মঙ্গলবার ২৫, জানুয়ারী ২০২২
EN

বঙ্গবন্ধু: এদেশের মানুষের বন্ধু (ভিডিও)

এদেশের জনগনের জন্য বঙ্গবন্ধুর ছিল অকৃত্রিম ভালোবাসা।বঙ্গবন্ধু কখনো বিশ্বাস করতেন না যে এদেশের মানুষ তার কোনো ক্ষতি করতে পারে। এই অকৃত্রিম ভালোবাসার কারণে বঙ্গবন্ধু ঠিক সেই মুহুর্তেও বিশ্বাস করেন নি যখন তিনি শুনেছিলেন যে কিছু সেনাকর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে করছিল।

এদেশের জনগনের জন্য বঙ্গবন্ধুর ছিল অকৃত্রিম ভালোবাসা।বঙ্গবন্ধু কখনো বিশ্বাস করতেন না যে এদেশের মানুষ তার কোনো ক্ষতি করতে পারে। এই অকৃত্রিম ভালোবাসার কারণে বঙ্গবন্ধু ঠিক সেই মুহুর্তেও বিশ্বাস করেন নি যখন তিনি শুনেছিলেন যে কিছু সেনাকর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে করছিল।

সম্ভবত দেশ স্বাধীনের পর পাকিস্তানের কারাগার থেকে জীবিত বের হবার কারণে তার এই আত্মবিশ্বাস তৈরী হয়েছিল।

দালিলিকভাবে জানা যায়, বঙ্গবন্ধুর জেল থেকে মুক্তির আগেই পাক প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহইয়া খান তার মৃত্যু পরওয়ানাতে সাক্ষর করেছিলেন।

১৯৭১ সালের ২০ ডিসেম্বর জুলফিকার আলী ভুট্টো যখন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হোন তখন তিনিও বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু পরওয়ানার বিষয়ে কিছুই করেন নি এই ভয়ে যে, বাংলাদেশে পাকিস্তানের ৯৩ হাজার সৈন্য বন্দি ছিল। এই কারণে ১৯৭২ সালের জানুয়ারী মাসেই বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া  হয়েছিল।

এদিকে ১৯৭৩ সালে এক সেনা অভ্যুত্থানে চিলির প্রেসিডেন্ট স্যালভ্যাটর আলেন্ড (Salvador Allende) নিহত হোন। ঠিক সেই সময়েই বঙ্গবন্ধুর শুভাকাঙ্খীরা তার নিরাপত্তার বিষয়ে সতর্ক  করেছিলেন। উল্লেখ্য, স্যালভ্যাটরের হত্যা এবং তার সরকারের উৎখাতের পিছনে অনেক গভীর ষড়যন্ত্র ছিল এবং তাতে আন্তর্জাতিক যোগসূত্রও ছিল।

সেই সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হিতাকাংখীরা তাকে সতর্ক করে বলেছিল, আপনার বিরুদ্ধেও একই রকম ষড়যন্ত্র হচ্ছে। কিন্তু এদেশের মানুষের প্রতি আত্মবিশ্বাস ও ভালোবাসার কারণে তিনি এসব কথার কোনো পাত্তাই দেন নি।

আর ষড়যন্ত্রকারীরা জনগনের প্রতি বঙ্গবন্ধুর এই অকৃত্রিম ভালোবাসা ও বিশ্বাসের সুযোগ নিয়েছিল।

১৫ আগষ্ট ১৯৭৫ সাল। ষড়যন্ত্রকারীরা বর্বর হামলা চালালো বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে। তারা একে একে হত্যা করলো বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সকল সদস্যকে। পতন হল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার। দেশ চলে গেল সামরিক শাসনের আওতায়।

বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর তারই সরকারের বানিজ্যমন্ত্রী খন্দকার মোসতাক আহমেদ হলেন প্রেসিডেন্ট তার খুনীদের সাথে যোগসাঁজোসের মাধ্যমে। এছাড়া বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর যে সরকার গঠন হয়েছিল তাতে শুধু বঙ্গবন্ধুই ছিলেন না, তার সরকারের অনেকেই ছিল।

খন্দকার মোসতাক আহমেদের পরিবর্তনের ইতিহাসে অনেক কিছুই জানার রয়েছে। মোসতাক আহমেদ বঙ্গবন্ধুর খুনীদেরকে "জাতির উজ্বল সন্তান"বলে ঘোষণা করেছিলেন। এর পরিবর্তী সময়ে জেনারেল জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনীদের পূণর্বাসন করেছিলেন। ফলে, দুই দশকের জন্য কবর রচিত হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার। ১৯৯৬ সালে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে তখন এই বিচার শুরু করে এবং ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার সম্পন্ন হয়।  

ইআর

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *