শুক্রবার ৩, ডিসেম্বর ২০২১
EN

বিয়ের আগে যেসব মেডিকেল পরীক্ষা করানো উচিত!

আমাদের সমাজে ছেলেমেয়েরা বিয়ের মাধ্যমে নতুন জীবনের শুরু করে থাকে। বিয়ের পরে তাঁদের থেকে জন্ম হয় নতুন প্রজন্মের।

আমাদের সমাজে ছেলেমেয়েরা বিয়ের মাধ্যমে নতুন জীবনের শুরু করে থাকে। বিয়ের পরে তাঁদের থেকে জন্ম হয় নতুন প্রজন্মের।

কিন্তু অনেকক্ষেত্রেই আমাদের নিজেদের ভুল অথবা না জানার কারণে নতুন প্রজন্ম মায়ের গর্ভেই অথবা এই পৃথিবীর মুখ দেখলেও কিছু সময়ের ব্যবধানে আমাদের মায়ার বাঁধন ছেড়ে পাড়ি জমায় না ফেরার দেশে।

মেডিকেল সায়েন্সে এমন কিছু রোগ আছে যে রোগগুলো বংশগত, যেসবক্ষেত্রে বিয়ের আগে আমরা নিজেরা সতর্ক হলে অনেকাংশেই সেগুলো থেকে আমরা আমাদের আগামি প্রজন্মকে রক্ষা করতে পারি।

বিয়ের আগে যে মেডিকেল টেস্টগুলো করা জরুরি-

রক্ত পরীক্ষা
রক্তবাহিত নানারকম রোগ রয়েছে, যেমন- হিমোফিলিয়া, থ্যালাসেমিয়া ইত্যাদি। যার প্রভাব পরতে পারে আপনাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের উপর। তাই আগেই জেনে নেওয়া উচিত রক্তে কোন সমস্যা আছে কি না।

এইচআইভি টেস্ট
বিয়ের আগে এইচআইভি বা অন্য কোনরকম সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ডিসিসেজ, যেমন- গনোরিয়া, সিফিলিস, ওয়ার্টস, ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস আছে কি না তা জানার জন্য এইচআইভি টেস্ট করানো খুবই প্রয়োজন।

জেনেটিক টেস্ট
জেনেটিক ডিসঅর্ডার কিন্তু এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে ছড়ায়। তাই বিয়ের আগে জেনেটিক টেস্ট করা খুবই জরুরি। আর পারলে বিয়ের আগে দুই পরিবারেরই মেডিক্যাল হিস্ট্রি জেনে নিন।

ফার্টিলিটি টেস্ট
বন্ধ্যাত্ব সমস্যা কিন্তু বড় পিড়াদায়ক। আর আমাদের মতো দেশে সন্তান আসতে কোনো সমস্যা হলে দোষ দেওয়া হয় মেয়েদেরই। তাই বিয়ের আগে দুজনই করান ফার্টিলিটি টেস্ট। পুরুষের ফার্টিলিটি চেক করার জন্য সিমেন টেস্ট, আর মেয়েদের জন্য ওভিউলেশন টেস্ট করানো হয়।

আর জননতন্ত্রে কোনরকম জেনেটিক অ্যাবনর্মালিটি আছে কিনা তা দেখার জন্য পেলভিক আল্ট্রাসাউন্ড পরীক্ষা করানো যেতে পারে। তাছাড়া প্রোল্যাক্টিন, টেস্টোস্টেরন, ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন ইত্যাদি হরমোনের পরীক্ষা করালে ভাল হয়।

এএস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *