শুক্রবার ১, জুলাই ২০২২
EN

ফায়ার সার্ভিস সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করল বিড়ালটিকে

যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তিনতলার একটি এয়ার কন্ডিশন মেশিনের বাইরে আটকা পড়ে একটি পোষা বিড়াল।

যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তিনতলার একটি এয়ার কন্ডিশন মেশিনের বাইরে আটকা পড়ে একটি পোষা বিড়াল। এমন অবস্থায় বিড়ালটি সেখানে ছিল ২২ ঘণ্টা। অবশেষে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আজ রোববার সকালে বিড়ালটিকে উদ্ধার করে।

পোষা বিড়ালটি হাতে পেয়ে ভীষণ খুশি নাজমা আহমেদ। পরম মমতায় বুকে জড়িয়ে ধরে আদর করেন। বিড়ালটিকে তিনি ‘মা’ বলে ডাকেন।

জানা গেছে, শনিবার সকালে নাজমা আহমেদ নামে এক নারী হাসপাতালে রোগী দেখতে যান। সেখান থেকে তার পোষা বিড়ালটি হারিয়ে যায়। রোববার সকালে দেখতে পান হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডের বিপরীত ভবনের তিনতলায় একটি এয়ার কন্ডিশন মেশিনের বাইরে আটকে আছে। এরপর খবর দেন ফায়ার সার্ভিসে। পোষা বিড়ালটি হাতে পেয়ে আনন্দিত নাজমা আহমেদ।

যশোর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার গোলাম কিবরিয়া বলেন, মানুষের কল্যাণ আর সেবাই আমাদের কাজ। আমরা বিড়ালটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে তার মালিকের কাছে পৌঁছে দিতে পেরেছি এটিই আনন্দের বিষয়।

যশোর শহরের পূর্ববারান্দিপাড়া এলাকার বাসিন্দা নাজমা আহমেদ ও জাকির হোসেন দম্পতি।

তারা জানান, শনিবার সকালে যশোর জেনারেল হাসপাতালে যান চিকিৎসাধীন এক আত্মীয়ের খোঁজ নিতে। তাদের সঙ্গেই ছিল পোষা বিড়ালটি। তারা যখন হাসপাতালের তৃতীয়তলায় সেই আত্মীয়ের সঙ্গে কথা বলছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে বিড়ালটি লাফ দিয়ে নিচে নেমে যায়। তখন তারা ঘটনাটি টের পাননি।

তারা জানান, বাড়ি ফেরার সময় দেখেন বিড়ালটি পাশে নেই। পরে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় খুঁজে না পেয়ে মনকষ্টে বাড়ি ফেরেন। এরপর রোববার সকালে বিড়ালটি খুঁজতে বের হন। তারা দেখতে পান বিড়ালটি হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডের বিপরীত ভবনের তিনতলায় একটি এয়ার কন্ডিশন মেশিনের বাইরে আটকে রয়েছে।

এরপর যশোর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিসে গিয়ে কর্মকর্তাদের বিষয়টি বুঝিয়ে বলেন ওই দম্পতি। সব শুনে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা হাসপাতাল চত্বরে পৌঁছে যান। তারা মই লাগিয়ে নামিয়ে এনে নাজমা বেগমের হাতে বিড়ালটি তুলে দেন।

যশোর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমরা বিড়ালটিকে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে তার মালিকের কাছে পৌঁছে দিয়েছি।

এএস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *