রবিবার ২, অক্টোবর ২০২২
EN

বিএসইসি ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে হাইকোর্টের ‍রুল

বিলুপ্ত হতে যাওয়া পদ্মা সিমেন্টের পরিচালকদের অবস্থান জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৩ সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে তাদের অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে বলা হয়েছে। সোমবার বিচারপতি এম আর হাসানের একক বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন

বিলুপ্ত হতে যাওয়া পদ্মা সিমেন্টের পরিচালকদের অবস্থান জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ৩ সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে তাদের অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে বলা হয়েছে। সোমবার বিচারপতি এম আর হাসানের একক বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। কোম্পানি অবসায়নের জন্য পদ্মা সিমেন্টের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে আদালত তা গ্রহণ করে। পরবর্তী সময়ে অবসায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য অবসায়ক হিসেবে আইনজীবী মো. মোকছেদুল ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিমকোর্ট,হাইকোর্ট বিভাগের কোম্পানি কোর্টের ম্যাটার নং-৫৩/২০১২ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পাওনাদারদের দাবিনামা দাখিলের আদেশ দেওয়া হয়। পদ্মা সিমেন্টের অবসায়নের বিষয়ে শুনাননি চলাকালে আদালত কোম্পানির পরিচালকদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে স্টক এক্সচেঞ্জদ্বয় এবং বিএসইসিকে বিস্তারিত প্রতিবেদন দিতে বলে। আগামী ৩ সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন পাওয়ার পর পদ্মা সিমেন্টের অবসায়নের বিষয়ে চূড়ান্ত আদেশ দেওয়া হবে বলে আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। অবসায়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে পদ্মা সিমেন্টের অবসায়ক মো. মোকছেদুল ইসলাম পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গত ২১ মার্চের মধ্যে কোম্পানির সাবেক কর্মকর্তা,কর্মচারী,শ্রমিক,পাওনাদার এবং শেয়ারহোল্ডারদের দাবিনামা পেশ করার অনুরোধ জানান। ২০০৯ সালের কোম্পানি আইনের ১৩৩ ধারা মোতাবেক ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটের পদ্মা সিমেন্টের অবলুপ্তি করা হবে। জানা গেছে,সিরাজগঞ্জ জেলার শাহাজাদপুরের বাঘবাড়িতে ফ্যাক্টরি স্থাপনের পর থেকে সুবিধা করতে পারেনি পদ্মা সিমেন্ট। ফলশ্রুতিতে ২০১০ সালের জুন মাসে কোম্পানিটি উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। পরবর্তী সময়ে কোম্পানির ফ্যাক্টরি এআর সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের কাছে ভাড়া দেওয়া হয়। কিন্তু উৎপাদন না থাকায় ক্রমেই লোকসান গুণতে থাকে পদ্মা সিমেন্ট। অবশেষে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ফ্যাক্টরিটি দেশবন্ধু সিমেন্টের কাছে বিক্রি করে দেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য,দেশের ইতিহাসে আদালতের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির অবসায়ন প্রক্রিয়া এটিই প্রথম। বর্তমানে পদ্মা সিমেন্টের নিট সম্পদ মূল্য ১৩ কোটি ৬৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা। অপরদিকে ব্যাংক ঋণ প্রায় ৪০ কোটি টাকা। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোম্পানিটির দখল বুঝে নিয়ে দেশবন্ধু গ্রুপের কাছে বিক্রি করে দেয়। ফলে এ কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীসহ অন্য পাওনাদারদের বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে যায়। [b]ঢাকা, কেএ, ৭ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // এচএইচ, জেএ [/b]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *