মঙ্গলবার ১৬, অগাস্ট ২০২২
EN

বগুড়ার ডোবায় কুচি কুচি টাকা আসলে কার?

বগুড়ার শাজাহানপুরে সড়কের পাশের ডোবায় বিপুল পরিমাণ কুচি-কুচি টাকা পাওয়া গেছে। এই টাকা নিয়ে মানুষের মনে বিভিন্ন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) উপজেলার জালশুকা এলাকায় সড়কের পাশে এই বিপুল পরিমাণ কুচি-কুচি টাকা পাওয়া যায়। সাধারণ মানুষ ভাবছেন সম্প্রতি ক্যাসিনো অভিযানের কারণে এই টাকা হয়তো লুকাতে না পেরে এখানে ফেলে রেখেছে। আসলে কী তাই? এই বস্তা বস্তা কুটি টাকা রাস্তার পাশের ডোবায় কীভাবে এলো?

বগুড়ার শাজাহানপুরে সড়কের পাশের ডোবায় বিপুল পরিমাণ কুচি-কুচি টাকা পাওয়া গেছে। এই টাকা নিয়ে মানুষের মনে বিভিন্ন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) উপজেলার জালশুকা এলাকায় সড়কের পাশে এই বিপুল পরিমাণ কুচি-কুচি টাকা পাওয়া যায়।

সাধারণ মানুষ ভাবছেন সম্প্রতি ক্যাসিনো অভিযানের কারণে এই টাকা হয়তো লুকাতে না পেরে এখানে ফেলে রেখেছে। আসলে কী তাই? এই বস্তা বস্তা কুটি টাকা রাস্তার পাশের ডোবায় কীভাবে এলো?

অবষেশে এইসব প্রশ্নের উত্তর মিলেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বগুড়া কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক জগন্নাথ চন্দ্র ঘোষ বলেন, এগুলো বাতিল ও অচল টাকা। তাই ফেলে দেয়া হয়েছে। কারণ এগুলো পুড়ানোর নিয়ম নেই। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ১ টাকা থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বাতিল নোট পুড়িয়ে ফেলা হয়। তবে ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট কুচি কুচি করে কেটে ফেলে দেওয়ার নিয়ম। আর জালশুকা এলাকায় পাওয়া টাকার কুচি বাংলাদেশ ব্যাংকের অচল ও বাতিল হিসেবে ফেলে দেওয়া টাকা।

বগুড়া কার্যালয়ে কুচি করা টাকার ১ হাজার ৮০০ বস্তা জমা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অচল ২৪০ বস্তা টাকা ফেলে দেয়ার জন্য গত ২২ আগস্ট এই এলাকার পৌরসভার মেয়রকে চিঠি দেওয়া হয়। পরে পৌরসভা ট্রাকে সেগুলো সেখানে নিয়ে ফেলে। পরিবেশের ক্ষতির কথা বিবেচনা করে টাকা পোড়ানো হয় না। এগুলো কোথাও ফেলে দেওয়াই নিয়ম।

শাজাহানপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ডোবায় কুচি-কুচি করা টাকা পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় ঘটনা সত্যি। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেল এগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ফেলে দেওয়া বাতিল টাকার নোট। 

এমবি     

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *