শুক্রবার ৩, ডিসেম্বর ২০২১
EN

ঢাকায় ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে টিকাদান শুরু আজ

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সব ওয়ার্ডে আজ মঙ্গলবার থেকে তিন দিন করোনাভাইরাসের টিকা দেয়া হবে। সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলবে এ টিকাদান কর্মসূচি।

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সব ওয়ার্ডে আজ মঙ্গলবার থেকে তিন দিন করোনাভাইরাসের টিকা দেয়া হবে। সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলবে এ টিকাদান কর্মসূচি।

সোমবার রাতে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির প্রধান অধ্যাপক ডা. শামসুল হক।

তিনি জানান, গত ১৬ থেকে ১৯ নভেম্বর ঢাকার কড়াইল বস্তি এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম চালানো হয়েছিল। তখনই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিম্ন আয়ের এলাকাগুলোয় টিকা দেয়া হবে।

শামসুল হক বলেন, সে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা সব ধরনের পরিকল্পনা নিয়েছি। মঙ্গলবার থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের সব ওয়ার্ডের যেখানে নিম্ন আয়ের মানুষ বাস করে, সেখানে ওয়ার্ডভিত্তিক একটি করে কেন্দ্র স্থাপন করে জনগণকে টিকা দেয়া হবে।

তিনি বলেন, যদি কারো জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকে, তাহলে তিনি কাউন্সিলরের কাছ থেকে নেয়া সার্টিফিকেট অথবা জন্মনিবন্ধন ব্যবহার করতে পারবেন। এটার পরেও আরেকটা সুবিধা রয়েছে, সেটা হলো কার্ড দিয়ে আমরা টিকা দিয়ে দিব। পরবর্তীতে তিনি রেজিস্ট্রেশন করে তার সার্টিফিকেট তুলে নিতে পারবেন।

বিশেষ এই কর্মসূচিতে যাদের নিবন্ধন করা আছে, তাদের পাশাপাশি নিবন্ধন করেননি এমন ব্যক্তিরাও টিকা নিতে পারবে।

তাদের জন্য টিকাদান কেন্দ্রেই নিবন্ধনের ব্যবস্থা থাকছে, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সুপারিশপত্র দিয়েও টিকা নেয়া যাবে।

ওয়ার্ডভিত্তিক এই টিকাদান কর্মসূচিতে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেয়া হবে। প্রথম ডোজ নেয়ার দুই মাস পর একই কেন্দ্র থেকে নেয়া যাবে দ্বিতীয় ডোজ।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৭৫ এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৫৪টি ওয়ার্ড রয়েছে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশে টিকাদান শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, সোমবার পর্যন্ত সারা দেশে পাঁচ কোটি ৫২ লাখ ৯৯ হাজারের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছে। এরইমধ্যে দুই ডোজ টিকা নিয়েছে তিন কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষ। এছাড়া এ পর্যন্ত টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন ছয় কোটি ৮৮ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ।

এমআর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *