সোমবার ৬, ডিসেম্বর ২০২১
EN

বন্ধ্যা নারীদের জন্য সুখবর! হোমিও চিকিৎসায় ৩ মাসেই সন্তান লাভ সম্ভব

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করা এই চিকিৎসকের দাবি-বন্ধ্যাত্ব ও গর্ভপাত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে আরোগ্য সম্ভব। ইতোমধ্য চিকিৎসার মাধ্যমে বেশ কয়েকজন বন্ধা নারী সন্তান জন্ম দিতে সক্ষম হয়েছেন। হোমিও চিকিৎসা নিয়ে নি:সন্তান দম্পতিদের মুখে হাসি ফুটে উঠুক এটাই বিশেষজ্ঞ এই চিকিৎসকের প্রত্যাশা। বন্ধ্যাত্ব ও গর্ভপাতের প্রবণতায় অনেক স্ত্রীলোক মা হতে অক্ষম। এধরনের সমস্যায় থাকা স্ত্রীলোকদের জন্য সুখবর হলো হোমিও প্যাথিক চিকিৎসায় খুব সহজেই সমস্যাসমূহ কাটিয়ে সন্তান জন্মদানে সক্ষম হতে পারেন। বন্ধ্যাত্বের বেশীরভাগ কারণগুলোর মধ্যে ওভারিয়ান সিষ্ট-টিউমার, এন্লার্জড ওভারী, জরায়ুর টিউমার বা ফাব্রোয়েড দায়ী। এছাড়াও অনেক ক্ষেত্রে মাসিকের অনিয়ম বা আপাত দৃষ্টিতে কোন কারণ ছাড়াই বন্ধাত্ব চলতে থাকে।

সন্তান না হওয়া নারীদের মনে অনেক কষ্ট! চাঁদের মতো ফুটফুটে সন্তানের মুখ দেখতে কোন বাবা-মা না চান? বহু কারনে অনেক স্ত্রীলোক মা হতে অক্ষম। সন্তান লাভের আশায় বা বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় অনেকেই অনেক টাকা নষ্ট করেও ব্যর্থ হচ্ছেন। তাদের জন্য সুখবর নিয়ে এলেন খ্যাতিমান হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ডাঃ জি.এম. হাবিবুল্লাহ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করা এই চিকিৎসকের দাবি-বন্ধ্যাত্ব ও গর্ভপাত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে আরোগ্য সম্ভব। ইতোমধ্য চিকিৎসার মাধ্যমে বেশ কয়েকজন বন্ধা নারী সন্তান জন্ম দিতে সক্ষম হয়েছেন। হোমিও চিকিৎসা নিয়ে নি:সন্তান দম্পতিদের মুখে হাসি ফুটে উঠুক এটাই বিশেষজ্ঞ এই চিকিৎসকের প্রত্যাশা।

‘বন্ধ্যাত্ব ও গর্ভপাত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় সমাধান’
বন্ধ্যাত্ব ও গর্ভপাতের প্রবণতায় অনেক স্ত্রীলোক মা হতে অক্ষম। এধরনের সমস্যায় থাকা স্ত্রীলোকদের জন্য সুখবর হলো হোমিও প্যাথিক চিকিৎসায় খুব সহজেই সমস্যাসমূহ কাটিয়ে সন্তান জন্মদানে সক্ষম হতে পারেন।

বন্ধ্যাত্বের বেশীরভাগ কারণগুলোর মধ্যে ওভারিয়ান সিষ্ট-টিউমার, এন্লার্জড ওভারী, জরায়ুর টিউমার বা ফাব্রোয়েড দায়ী। এছাড়াও অনেক ক্ষেত্রে মাসিকের অনিয়ম বা আপাত দৃষ্টিতে কোন কারণ ছাড়াই বন্ধাত্ব চলতে থাকে।

হোমিও প্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে সুনির্বাচিত ঔষধের মাধ্যমে এসকল সমস্যাগুলি আরোগ্য হয় এবং একই সাথে সঠিক ভাবে গর্ভধারণ সম্ভব হয়। এমনকি ৮/৯ বছরের বিবাহিত সন্তানহীন স্ত্রীলোকের এক পার্শ্বের ফেলোফিয়ান টিউব এক্টোপিক হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। অপর পার্শ্বে সিষ্ট উৎপন্ন হওয়ার কারণে গর্ভ ধারণের সম্ভাবনা একে বারে ক্ষীণ হয়ে যায়।

এমতাবস্থায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় মাত্র ৩ মাসের মধ্যে সঠিক ভাবে গর্ভধারণে সক্ষম হয় এবং আল্ট্রাসোনোগ্রাম রিপোর্টে সিস্টের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে নির্দিষ্ট সময়ের পর ঐ স্ত্রীলোক সুস্থ সুন্দর সন্তান জন্ম দিয়ে মা হওয়ার বাসনা পুর্ণ করতে পেরেছেন।

আবার কিছু স্ত্রীলোকের মাসিকের অনিয়ম, হরমোনের অসামঞ্জস্যতা, মানসিক আঘাত, দীর্ঘ দিনের দুশ্চিন্তা ইত্যাদি কারনে গর্ভধারণে অক্ষম হচ্ছেন।

অন্যদিকে অনেক স্ত্রীলোকের গর্ভধারনের পরেও বিভিন্ন কারনে দুঃখজনক ভাবে প্রথম ৩ মাস বা যে কোন পর্যায়ে গর্ভপাত হওয়ার কারণে সন্তান লাভে অক্ষম হচ্ছেন।

উল্লেখিত সমস্যা সমূহের মধ্যে যে কোন কারনেই বন্ধা স্ত্রীলোকগণ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় গর্ভধারণে বাধাসমূহ দুর করে সন্তানের মা হওয়ার বাসনা পুর্ন করতে পারেন।

আমাদের বিশেষত্ব হলো- হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান কর্তৃক প্রদত্ত নিয়মনীতি অনুসরণের মাধ্যমে লক্ষণভিত্তিক সুনির্বাচিত শক্তিকৃত সুক্ষ্য মাত্রার হোমিওপ্যাথিক ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। ফলে কোন রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই রোগীগন আরোগ্য লাভ করে থাকেন।

ডাঃ জি.এম. হাবিবুল্লাহ
বি,এইচ.এম. এম (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)
ফোন: ০১৭২০০১৯৫৫৪, ০১৯১২১৮৪৬০৫
চেম্বার: সেবা হোমিওপ্যাথী
১৫/১২, শেরশাহ্শুরী রোড,
মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *