শনিবার ৪, ডিসেম্বর ২০২১
EN

মোবাইল ফোন কেনার কিছু প্রস্তুতি

বিশ্বের অন্যান্য প্রযুক্তি থেকে স্মার্টফোন প্রযুক্তিগুলো যেন একটু বেশিই দ্রুত হালনাগাদ হয়। এরই ফলস্রুতিতে মাত্র ১-২ বছর আগের ফোনগুলোও বেশ পুরোনো মনে হবে। তাই মোবাইল ফোনগুলো ক্রয় করার আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে যাতে সেটিতে ব্যবহৃত প্রযুক্তিগুলো সহজেই পুরনো মনে না হয়। চলুন জেনে নেই স্মার্টফোন ক্রয় করার প্রস্তুতিসরুপ কি কি বিষয় নজরে রাখা উচিত।

বিশ্বের অন্যান্য প্রযুক্তি থেকে স্মার্টফোন প্রযুক্তিগুলো যেন একটু বেশিই দ্রুত হালনাগাদ হয়। এরই ফলস্রুতিতে মাত্র ১-২ বছর আগের ফোনগুলোও বেশ পুরোনো মনে হবে। তাই মোবাইল ফোনগুলো ক্রয় করার আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে যাতে সেটিতে ব্যবহৃত প্রযুক্তিগুলো সহজেই পুরনো মনে না হয়। চলুন জেনে নেই স্মার্টফোন ক্রয় করার প্রস্তুতিসরুপ কি কি বিষয় নজরে রাখা উচিত।

১। ডিসপ্লে: স্মার্টফোনগুলো যত আধুনিক হচ্ছে এর ডিসপ্লে যেন ততই বড় হচ্ছে একসময় ১-৫ ইঞ্চির ডিসপ্লেগুলোই সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারী পছন্দ করতো কিন্তু বর্তমানে কমপক্ষে ৬ ইঞ্চির উপরে ডিসপ্লেগুলো সবাই বেশি পছন্দ করে থাকে। বড় ডিসপ্লেতে বেশ কিছু সুবিধাও রয়েছে বটে যেমন মুভি দেখা, গেমিং করা, ইউটিউব দেখা ইত্যাদির জন্য বড় ডিসপ্লেগুলোই উপযোগী। পাশাপাশি ডিসপ্লের রেজুলেশন হতে হবে হাই এক সময় মানুষ এইচডি পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকতো তবে বর্তমানে গেমিং কোয়ালিটি বাড়ার সাথে সাথে ৪কে রেজুলেশনের ডিসপ্লের দিকে মানুষ ঝুকে পরছে।

২। র‌্যাম: আমরা সকলেই জানি র্যাম যত বেশি হবে ফোনের পার্ফমেন্স ততই ভালো হবে। আগে ১-২ জিবি র্যা মই যথেষ্ট ছিল যে কোন ফোনের জন্য তবে বর্তমানে কিংবা ভবিষ্যৎতে এত কম র্যা ম ব্যবহার করে এত হাই কনফিগারেশনের এপ স্মূথলী রান করা সম্ভব হবে না তাই ভবিষ্যৎ ফোনগুলোর র্যাম কমপক্ষে ৪ জিবি হওয়া বাঞ্চনীয়।

৩। ওজন: যে কোন ফোনের ভ্রহনযোগ্যতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সহজে ক্যারি করার জন্য ফোনগুলো হওয়া চাই আরো বেশি হালকা ও পাতলা। তাই যেই মোবাইলই কিনুন না কেন সেটা যাতে অধিক ভারী না হয় সেই দিকে খেয়াল রাখা উচিত।

৪। ৩জি, ৪জি ও ৫জি: বর্তমানে ৩জি এর দিন আসতে আসতে ফুরিয়ে আসছে সব দিকেই ৪জির ছড়াছড়ি তাই আপনার ফোনে যাতে সেটি যথাযথ ভাবে সমর্থন করে সেই দিকেও খেয়াল রাখা উচিত পাশাপাশি ৫জি এর মোবাইল আপনাকে আর অনেক বছর উচ্চ গতি সম্পন্ন ডাটা আদান প্রদান করা নিশ্চয়তা দিবে।

৫। ব্যাটারি: একটি স্মার্টফোনে একই সাথে অনেকগুলো ফাংশন কাজ করায় এটির জন্য প্রচুর পাওয়ার দরকার হয় তাই যে কোন স্মার্টফোনের জন্য ব্যাটারি ব্যাকআপ না থাকা অতি কমন একটি বিষয়। তাই বেশিক্ষণ ব্যাটারি ব্যাকআপ চাইলে আগে থেকেই শক্তিশালী ব্যাটারির ফোন বাছাই করা উচিত তবে ব্যাটারির ক্ষমতা ৫০০০ এমএএইচআর এর হওয়া উত্তম।

৬। ফিঙ্গার প্রিন্ট ও ফেসলক: আমরা বর্তমানে অনেক ফোনেই ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেখতে পাই তবে সেগুলো সবই খুব দৃঢ় গতি তবে ভবিষ্যৎ ফোনগুলো অবশ্যই ফাস্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও ফেসলক সিস্টেম থাকা অত্যন্ত জরুরী ।

এক্ষেত্রে সকল ধরনের নতুন ও পুরাতন মডেলের মোবাইল ফোনের দাম জেনে নিতে পারবেন অনলাইন ওয়েবসাইট  থেকে।

এমআর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *