বুধবার ১৯, জানুয়ারী ২০২২
EN

ভারতে পাচারের শিকার ২১ জন নারী ও শিশু দেশে ফিরেছেন

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের নারী ও শিশু পাচার রোধ বিষয়ক বিশেষ টাস্কফোর্স-এর সমন্বিত প্রচেষ্টায় ভারতে বিভিন্ন সময়ে পাচারের শিকার ২১ জন নারী ও শিশু দেশে ফিরেছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের নারী ও শিশু পাচার রোধ বিষয়ক বিশেষ টাস্কফোর্স-এর সমন্বিত প্রচেষ্টায় ভারতে বিভিন্ন সময়ে পাচারের শিকার ২১ জন নারী ও শিশু দেশে ফিরেছেন।

আজ শুক্রবার ( ৭ জানুয়ারি) বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে তাদের ফেরানো হয় বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি মতে, বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন সময়ে মানবপাচারের শিকার হয়ে অবৈধভাবে ও ভুলক্রমে ভারতে প্রবেশকালে আটকাধীন বাংলাদেশি নারী ও শিশুদের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সেইফ হোমে রাখা হয়।

পরবর্তীতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, কলকাতা, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগ ও আন্তরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিভিন্ন সেইফ হোমে অবস্থানরত এসব বাংলাদেশি নারী ও শিশুদের নাগরিকত্ব যাচাইপূর্বক ট্রাভেল পারমিট ইস্যু সাপেক্ষে তাদেরকে নিরাপদে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মানবপাচারের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত পদক্ষেপসমূহের বাস্তবায়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ভারতে বিভিন্ন সেইফ হোমে অবস্থানরত মানবপাচারের শিকার হয়ে অবৈধভাবে গমনকারী বাংলাদেশি নারী ও শিশুদের বাংলাদেশে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করে তাদেরকে নিজ অভিভাবক ও স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-এর মহাপরিচালক (কনস্যুলার ও কল্যাণ) ও সহকারী সচিব (কল্যাণ) এর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, কলকাতা-এর একটি প্রতিনিধি দল বেনাপোল সীমান্তে স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসনের নিকট উদ্ধারকৃত এসব বাংলাদেশি নারী ও শিশুদের হস্তান্তর করেন।

এ ছাড়া এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার সময় বেনাপোল সীমান্তে বিজিবি কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় এনজিও কর্তৃপক্ষ ও ভারতের বিভিন্ন সরকারী সংস্থা ও বিএসএফ কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন।

এইচএন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *