রবিবার ৩, জুলাই ২০২২
EN

গাজা সীমান্তে আরো ১০ টানেল গুঁড়িয়ে দিয়েছে মিশর

কঠোর ইসরাইলি অবরোধের শিকার গাজা উপত্যকার সঙ্গে মিশর সীমান্তবর্তী ভূগর্ভস্থ ১০টি টানেল ধ্বংস করে দিয়েছে মিশরের সেনাবাহিনী। গাজাবাসী ফিলিস্তিনিরা কোনোমতো প্রাণ বাঁচিয়ে রাখতে খাদ্য ও ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জরুরি সামগ্রী আনার কাজে এসব

কঠোর ইসরাইলি অবরোধের শিকার গাজা উপত্যকার সঙ্গে মিশর সীমান্তবর্তী ভূগর্ভস্থ ১০টি টানেল ধ্বংস করে দিয়েছে মিশরের সেনাবাহিনী। গাজাবাসী ফিলিস্তিনিরা কোনোমতো প্রাণ বাঁচিয়ে রাখতে খাদ্য ও ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জরুরি সামগ্রী আনার কাজে এসব টানেল ব্যবহার করতো। ২০০৬ সালের জুন মাসে ইসরাইল গাজা উপত্যকার ওপর অবরোধ আরোপ করলে বহির্বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সেখানকার ফিলিস্তিনিদের একমাত্র আশার আলো হয়ে ওঠে মিশর সীমান্ত। কিন্তু এ মুসলিম দেশটির সেক্যুলার ও পাশ্চাত্যপন্থী তৎকালীন মুবারক সরকারও তার সীমান্ত বন্ধ করে দেয়। ২০১১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মুবারক সরকারের পতনের পর মিশর সীমান্তের অবরোধ শিথিল করা হয়েছিল। কিন্তু গত বছরের জুলাই মাসে সেনা সমর্থিত অন্তর্বর্তী সেক্যুলার সরকার ক্ষমতায় আসার পর আবার গাজা উপত্যকার ওপর অবরোধ কঠোর করা হয়। এ অবস্থায় সীমান্ত এলাকায় ভূগর্ভস্থ টানেল নির্মাণ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস আনতো ফিলিস্তিনিরা। কিন্তু ইসরাইলের নির্দেশে গাজাবাসীর বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ওই টানেলগুলিও ধ্বংস করে দিচ্ছেন সেনা অভ্যুত্থানের নায়ক ফিল্ড মার্শাল আব্দেল ফাত্তাহ আল-সিসি। মিশরের সেনা সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকার এ নিয়ে গাজা সীমান্তের কয়েকশ’ টানেল ধ্বংস করে দিলো। শনিবার গাজা সীমান্তবর্তী মিশরীয় শহর রাফায় সেনা অভিযান চালায় দেশটির সেনাবাহিনী। তারা এসব টানেলের মাধ্যমে গাজায় পণ্য পাঠানোর ব্যাপারে শহরটি অধিবাসীদের সতর্ক করে দেয়। গাজা উপত্যকার প্রায় ১৭ লাখ অধিবাসী বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় উন্মুক্ত কারাগারে বসবাস করছেন। এ উপত্যকার আকাশ, স্থল ও পানিসীমা সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে ইহুদিবাদী ইসরাইল। ২০০৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস সরকার গঠনের পর গাজার ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করে তেলআবিব। মানবাধিকারের রক্ষক পশ্চিমা দেশগুলো এ মানবতাবিরোধী পদক্ষেপের ব্যাপারে চোখ ও মুখ বন্ধ করে রয়েছে। সূত্র : আইআরআইবি [b]ঢাকা, ১৬ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডিডটকম) // টিআই[/b]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *