শুক্রবার ৩, ডিসেম্বর ২০২১
EN

বাংলাদেশ থেকে ব্যাবসা গুটিয়ে নিচ্ছে সানোফি

বাংলাদেশ থেকে ব্যাবসা গুটিয়ে নিচ্ছে ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি সানোফি বাংলাদেশ। তাদের এ চলে যাওয়াকে ‘পালিয়ে যাওয়া’ উল্লেখ করে তা রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীরা। লাভজনক এ প্রতিষ্ঠানটি চলে গেলেও কর্মচারীদের যথাযথ পাওনা পরিশোধের দাবিও জানান তারা।

বাংলাদেশ থেকে ব্যাবসা গুটিয়ে নিচ্ছে ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি সানোফি বাংলাদেশ। তাদের এ চলে যাওয়াকে ‘পালিয়ে যাওয়া’ উল্লেখ করে তা রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারীরা। লাভজনক এ প্রতিষ্ঠানটি চলে গেলেও কর্মচারীদের যথাযথ পাওনা পরিশোধের দাবিও জানান তারা।

রোববার (১৩ অক্টোবর) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানায় সানোফি বাংলাদেশ লিমিটেড শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা।

তিনি বলেন, ১৯৫৮ সালে বাংলাদেশে যাত্রা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত লাভজনক ব্যবসা করে যাচ্ছে সানোফি। এই অবস্থায় তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা বলছি, তারা চলে যাচ্ছে না। তারা পালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানটির ওপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ নির্ভরশীল। আমাদের বিষয়টি সরকারের দেখতে হবে।

ইন্ডাস্ট্রিয়াল কাউন্সিলের সভাপতি রুহুল আমিন বলেন, সানোফির ওষুধের গুণগত মান ভালো। দেশের অসংখ্য নাগরিক, চিকিৎসক এই ওষুধের ওপর নির্ভরশীল। এমন অবস্থায় তাদের চলে যাওয়া দুঃখজনক। আমরা দেখলাম, তাদের কর্মীরা চাচ্ছে না যে, তারা চলে যাক। ইন্ডাস্ট্রিয়াল কাউন্সিল তাদের পাশে আছে। আমাদের পক্ষ থেকে যা করা যায়, করবো।

শ্রম আদালতের সদস্য ও শ্রমিকনেতা রাজ্জাকুজ্জামান রতন বলেন, সনোফিকে এই দেশের আইন মানতে হবে। তারা এখানে ব্যবসা করেছে, এদেশের মাটি ব্যবহার করেছে, মুনাফা করেছে। এখানে কর্মীদের প্রতি তাদের দায়িত্ব আছে। তাই, তাদের এভাবে চলে যেতে দেওয়া যাবে না। কিছু শর্ত মেনে তারা এদেশে ব্যবসা করেছে। যদি চলেও যায়, তাহলেও শর্ত মেনে যেতে হবে। এর জন্য সরকারকে নীরবতা ভেঙে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

শ্রমিকদের পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন দাবিতে সানোফিকে শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হলেও মালিকপক্ষ কোনো উত্তর বা যোগাযোগ করছে না বলেও অভিযোগ করেন শ্রমিক নেতারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *