রবিবার ৩, জুলাই ২০২২
EN

প্রাথমিক শিক্ষাবৃত্তি ২৫০ টাকা করার প্রস্তাব

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার বৃদ্ধি ও শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে বর্তমানে যে ১০০ টাকা মাসিক বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে তা বাড়িয়ে ২৫০ টাকায় উন্নীত করতে সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার বৃদ্ধি ও শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে বর্তমানে যে ১০০ টাকা মাসিক বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে তা বাড়িয়ে ২৫০ টাকায় উন্নীত করতে সুপারিশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এক সেমিনারে প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয় ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণিতে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ঝরে পড়ে যার অন্যতম প্রধান কারণ দারিদ্রতা। তাই এই দুটি গ্রেডে মাসিক বৃত্তির হার ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫০ টাকা করতে সুপারিশ করা হয়েছে। সেমিনারে প্রাথমিক শিক্ষায় বৃত্তি প্রদান কর্মসূচি, শিক্ষার ভৌগলিক প্রসার, বিদ্যালয়ে ভর্তির হার, উপস্থিতি এবং ছেলে-মেয়েদের মধ্যে সমতা নিয়ে আসলেও ঝরে পড়ার হার কমানো ও শ্রেনী কক্ষে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি দিতে আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া, মাসিক বৃত্তির পাশাপাশি শিশুদের ছাতা, শীতের পোশাক ও স্কুল ব্যাগ প্রদান করা এবং বিস্কুটের পরিবর্তে দুপুরে রান্না করা পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার পরিবেশনের কথাও বলা হয়। বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া শিশু, শহরাঞ্চলের দরিদ্র এলাকায় বসবাসরত শিশু, আদিবাসী শিশু ও শিক্ষার গুণগত মানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিশেষ বিবেচনায় আনতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি প্যাসকেল ভিলনোভ। ২০০২ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর মাসিক ১০০ টাকা বৃত্তি চালু করে যা প্রাথমিক শিক্ষা বৃত্তি প্রকল্প (পিইএসপি) নামে পরিচিত। এ প্রকল্পের আওতায় ৪৮ লাখ শিশু পরিবারকে প্রতি তিন মাস পর পর এক সন্তান বিশিষ্ট পরিবারকে ১০০ টাকা ও একাধিক সন্তান থাকলে ১২৫ টাকা মাসিক হারে দেওয়া হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শ্যামল কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে গবেষণা প্রতিবেদনের বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করেন পিপিআরসির চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। এসময় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিশু ঝরে পড়ার বিভিন্ন কারণ চিহ্নিত করে বক্তব্য রাখেন, ক্যাম্পের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আরেক উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধুরী। [b]ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *