বুধবার ৭, ডিসেম্বর ২০২২
EN

'বাবাসহ ৪ মুক্তিযোদ্ধাকে ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ করি'

৭১’র মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জাতীয় পার্টির সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ২৭তম সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে গিয়ে বলেন, আমরা সৈয়দ কায়সারের কাছে গিয়ে আমার বাবাসহ আটককৃত চার মুক্তিযোদ্ধাকে ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ করি। তিনি আমাদের কথা না শুনে খাকি পোশাকধারী একজনকে ইশারা দিতেই লোকটি এসে আমাদের মারতে মারতে সরিয়ে দেন

৭১’র মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জাতীয় পার্টির সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের ২৭তম সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে গিয়ে বলেন, আমরা সৈয়দ কায়সারের কাছে গিয়ে আমার বাবাসহ আটককৃত চার মুক্তিযোদ্ধাকে ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ করি। তিনি আমাদের কথা না শুনে খাকি পোশাকধারী একজনকে ইশারা দিতেই লোকটি এসে আমাদের মারতে মারতে সরিয়ে দেন।

বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন রেনু মিয়া। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাকে জেরা করেন কায়সারের আইনজীবী আব্দুস সুবহান তরফদার। এরপর কায়সারের বিরুদ্ধে ২৮তম ও জব্দ তালিকার প্রথম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়কের ব্যক্তিগত সহকারী মো. নুরুল ইসলাম।

শহীদপুত্র রেনু মিয়া আরও বলেন, এর আধ ঘণ্টা পর বাবাসহ আটককৃতদের দক্ষিণ দিকে সোনাই নদীর পাড়ে নিয়ে যায়। আমরাও তাদের পিছু পিছু যাই। সেখানে আটক চারজনকে সোনাই নদীর পুলের উপর দাঁড় করায়। কায়সার হাতে ইশারা দিলে খয়েরি পোশাকধারী একজন তাদের গুলি করে হত্যা করে।

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মৌজপুর গ্রামের রেনু মিয়া শহীদ সিরাজ মিয়ার ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের ২৬তম সাক্ষী মাজেদা ওরফে জমিলা খাতুন মঙ্গলবার দেয়া সাক্ষ্যে সাক্ষী রেনু মিয়ার কথা উল্লেখ করেন। রেনু মিয়ার সাক্ষ্য জমিলা খাতুনের সাক্ষ্যের প্রায় অনুরূপ। 

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হবিগঞ্জের সোনাই নদীর পাড়ে তার বাবা শহীদ সিরাজ মিয়াসহ চারজন মুক্তিযোদ্ধাকে সৈয়দ কায়সারের ইশারায় পাকিস্তানি সেনা ও কায়সার বাহিনীর সদস্যরা গুলি করে হত্যা করে বলে সাক্ষ্যে বলেন রেনু মিয়া।  

 ঢাকা,কেএ, ১৮ (টাইমনিউজবিডি.কম)// জেএ

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *