সোমবার ১৭, জানুয়ারী ২০২২
EN

ব্যাপক শোডাউনের প্রস্তুতি আওয়ামী লীগের

ঢাকা: দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো আগামী ১০ জানুয়ারি সমাবেশ করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। সমাবেশে ব্যাপক লোকের সমাবেশ ঘটিয়ে তারা বিশ্ববাসীকে দেখাতে চায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাঙ্গালী জাতি একত্রিত আছে। ওই সমাবেশ থেকে স্বাধীনতা বিরোধী, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও নাশকতাকারীদের নির্মূল করার শপথ নিবেন নতুন সরকার।

ঢাকা: দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো আগামী ১০ জানুয়ারি সমাবেশ করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। সমাবেশে ব্যাপক লোকের সমাবেশ ঘটিয়ে তারা বিশ্ববাসীকে দেখাতে চায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাঙ্গালী জাতি একত্রিত আছে। ওই সমাবেশ থেকে স্বাধীনতা বিরোধী, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও নাশকতাকারীদের নির্মূল করার শপথ নিবেন নতুন সরকার।   বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলদেশ আওয়ামী লীগ এ সমাবেশের আয়োজন করছে। সমাবেশ কেন্দ্র করে আজ মঙ্গলবার বিকালে শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে একটি প্রস্তুতি সভা করেছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। নির্বাচন পরবর্তী এ সমাবেশে লাখ লাখ লোকের সমাগম ঘটিয়ে তারা প্রমাণ করতে চায়। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে এবং দেশের জনগণ নির্বাচনকে মেনে নিয়েছে। সমাবেশ সফল করতে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে দলের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা। সমাবেশে লোকে লোকারণ্য করতে মহানগর আওয়ামী লীগ থানা ও ওয়ার্ড নেতাকর্মীদের হাতে  পোষ্টার, লিফলেট পৌঁছে দিয়েছে। তারা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পোষ্টার লাগানোর কাজ শুরু করেছে। একইসাথে তাদেরকে মাইকিং করার ও নির্দেশ দিয়েছে দলটির নেতারা। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসকে সামনে রেখে ১০ জানুয়ারির জনসভায় জনসমুদ্র ঘটাতে চাই। জনসভার শেষ পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মাঠে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, জঙ্গিবাদ নির্মূলে ১০ তারিখে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বলিয়ান হওয়ার কারণেই এ সমাবেশ। মঙ্গলবার দুপুরে সমাবেশ সফল করতে ঢাকা মহানগরের এক বর্ধিত সভায় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন আওয়ামী লীগে এখন নেতার সংখ্যা বেড়েছে, কর্মীর সংখ্যা কমেছে পোষ্টার লাগাতে ও মাইকিং করতে এখন তারা লজ্জা পায় এবং পোষ্টার নিয়ে খাটের নিচে রেখে দেয়া হয় । এ সমাবেশের আগে পযবেক্ষণ করা হবে এবং যাদের গাফলতি পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আইন প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম জানান, জনগণ জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ চায়। এ জনসভা থেকে নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর শপথ নেয়া হবে। জনসভা সর্বাত্মক সফল করতে আমরা কাজ করছি। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, নির্বাচন পরবর্তী এ সমাবেশ সফল করতে মঙ্গলবার একটি দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বর্ধিত সভা হয়েছে। সমাবেশ সফল করতে তাদেরকে কাজ বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার ওয়ার্ড সভাপতি ও  সাধারণ সম্পাদকদের নিয়ে আবারো বৈঠক করা হবে। কারণ ১০ তারিখ সমাবেশ থেকে শপথ নেয়া হবে জামায়াত থাকবে না হয় আমরা থাকবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *