রবিবার ৩, জুলাই ২০২২
EN

গার্মেন্টস খাতের উন্নয়নে ‘টেকনোলজি ফান্ড’ গঠনের দাবি

দেশের গার্মেন্টস খাতের উন্নয়নে ‘টেকনোলজি আপগ্রেডেশন ফান্ড’ করার দাবি করেছে গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, এ খাতের উন্নয়নে নতুন নতুন প্রযুক্তি যেমন দরকার, তেমনি নতুন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সরকারেরও সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া জরুরি।

দেশের গার্মেন্টস খাতের উন্নয়নে ‘টেকনোলজি আপগ্রেডেশন ফান্ড’ করার দাবি করেছে গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা। তাদের মতে, এ খাতের উন্নয়নে নতুন নতুন প্রযুক্তি যেমন দরকার, তেমনি নতুন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে সরকারেরও সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া জরুরি। রাজধানীর রূপসী বাংলা হোটেলে বৃহস্পতিবার সেন্ট্রার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) এক সেমিনারে এসব কথা বলেন উদ্যোক্তারা। সেমিনারে বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্বের ক্রেতা জোটগুলো এরই মধ্য বাংলাদেশে গার্মন্টসের অবকাঠামোগত দিকগুলো পরিদর্শন করছে। তারা বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতে বারবার গ্রিন টেকনোলজি ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে আসছে, যদিও এসব পণ্য ব্যবহার ব্যয়বহুল । এসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক হার কমানোরও দাবি করেন তিনি। তাই সরকারকে আগামী বাজেটে এ বিষয় নিয়ে আলোচনার ওপর জোর দেন তিনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাত প্রতিনিয়ত একটা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তবে সেটা কাটিয়ে উঠতে চেষ্টা করা হচ্ছে। এরই ফল হিসেবে বাংলাদেশে নিম্নতম মজুরি কাঠামো করা হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর হিসেব দেখিয়ে তিনি বলেন,আমরাও অন্যান্য দেশের মান অনুযায়ী এ মজুরি কাঠামো করেছি। তিনি বলেন, সারা বিশ্ব গার্মেন্টসের উন্নয়নের ওপর জোর দিচ্ছে। তাই বাংলাদেশও বর্তমানে সেইদিকে এগিয়ে যাচ্ছে। একইভাবে পণ্যের মান উন্নয়নে আরো গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে তাল মিলিয়ে। এ বিষয়ে বিজিএমইর সাবেক সভাপতি আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, বর্তমানে গার্মেন্টসের অবকাঠামোগত আধুনিকায়নের ওপর জোর দেয়া হচ্ছে। তবে বর্তমানে ক্রেতা জোটগুলো আধুনিকায়নের নামে বাংলাদেশকে যেসব শর্ত  দিয়েছে তা বাংলাদশের প্রেক্ষাপটে সম্ভব নয়। তাদের এসব শর্ত পরিপালন করতে গেলে এ খাত ধ্বংসের মুখে পড়বে। তার মতে, সার্বিকভাবে এ খাতের উন্নয়নের পূর্ব শর্ত হলো দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি বন্দরের আধুনিকায়ন, হাইওয়ে ও এর ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন। সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সারা বিশ্ব এখন নতুন টেকনোলজির ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশকেও সময়ের সঙ্গে এ বিষয়ে ভাবতে হবে। নতুন টেকনোলজি মানে নতুন নতুন পণ্যের উৎপাদন। তবে উৎপাদন ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে সামাজিক উন্নয়ন সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সেমিনারে আরও উপিস্থত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলাম, সিপিডির বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, বিজিএমইর সাবেক সভাপতি আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজসহ দেশী বিদেশী বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। [b]ঢাকা, ২০ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *