রবিবার ৩, জুলাই ২০২২
EN

মূল্যসূচকের ক্রমাবনতি, আস্থার সঙ্কটে বিনিয়োগকারীরা

টানা পতনের কবলে পড়েছে দেশের পুঁজিবাজার। মঙ্গলবার সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে এসেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাজার। এ নিয়ে টানা ৪ দিন মূল্যসূচকের ক্রমাবনতি ঘটেছে। একই

টানা পতনের কবলে পড়েছে দেশের পুঁজিবাজার। মঙ্গলবার সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে এসেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বাজার। এ নিয়ে টানা ৪ দিন মূল্যসূচকের ক্রমাবনতি ঘটেছে। একই সাথে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে সূচকের সঙ্গে কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা-অবিশ্বাস দেখা দিয়েছে। এতে পতন ধারা জেঁকে বসেছে। কিছুদিন চাঙ্গা থাকার পর আবারো নিরুত্তাপ বাজার। এ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরাও উৎসাহ হারিয়ে লেনদেনে অংশগ্রহণ কমিয়ে দিয়েছেন। আর অধিকাংশ শেয়ারের দরপতনে ক্রমাবনত মূল্যসূচক। আজকের মত সোমবারও এ দশা ছিল উভয় শেয়ারবাজারে। বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, মধ্যম ও বড় মূলধনি কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দর কমেছে সবচেয়ে বেশি। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অস্থিরতা দেখা যায়। এছাড়া কিছু দিন ধরে প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিশ্রেণীর বড় বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়িয়ে দিয়েছেন। রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানও অনেকটা নিষ্ক্রিয়। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় সূচকের উত্থানে শুরু হয় লেনদেন। যা কখনো উত্থান আবার কখনো পতনের পর অবশেষে সূচকের পতনেই শেষ হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স ১২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪৬৭১ পয়েন্টে। ডিএসইতে মোট ২৮৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৯২টি, কমেছে ১৫৪টি আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮টি কোম্পানির শেয়ারের। টাকার পরিমাণে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৪৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকার। সোমবার ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স অবস্থান করে ৪৬৮৪ পয়েন্টে। এদিন লেনদেন হয় ৩৪৪ কোটি ৬ লাখ ৬৬ হাজার টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। অর্থাৎ মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে ৪ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। নির্বাচন-পরবর্তী প্রায় এক মাস চাঙ্গাভাব ছিল বাজারে। ডিসেম্বরে হিসাব বছর শেষ হওয়া বড় মূলধনি কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দরে এ সময় দেখা গেছে ঊর্ধ্বগতি। বিশেষ করে আর্থিক খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক ছিল বেশি। বিনিয়োগকারীদের অনেকে প্রত্যাশা অনুযায়ী মুনাফাও করেছেন। তবে সামনের এক মাসে তেমন কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য না আসার সম্ভাবনা বেশি। কারণ ডিসেম্বরে হিসাব বছর শেষ হওয়া কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ-সংক্রান্ত ঘোষণা মার্চ থেকে দেয়া শুরু হয়। এতে দর সংশোধনের ধারায় পড়েছে বাজার-এমটিই মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্ট অনেকে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৯২০৯ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট ২১৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৬৭টির, কমেছে ১১৪টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টি কোম্পানির শেয়ারের। টাকার পরিমাণে মোট লেনদেন হয়েছে ৩২ কোটি ১৪ লাখ টাকার। সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্রড ইনডেক্স কমেছিল ২৯ পয়েন্ট। এদিন মোট লেনদেন হয় ৩৪৪ কোটি ৬ লাখ টাকার। [b]ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) // এমআর[/b]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *