রবিবার ২৯, মে ২০২২
EN

ফের নিত্যপণ্যের বাজার বেসামাল

ঈদের পর বাজারে সবজির চাহিদা বেড়েছে। এ ছাড়া গত কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টি থাকায় সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে।

ফের বেসামাল হয়ে পড়েছে নিত্যপণ্যের বাজার। সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির পর গেল কয়েক দিনে সংকট কিছুটা কমেছে। তবে পেঁয়াজ আমদানির মেয়াদ শেষ হওয়ায় প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে পণ্যটি আসা বন্ধ রয়েছে। এতে দেশের খুচরা ও পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। এ ছাড়া সবজি, রসুন ও ডিমের দাম এক সপ্তাহ ব্যবধানে বেড়েছে। অন্য পণ্যের দাম অবশ্য অপরিবর্তিত রয়েছে।

আজ শুক্রবার (১৩ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

ঈদের পর বাজারে সবজির চাহিদা বেড়েছে। এ ছাড়া গত কয়েক দিন ধরে টানা বৃষ্টি থাকায় সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে।

চলতি সপ্তাহে ৪০ টাকা কেজি দরে মিষ্টি কুমড়া, মুলা ও পেঁপে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া এ সপ্তাহে ৬০ টাকা কেজি দরে শসা, টমেটো, চিচিঙ্গা, পটল, বরবটি ও ধুন্দল বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাল কুমড়া প্রতিপিস ৫০ টাকা এবং লাউ ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১৩০ টাকা এবং পেঁয়াজের দাম ২৫-৩০ টাকা থেকে কয়েক দফা বেড়ে ৪৫-৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা।

প্রতি কেজি দেশি রসুনের দাম ৪০-৫০ টাকা থেকে দ্বিগুণ বেড়ে ৯০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া আমদানি করা রসুনের দাম কেজিপ্রতি ১০০-১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খোলা সয়াবিন তেল খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি ২২০-২৫০ টাকায়, পাম অয়েল কেজিপ্রতি ১৯৫-২০০ টাকায় এবং বোতলজাত পাঁচ লিটার সয়াবিন তেল ৯৮০-৯৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭০০ টাকা, খাসির মাংস প্রতি কেজি ৯০০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৭০-১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩০০-৩১০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি প্রতি কেজি ২৭০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি ডজন লাল ডিম ১১৫ টাকা, প্রতি ডজন হাঁসের ডিমের ১৬০ টাকা এবং প্রতি ডজন দেশি মুরগির ডিম ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে মাছের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি কেজি রুই মাছ ৩০০-৮৫০ টাকা, তেলাপিয়া ও পাঙাস মাছ কেজিপ্রতি ১৬০-১৭০ টাকা, প্রতি কেজি পাবদা মাছ ৩৫০-৪০০ টাকা এবং শোল মাছ প্রতি কেজি ৪৫০-৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এবিএস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *