মঙ্গলবার ১৬, অগাস্ট ২০২২
EN

পেঁয়াজের কারণে মূল্যস্ফীতি: পরিকল্পনামন্ত্রী

গত মাসের তুলনায় এই মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। নভেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এই মূল্যস্ফীতির প্রধান কারণ হিসেবে পেঁয়াজকেই দায়ী করেছেন মন্ত্রী।

গত মাসের তুলনায় এই মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। নভেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এই মূল্যস্ফীতির প্রধান কারণ হিসেবে পেঁয়াজকেই দায়ী করেছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘পেঁয়াজের দাম এবং সবজির দাম কমলে মূল্যস্ফীতি কমে যাবে। আমরা তাই করার চেষ্টা করছি।’

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এর বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, ‘এসময় খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৪১ শতাংশে, যা অক্টোবর মাসে ছিল ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ।’

ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ১২ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ১১ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৩১ শতাংশ। খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ১৩ শতাংশে।

পাশাপাশি গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৫৪ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৯৯ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

এসময় পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবতী এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক তাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এএইচ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *