শুক্রবার ৩, ডিসেম্বর ২০২১
EN

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে শ্রীলঙ্কাকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা

লক্ষ্যটা বড় নয়। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার দরকার ছিল ১৪৩ রান। এই রান তুলতেই খুব ধুঁকতে হয় প্রোটিয়াদের। এক পর্যায়ে মনে হয়েছিল, ম্যাচ থেকে ছিটকে যাবে তাঁরা। কিন্তু শেষ ওভারে খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেন ডেভিড মিলার। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কাকে চার উইকেটে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

লক্ষ্যটা বড় নয়। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার দরকার ছিল ১৪৩ রান। এই রান তুলতেই খুব ধুঁকতে হয় প্রোটিয়াদের। এক পর্যায়ে মনে হয়েছিল, ম্যাচ থেকে ছিটকে যাবে তাঁরা। কিন্তু শেষ ওভারে খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেন ডেভিড মিলার। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে শেষ পর্যন্ত শ্রীলঙ্কাকে চার উইকেটে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

হ্যাটট্রিক করেও শ্রীলঙ্কাকে বাঁচাতে পারেননি ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় লঙ্কানদের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কা—দুটি দলই এই নিয়ে তিনটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে। তিন ম্যাচের দুটিতে জয় পেয়েছে প্রোটিয়ারা। অন্যদিকে দুই হারের বিপরীতে একটিতে জয় পেয়েছে শ্রীলঙ্কা।

আজ শনিবার সুপার টুয়েলভে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে নয় উইকেটে ১৪২ রান করে শ্রীলঙ্কা। দলের হয়ে ৫৮ বলে সর্বোচ্চ ৭২ রান করেন নিশানকা। জবাব দিতে নেমে ১৯.৫ ওভারে জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়াদের হয়ে ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৪৬ বলে ৪৬ রান করেন অধিনায়ক বাভুমা।

শারজাহতে রান তাড়ায় শুরুতেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। চতুর্থ ওভারে পরপর দুটি উইকেট হারায়। দুষ্মন্ত চামিরার বলে কুইন্টন ডি কক ও রেজা হেনড্রিকস ফিরে যান সাজঘরে। প্রথমে ডি কককে নিজের বলে নিজেই ক্যাচ নিয়ে ফেরান চামিরা। ১০ বলে ১২ রান করে বিদায় নেন প্রোটিয়া ওপেনার। ওই ওভারেই আরেক প্রোটিয়া ওপেনারকে এলবির ফাঁদে ফেলেন তিনি। ১২ বলে ১১ রান করে বিদায় নেন হেনড্রিকস।

দুই ওপেনার ফেরার পর প্রতিরোধ গড়েন টেম্বা বাভুমা ও রাসি ফন ডার ডাসেন। অষ্টম ওভারে ভাঙে ওই জুটি। ১৬ রান করে ফেরেন রাসি ফন ডার ডাসেন। ফিরে যান অধিনায়ক বাভুমাও। অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের হারিয়ে বিপদেই পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এর মধ্যেই হ্যাটট্রিক করেন লঙ্কান বোলার হাসারাঙ্গা। তাঁর হ্যাটট্রিকের পর এক পর্যায়ে হারের শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা হতে দেননি রাবাদা ও ডেভিড মিলার। দুজনের ব্যাটে জয় তুলে নেয় প্রোটিয়ারা।

এর আগে সাবধানী ব্যাটিংয়ে ইনিংসের শুরুটা করে শ্রীলঙ্কা। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে কুশল পেরেরাকে ফিরিয়ে ওপেনিং জুটি ভাঙেন আনরিখ নর্কিয়ে। ১০ বলে ৭ রানে ফেরেন পেরেরা। প্রথম জুটিতে লঙ্কানরা স্কোরবোর্ডে তোলে ২০ রান। এরপরেই কমতে থাকে শ্রীলঙ্কার রানের গতি।

কুশল পেরেরা ফিরলে চারিথ আসালানকাকে সঙ্গে নিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন ওপেনার নিশানকা। এই জুটিতে আসে ৪০ রান। আসালানকাকে ২১ রানে রান আউট হলে ভাঙে এই জুটি।

মাঝে লঙ্কানদের মিডল অর্ডার নাড়িয়ে দেন তাবরাইজ শামসি। একে একে ফিরিয়ে দেন অভিষ্কা ফার্নান্দো, ভানুকা রাজাপাকসা ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে। দ্রুত ৫ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় লঙ্কানরা। সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করেন হাসারাঙ্গা। ওপেনিংয়ে নেমে ১৯ ওভার পর্যন্ত টিকে ছিলেন তিনি। তাঁর ব্যাটে ভর করেই নির্ধারিত ওভারে লড়াইয়ের পুঁজি পায় শ্রীলঙ্কা।

বল হাতে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ১৭ রান দিয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন শামসি। সমান তিনটি উইকেট নিয়েছেন ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস। দুটি উইকেট নিয়েছেন আনরিখ নর্কিয়ে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *