রবিবার ৩, জুলাই ২০২২
EN

পায়ে হেটে মরুভূমি অতিক্রম করল ৪ বছরের শিশু

কয়েকদিন আগে তিনি দেখতে পেলেন একাকী একটি শিশু সীমান্তের 'হাগালাত ক্রসিং'-এর নিকটে এসেছে। কাছে গিয়ে জানতে পারলেন, ৪ বছর বয়সী শিশুটির নাম মারওয়ান। সীমান্তের কাছাকাছি পৌছার আগেই সে তার পিতা-মাতাকে হারিয়ে ফেলে। কিন্তু মানসিকভাবে ভেঙে পড়েনি। সে ছোট একটি প্লাসটিকের ব্যাগে নিজের জিনিসপত্র নিয়ে পায়ে হেটে সীমান্ত অতিক্রম করার সিদ্ধান্ত নেয়। এক পর্যায়ে সীমান্ত অতিক্রম করে।

এনড্রু হারপার জর্ডানে কর্মরত আছেন জাতিসংঘের ত্রাণকর্মী হিসেবে। আশ্রয়ের খোঁজে সিরিয়ার মরুভূমি অতিক্রম করে বেসামরিক মানুষ জর্ডানে প্রবেশ করছে- এমন দৃশ্যের সাথে তিনি বেশ পরিচিত। যাহোক, কয়েকদিন আগে তিনি দেখতে পেলেন একাকী একটি শিশু সীমান্তের 'হাগালাত ক্রসিং'-এর নিকটে এসেছে। কাছে গিয়ে জানতে পারলেন, ৪ বছর বয়সী শিশুটির নাম মারওয়ান। সীমান্তের কাছাকাছি পৌছার আগেই সে তার পিতা-মাতাকে হারিয়ে ফেলে। কিন্তু মানসিকভাবে ভেঙে পড়েনি। সে ছোট একটি প্লাসটিকের ব্যাগে নিজের জিনিসপত্র নিয়ে পায়ে হেটে সীমান্ত অতিক্রম করার সিদ্ধান্ত নেয়। এক পর্যায়ে সীমান্ত অতিক্রম করে। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে যেসব শিশুরা তাদের বাবা-মায়ের সাথে দেশত্যাগ করার সময় হারিয়ে গিয়েছিল, মারওয়ান ছিল তাদেরই একজন। তবে আশার কথা হলো, হারিয়ে যাওয়া শিশুরা স্বল্প সময়ের মধ্যে তাদের পরিবারের সাথে পুনর্মিলিত হতে পেরেছে। মারওয়ানের দেখা পাওয়ার পর এনড্রু হারপার একটি ছবি তোলেন এবং নিজের টুইটার একাউন্টে ছবিটি শেয়ার করেন। অনলাইনে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ছবিটি। এরপর স্বল্প সময়ের ব্যবধানে মা-বাবার সাথে মিলিত হয় মারওয়ান। সীমান্ত এলাকায় প্রতিদিন যে শোকাবহ ঘটনার সৃষ্টি হচ্ছে, সেটা তুলে ধরার জন্য মারওয়ানের ছবিটি টুইটারে শেয়ার করেছিলেন জাতিসংঘের ত্রাণকর্মী এনড্রু হারপার। সম্প্রতি সিরিয়ার অবরুদ্ধ হোমস শহর থেকে ১০০০ শরণার্থী বের হয়ে আসেন। ৪ বছর বয়সী মরাওয়ান ছিলেন তাদেরই একজন। উল্লেখ্য, কয়েক বছর ধরে সিরিয়ায় চলছে গৃহযুদ্ধ। এই যুদ্ধের কারণে দেশটির বেসামরিক লোকজন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে প্রতিবেশী দেশগুলোতে চলে যাচ্ছেন। এদের কেউ কেউ সিরিয়ার মরুভূমি অতিক্রম করে প্রবেশ করছেন জর্ডানে। সূত্র: ওয়ার্ল্ড বুলেটিন। [b]ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)// টিআই[/b]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *