মঙ্গলবার ২৫, জানুয়ারী ২০২২
EN

নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললে বেঈমানি হবে : সেলিম ওসমান

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বিকেএম ইএর সভাপতি সেলিম ওসমান বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে মুখ খুলতে পারবো না।

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বিকেএম ইএর সভাপতি সেলিম ওসমান বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে মুখ খুলতে পারবো না। নির্বাচন নিয়ে মুখ খুলতে গেলে বেঈমানি হবে। এই নির্বাচনে জাতীয় পার্টি কোনো প্রার্থী দেয় নাই। যেহেতু প্রার্থী দেয়া হয়নি তাহলে কথা বলার প্রয়োজন নেই। আমরা জাতীয় পার্টি, আমার ভোট আমি দিব যাকে খুশি তাকে দিব।

রোববার রাতে নারায়ণগঞ্জ সদর বন্দর এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মেম্বারদের নিয়ে ভবিষ্যতের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সেলিম ওসমানের মালিকানাধীন ফতুল্লা এলাকার উইজডম কার্যালয়ে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

সেলিম ওসমান বলেন, নির্বাচনে আসলে খেলা হয়েই থাকে। সেই খেলা এখন শেষ হয়ে গেছে। পাঁচ বছর পর আবার খেলা হবে। এই খেলার জন্য বসে থাকলে চলবে না। এই পাঁচ বছর সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। সম্মিলিতভাবে উন্নয়ন করতে হবে। ক্ষমতা নিয়ে বসে থাকলে হবে না। চেয়ারম্যান এবং মেম্বররা পরস্পর যোগাযোগ করে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, অতীতের কথা মনে রাখলে চলবে না। নির্বাচনের কোনো ঘটনা নিয়ে মামলা থাকবে না। এখন দ্বন্দ্ব অবসানের সময় এসেছে। আমরা নিজেরাই নিজেদের সমালোচনা করবো। বাইরে গিয়ে কোনো কথা বলবো না। আমরা জনগণের প্রতিনিধি। সেই জনপ্রতিনিধি হিসেবেই কাজ করতে হবে।

চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনাদের এলাকার স্কুলগুলো ভালভাবে পরিচালনা করতে হবে। স্কুলগুলোতে উন্নতমানের কমিটি করতে হবে। স্কুলের শিক্ষার্থীদেরকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। পাঠ্যপুস্তকের পড়ালেখার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষতাসম্পন্ন করে তুলতে হবে। স্কুলের ছাদগুলোতে বিভিন্ন ফুল ফলের চাষ করা যেতে পারে। একটি ছাদবাগান দিয়ে একটি পরিবারের খরচ চালানো যায়।

নিজের শারিরীক অবস্থার বিবরণ দিয়ে এই এমপি বলেন, আমি অনেক অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী এটা শুনতে পেরে তিনি চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। আমার বেঁচে থাকার কথা ছিল না। অসহায় মানুষের দোয়া আমি বেঁচে আছি। আবার চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে হবে। জানি না কপালে কী আছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান এম এর রশিদ, ভাইস চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ সানু, বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খুদরত-এ-খুদা, বন্দর থানা ওসি দীপক কুমার সাহা, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান, বন্দর ইউপির চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন আহমেদ, মুছাপুর ইউপির চেয়ারম্যান মাকছুদ, মদনপুর ইউপির চেয়ারম্যান এম এ সালাম, ধামগড় ইউপির চেয়ারম্যান কামাল হোসেন, গোগনগর ইউপির চেয়ারম্যান ফজর আলী ও আলীরটেক ইউপির চেয়ারম্যান জাকির হোসেন।

এবিএস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *