মঙ্গলবার ২৫, জানুয়ারী ২০২২
EN

চৌমুহনীতে হামলার আশঙ্কা প্রশাসনকে আগেই জানানো হয় : ইসকন

কুমিল্লার ঘটনার পর হামলার আশঙ্কা করে প্রশাসনকে জানানো হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো রকম সহযোগিতা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনশাসনেসেন (ইসকন) নোয়াখালী চৌমুহনী

কুমিল্লার ঘটনার পর হামলার আশঙ্কা করে প্রশাসনকে জানানো হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো রকম সহযোগিতা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনশাসনেসেন (ইসকন) নোয়াখালী চৌমুহনী আশ্রমের সহ-সভাপতি হরি প্রেম প্রাসাদ দাস।

রোববার গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী নোয়াখালীর চৌমুহনীতে ইসকনের আশ্রম পরিদর্শনে গেলে হরি প্রেম প্রাসাদ দাস এ অভিযোগ করেন।

হরি প্রেম প্রাসাদ দাস বলেন, বিকেল ৩টার থেকে হামলা শুরু হয়। থেমে থেমে প্রায় চার ঘণ্টা হামলা হয়েছে। আমাদের আশ্রমের মোটরসাইকেল থেকে খাবার পর্যন্ত তারা পুড়িয়ে দেয়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আশ্রমের সেবকদের ওপর হামলা করে। আমাদের লোক মারা যায়। আর যারা আহত তাদের অনেকের ১০-১২টি সেলাই লেগেছে।

কুমিল্লার ঘটনার পর প্রশাসনের কাছে কোনো নিরাপত্তা চেয়েছেন কি না; জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই প্রশাসনকে জানিয়েছি। আমরা আশঙ্কা করেছিলাম এরকম ঘটনা ঘটতে পারে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগে থেকে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

ইসকনের ভক্ত রাজন ভৌমিক বলেন, রাজনৈতিক কারণেই এই হামলা হয়েছে। বিরোধী দলকে ঘায়েল করতেও এ ঘটনা ঘটানো হয়ে থাকতে পারে। আমাদের বারবার ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা শুধু ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। আমাদের সংখ্যালঘুদের নিয়ে বারবার রাজনীতি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রশাসনের একটা গাড়ি থাকলেও এ ঘটনা ঘটতো না। এই পুলিশ বাহিনীকে রাখা হয়েছে রোহিঙ্গাদের আর পরীমণিদের মতো খারাপ নারীদের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য। আমাদের হিন্দুদের কোনো নিরাপত্তা নেই।

রাম ঠাকুর আশ্রম কমিটির সদস্য রঞ্জিত সাহা রনো বলেন, প্রশাসন থেকে আমাদেরকে একটু আগে-বাগে প্রতিমা বিসর্জন দিতে বলা হয়েছিল। তাই আমাদের ধারণা প্রশাসন আগে থেকেই জানতো এরকম কিছু হতে পারে।

তিনি বলেন, ৭১-এর বর্বরতাকেও শুক্রবারের হামলা হার মানিয়েছে। আমরা লজ্জিত, এই রকম হামলা হবে এর জন্য আমরা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করিনি।

এবিএস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *