শুক্রবার ১, জুলাই ২০২২
EN

মেজর সিনহা হত্যা: পুলিশের করা মামলার ৩ সাক্ষি ফের রিমান্ডে

অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যার ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষিকে ফের চার দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) কক্সবাজারের জৈষ্ঠ্য বিচারিক হাকিম তামান্না ফারাহ এর আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন

অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যার ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষিকে ফের চার দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) কক্সবাজারের জৈষ্ঠ্য বিচারিক হাকিম তামান্না ফারাহ এর আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন, খবর বাসস।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাবের সিনিয়র এএসপি খাইরুল ইসলাম জানান, পুলিশের দায়ের করা মামলার সাক্ষি এই ৩ আসামিকে এর আগে জিজ্ঞাসাবাদে সিনহার হত্যার ব্যাপারে কিছু তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে। তাদের দেয়া এসব তথ্য-উপাত্ত মামলার অন্য আসামিদের তথ্য-উপাত্তের সাথে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “ঘটনার ব্যাপারে সব আসামিদের দেয়া তথ্য-উপাত্ত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য আরো অধিকতর তদন্ত প্রয়োজন। যাতে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়, নিরাপরাধ লোকজন যাতে সাজা না পায়, দোষীরা যাতে ছাড়া না পায়। তাই আসামিদের বিরুদ্ধে পুনরায় রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।”

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, এই ৩ আসামির বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলেও ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আসামীরা হলেন- টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের মারিশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা মো: নুরুল আমিন, মো: নেজামুদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াজ।

সিনহা হত্যার ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে র‌্যাবের একটি দল টেকনাফের মারিশবুনিয়া এলাকা থেকে গত ০৯ আগস্ট পুলিশের দায়ের করা মামলার এই ৩ সাক্ষিকে গ্রেফতার করে।

এদিকে, ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকত ও এসআই নন্দ দুলালকে দ্বিতীয় দফায় ৪ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে র‌্যাব।

গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এই ঘটনায় গত ০৫ আগস্ট তাঁর বোন শাহরিয়ার শারমিন ফেরদৌস বাদি হয়ে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলী ও নন্দ দুলাল রক্ষিতসহ পুলিশের ০৯ সদস্যকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। র‌্যাবকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়।

এমবি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *