রবিবার ২৩, জানুয়ারী ২০২২
EN

বিজয় দিবসে দেশবাসীকে শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে সারা দেশের মানুষকে শপথ পাঠ করাবেন। আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিকালে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী ওই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন । তবে কী ধরনের শপথ পাঠ করাবেন তা জানা যায়নি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে সারা দেশের মানুষকে শপথ পাঠ করাবেন। আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিকালে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী ওই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন । তবে কী ধরনের শপথ পাঠ করাবেন তা জানা যায়নি।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে এ কথা বলেন কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

তিনি বলেন, ১৬ ডিসেম্বরের যে অনুষ্ঠান, সে অনুষ্ঠানে বিকেল সাড়ে ৪টায় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা থেকে সারা বাংলাদেশে একটা শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন। সেখানে সব শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেবে। তারপর সাড়ে ৫টা থেকে আলোচনা সভা শুরু হবে।  

তবে কী শপথ হবে সে ব্যাপারে পরে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানিয়েছেন কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

এ সময় সচিব বলেন,  ১৬ ডিসেম্বরে সবসময় একটা কুচকাওয়াজ হয়।  এবারের কুচকাওয়াজ অন্যবারের চেয়ে বড় আকারে হবে। সেখানে ৬টি দেশের প্রতিনিধি আসবেন। সেখানে অনেকগুলো দেশের অংশগ্রহণ থাকবে। 

এছাড়া জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি থেকে ‘মহা বিজয়ের মহা নায়ক’ শিরোনামে ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠান হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী বলেন, বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে আলোচনা সভা শুরু হবে। সেখানে ভারতের রাষ্ট্রপতি অংশ নেবেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীও এতে অংশ নেবেন। পুরো অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে সাজিয়ে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, প্রকৃতি, পরিবেশ সব মিলিয়ে দেশের ৫০ বছরের অগ্রগতি, এ সবের সমন্বয়ে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠান হবে।  

আমন্ত্রিত অতিথিদের ব্যাপারে তিনি বলেন, যাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে সময়মত তাদের অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানো, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে যেন অনুষ্ঠানগুলো হয় সেটার নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও অন্যান্য বিষয়গুলো আজকে পর্যালোচনা করা হয়েছে। 

করোনা পরীক্ষা রিপোর্ট ছাড়া কেউ সেখানে যেতে পারবেন না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমন্ত্রণপত্রে জানিয়ে দেওয়া হবে কোথায় কোথায় করোনা পরীক্ষা করতে হবে। যেহেতু স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করতে হবে তাই করোনা পরীক্ষাটা বাধ্যতামূলক। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব কিছু আমরা ফলো করব। সব মিলিয়ে প্রতিদিন তিন হাজার মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানটি সারা দেশের পাশাপাশি সারা বিশ্বে সম্প্রচার হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

এমআর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *