সোমবার ২৭, জুন ২০২২
EN

পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান হত্যার তদন্ত করবে পিবিআই

সিলেটের কোতোয়ালি থানাধীন বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান উদ্দিন আহমদের (৩৩) মৃত্যুর ঘটনা তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সিলেটের কোতোয়ালি থানাধীন বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান উদ্দিন আহমদের (৩৩) মৃত্যুর ঘটনা তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপকমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “আজ সকালে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে রায়হান আহমদ হত্যা মামলাটি পিবিআইতে স্থানান্তরের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

রায়হান উদ্দিন আহমদ নগরীর আখালিয়া এলাকার নেহারিপাড়ার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে। রায়হানের বাবা একসময় সীমান্তরক্ষী বাহিনীতে এবং তাঁর দাদা পুলিশে চাকরি করতেন।

রায়হান নগরীর স্টেডিয়াম মার্কেটে দুজন চিকিৎসকের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। রাহনুমা আক্তার নামের দুই মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রেখে গেছেন তিনি।

স্বজনদের অভিযোগ, ১০ হাজার টাকা না পেয়ে রায়হানকে পুলিশি হেফাজতে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

পুলিশ দাবি করেছে, নগরীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাষ্টঘর এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন রায়হান।

তবে স্থানীয় কাউন্সিলর বলছেন, যে এলাকায় গণপিটুনির কথা বলা হচ্ছে সেখানকার সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজে এ ধরনের কোনোকিছু দেখা যায়নি।


সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) কোতোয়ালি থানাধীন বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে ৩ ঘণ্টা ১০ মিনিট ৪০ সেকেন্ড অবস্থানকালেই পুলিশি নির্যাতনে মৃত্যু হয় রায়হান উদ্দিন আহমদের (৩৩)। এসএমপি গঠিত তদন্ত কমিটির প্রথম দিনের তদন্তে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান উপকমিশনার (ডিসি) আজবাহার আলী শেখ।

এই ঘটনায় রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে রায়হানের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় কোনো আসামির নাম উল্লেখ না করে অজ্ঞাত রাখা হয়েছে।

এমবি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *