শুক্রবার ৩, ফেব্রুয়ারি ২০২৩
EN

মিনুর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ

পুলিশের উপর হামলার মামলায় বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনুর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন অাদালত

পুলিশের উপর হামলার মামলায় বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনুর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন অাদালত। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী মহানগর মুখ্য হাকিমের আদালত -১ এর বিচারক বিশ্বনাথ মন্ডল এ আদেশ দেন। রাজশাহী মহানগর কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আবুল হাসেম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ২০১১ সালের নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় দায়ের করা মামলার আসামি বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনু। যার মামলা নং এমজিআর-৬৫৫। গত ১০ মার্চ আদালতে ওই মামলার চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ওই মামলায় তিনি রাজশাহী মহানগর মুখ্য হাকিমের আদালত-২ উপস্থিত হয়ে জামিন আবেদন করেন। এ সময় আদালতের বিচারক ওই আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর পরপরই তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান আবুল হাসেম। আসামি পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন, এডভোকেট কামরুল মনীর, এডভোকেট মাইনুল আহসান পান্নাসহ বিএনপিপন্থী কয়েকজন আইনজীবী। এদিকে, এ ঘটনার পর আদালত চত্বরে উপস্থিত নেতারা-কর্মীরা অবিলম্বে মিনুসহ গ্রেফতার সকল নেতা-কর্মীদের মুক্তি দাবিতে বিক্ষোভ করেন।   নগরীর বোয়লিয়া থানা পুলিশ জানায়, গত ২০১১ সালের ৪ জুন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মিজানুর রহমান মিনুর নেতৃত্বে নগরীর ভুবন মোহন পার্ক থেকে ২৫০-৩০০ বিএনপি ও জামায়াত-শিবির কর্মী মিছিল বের করেন। এ সময় মিছিলকারীরা পুলিশের ওপর বিক্ষিপ্তভাবে হামলা চালায়। তাদের হামলায় পুলিশের নায়েক খলিলুর রহমান, কনস্টেবল নুরুজ্জামান ও মাহবুবুর রহমান আহত হন। মিছিল থেকে ছোঁড়া গুলিতে বোয়ালিয়া মডেল থানার তৎকালীন ওসি (তদন্ত) খাঁন মোহাম্মদ শাহরিয়ার গুলিবিদ্ধ হন। এরপর বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরকর্মীরা সাহেববাজার এলাকায় ভাঙচুর চালায়। এ ঘটনায় মামলা করেছিলেন থানার উপ-পরিদর্শক জাহাঙ্গীর আলম। হামলা, ভাঙচুর ও গুলির ঘটনা তদন্তে প্রমাণিত হওয়ায় চার্জশিটে মিজানুর রহমান মিনু, বিএনপি কেন্দ্রীয় সদস্য ও সিটি মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলনসহ ১৩৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেন, বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জনগণের ভোটের অধিকার হরণের পর এবার বিরোধী দল দমনে মাঠে নেমেছে। এরই অংশ হিসেবে জাতীয় ও স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মিথ্যা মামলা জড়িয়ে হয়রানি করছে। এরআগে রাজশাহী নগরীতে পুলিশ কনস্টেবল সিদ্ধার্থ হত্যা ও বিস্ফোরক মামলায় ৯ মার্চ ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল এবং মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন মুক্তি পান। ওই মামলায় নগর বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৩০ নেতা-কর্মী এখনো কারাবন্দি রয়েছেন। ঢাকা,১৮মার্চ,টাইমনিউজবিডি//এসএইচ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *