সোমবার ৬, ডিসেম্বর ২০২১
EN

মার্কিন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তালেবানের কুচকাওয়াজ

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে কুচকাওয়াজ চালিয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন তালেবান সরকার। এতে  মার্কিন বাহিনীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম প্রদর্শন করেছে গোষ্ঠীটি।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে কুচকাওয়াজ চালিয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন তালেবান সরকার। এতে  মার্কিন বাহিনীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম প্রদর্শন করেছে গোষ্ঠীটি।

রোববারের এই কুচকাওয়াজে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি সাঁজোয়া যানের পাশাপাশি রাশিয়ান হেলিকপ্টারও ব্যবহার করা হয় বলে রয়টার্স জানিয়েছে। 

খবরে বলা হয়, তালেবানের এ সামরিক কুচকাওয়াজে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি কয়েক ডজন এম-১১৭ সাঁজোয়া যান অংশ নেয়। মাথার ওপরে আকাশে মহড়া দেয় কয়েকটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার। অনেক সেনাকে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এম-৪ অ্যাসল্ট রাইফেল বহন করতে দেখা গেছে।

তালেবানের বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে তাড়াহুড়া করে কাবুল ত্যাগের কারণে সব সামরিক বিমান নিজ দেশে ফেরত নিতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বাহিনী আফগান ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপুল সামরিক শক্তিরও অধিকারী হয়েছে গোষ্ঠীটি। 

আফগান বাহিনীকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক সব সমরাস্ত্র এখন তালেবানের কব্জায়। এখন তাদের পরিত্যক্ত ১১ সামরিক ঘাঁটিসহ ন্যাটো সেনাদের ফেলে যাওয়া সব অস্ত্রই তালেবানের নিয়ন্ত্রণে।

তালেবান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এনায়েতুল্লাহ খাওরাজমি জানান, নতুন প্রশিক্ষিত ২৫০ সেনাসদস্যের গ্র্যাজুয়েশন উপলক্ষে এ কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, গত ২০ বছরে তারা আফগান বাহিনীর পেছনে খরচ করেছে ৮৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কিন্তু তাদের এ প্রশিক্ষণ ও অস্ত্রপাতি তালেবানের হামলার ঠেকাতে পারেনি বরং মার্কিন সেনাদের কাছে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্য তালেবানে যোগ দিয়েছে। 

দীর্ঘদিন ধরেই কালাশনিকভ ও একে-৪৭ এর মতো অস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে এসেছে তালেবান যোদ্ধারা। এখন তাদের হাতে শোভা পাচ্ছে এম-ফোর কার্বাইন এবং এম-১৬ এর মতো অত্যাধুনিক সব সমরাস্ত্র। 

শুধু যুদ্ধযান বা অস্ত্রই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের এ টুয়েন্টি নাইন সুপার টুকানো যুদ্ধবিমান, ব্ল্যাকহক, স্কাউট অ্যাটাক, স্ক্যানঈগল মিলিটারি ড্রোন’সহ দুই শতাধিক হেলিকপ্টার পেয়েছে তালেবান। এমনকি ভারতের এম-৩৫ হেলিকপ্টারও দখলে নিয়েছে তারা। 

এমআর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *