সোমবার ৬, ডিসেম্বর ২০২১
EN

বাঘের মাংস খেয়ে পিকনিকে মজলেন গ্রামবাসীরা

বাঘে মানুষ খায়! কিন্তু কখনও শুনেছেন কি এ সভ্যতার মানুষ বাঘকে খায়? হ্যাঁ, একেবারে সত্যি ঘটনা।

বাঘে মানুষ খায়! কিন্তু কখনও শুনেছেন কি এ সভ্যতার মানুষ বাঘকে খায়? হ্যাঁ, একেবারে সত্যি ঘটনা।

অসমের গুয়াহাটিতে এমন ঘটনাই ঘটেছে। কিন্তু এমন নৃশংস ঘটনা ঘটলই বা কি করে! একজন পূর্ণ বয়স্ক চিতাবাঘকে মেরে তার মাংস রান্না করে খেল গ্রামবাসীরা।

রীতিমতো বনভোজনের হিড়িক পড়ে যায়। বিভিন্ন স্পটে গিয়ে মুখরোচক রান্না নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন ভোজনরসিকরা। এমনটিই করলেন ভারতের আসামের অটল রঙঢালি এলাকার বাসিন্দারা।

একটি পূর্ণবয়স্ক চিতাবাঘকে পিটিয়ে মেরে তার মাংস দিয়ে ভূরিভোজ করেছেন তারা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম কলকাতা টাইমস জানিয়েছে, সম্প্রতি চিতাবাঘের মাংস দিয়ে রীতিমতো পিকনিক করলেন আসামের এই স্থানীয়রা।

সংবাদমাধ্যমটি জানায়, কয়েক দিন আগে আসামের অটল রঙঢালি এলাকায় পাঁচজন মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছিল একটি চিতাবাঘ। নদী পেরিয়ে অন্য গ্রামে ঢুকেও কিছু মানুষের ওপর হামলা চালায় এই হিংস্র বাঘ। এর পর গ্রামবাসী বাঘটিকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে।

প্রথমে দূর থেকে ইট, পাথর মেরে বাঘটিকে দুর্বল করে দেন তারা। তার পর লাঠি দিয়ে পিটিয়ে চিতাবাঘটিকে মেরে ফেলেন তারা। এর পরই চিতাবাঘ মারার উল্লাসে উৎসবে মেতে ওঠেন গ্রামবাসী। মৃত বাঘের মাংস দিয়েই পিকনিকের আয়োজন করেন তারা।

এদিকে এমন ঘটনায় অবাক হয়েছেন আসামের বন অধিদফতরের কর্মকর্তারা। দেশটির পশুপ্রেমীরা বিষয়টিকে মেনে নিতে পারছেন না।

এ ঘটনায় বন অধিদফতর গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। জড়িতদের চিহ্নিত করতে ঘটনার তদন্তে নেমেছেন তারা।

এ বিষয়ে বন অধিদফতরের এক কর্মকর্তা বলেন, নদী পার হয়ে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিল চিতাবাঘটি। সেই সুযোগে গ্রামবাসী একে মেরে ফেলেন।

তাই বিষয়টি গুরুত্ব নিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

তবে এটা নতুন নয়, ওই গ্রামে তিন বছর আগেও চিতাবাঘ মেরে মাংস খাওয়া হয়েছিল। বন্যপ্রাণী যেমন হরিণ, গণ্ডার, এমনকি হাতি মেরে তার মাংস খাবারও ঘটনা দেখা যায় নাগাল্যান্ডে। কিন্তু যার ভয়ে ভীত গোটা প্রাণীজগত তারই মাংস নাকি সানন্দে ভক্ষণ করল মানুষ!

এএস

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *