল হাসানও কাটা পড়েন রবির ঘূর্ণিতে। আজ করেন মাত্র ৮ (৭) রান।

 

মাহমুদউল্লাহ দলের হাল ধরার চেষ্টা করলেও সফল হতে দেননি মুক্তার আলী। ২৬ বলে ২৩ রান করে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাজঘরে।

 

ওপেনিং করা জহুরুল ইসলামের ৩৬ বলে ৫৩ রান করে বিদায়ের পর শামিম হোসেনের ৯ বলে ২৪ রান, হাসান মাহমুদের ১৫ রান শুধু হারের ব্যবধান কমিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভার তিন বলে সব উইকেট হারায় ১৫৯ রানে। ২০ রানের জয়ে প্লে-অফে খেলা নিশ্চিত করেছে ঢাকা।

 

ঢাকার হয়ে ২৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন রবি, ২টি করে নেন রুবেল হোসেন ও মুক্তার আলী। ১টি উইকেট নেন নাসুম আহমেদ।
প্লে-অফ নিশ্চিত করার ম্যাচে নিজেদের প্রমাণ করেছে বেক্সিমকো ঢাকা। আসরের শুরুতে টানা হেরে ঢাকার শিবিরে শঙ্কা জেগেছিল ছিটকে পড়ার। তব ৭ ম্যাচে চার জয়, ৮ পয়েন্ট নিয়ে সেই শঙ্কা দূর করেছে মুশফিকুর রহিমরা।

 

বৃহস্পতিবার জেমকন খুলনার বিপক্ষে টসে হেরে আগে ব্যাটিং করে ঢাকা। ব্যাটিংয়ের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। নাঈম শেখ আর সাব্বির রহমানের ব্যাটে উড়ন্ত সূচনা পায় দলটি।

 

সাকিব আল হাসানের করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে চারটি ছয় আর দুই রানে মোট ২৬ রান নেন নাঈম শেখ। ভালো শুরু পর ফিরতে হয়ে ৩৬ রান করে শহিদুল ইসলামের বলে ক্যাচ দিয়ে।

 

এদিন সাব্বির রহমান ব্যাট হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন একপাশ আগলে রেখে ৫৬ (৩৮)। দুই নম্বরে ব্যাট করতে নামা আল আমীন ২৫ বলে করেন ৩৬ রান।

 

তবে অধিনায়ক মুশফিকুর রহমান ব্যর্থ হয়েছেন, মাত্র ৩ রান করে ক্যাচ দেন মাশরাফী বিন মোর্তজার বলে। এছাড়া আকবর আলীর ১৪ বলে ৩১ রানে ভর করে ৭ উইকেটে ১৭৯ রান তুলে ঢাকা।

 

খুলনার হয়ে ২ উইকেট নেন শহিদুল ইসলাম, ১টি করে উইকেট নেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, নাজমুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদ।

 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওপেনার জহুরুল ইসলাম অমি ছাড়া ব্যর্থ হয়েছেন বাকিরা। আরেক ওপেনার জাকির হাসানকে ১ রানে ফেরান রবিউল ইসলাম।

 

মুলত রবিউল ইসলামের তোপেই ভেঙ্গে পড়ে খুলনার ব্যাটিং লাইন-আপ। সাকিব আল হাসানও কাটা পড়েন রবির ঘূর্ণিতে। আজ করেন মাত্র ৮ (৭) রান।

 

মাহমুদউল্লাহ দলের হাল ধরার চেষ্টা করলেও সফল হতে দেননি মুক্তার আলী। ২৬ বলে ২৩ রান করে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাজঘরে।

 

ওপেনিং করা জহুরুল ইসলামের ৩৬ বলে ৫৩ রান করে বিদায়ের পর শামিম হোসেনের ৯ বলে ২৪ রান, হাসান মাহমুদের ১৫ রান শুধু হারের ব্যবধান কমিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভার তিন বলে সব উইকেট হারায় ১৫৯ রানে। ২০ রানের জয়ে প্লে-অফে খেলা নিশ্চিত করেছে ঢাকা।

 

ঢাকার হয়ে ২৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন রবি, ২টি করে নেন রুবেল হোসেন ও মুক্তার আলী। ১টি উইকেট নেন নাসুম আহমেদ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *