শুক্রবার ৩, ডিসেম্বর ২০২১
EN

‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ পেলো ওয়ালটন

‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০১৯’ পেলো ওয়ালটন। দেশের শিল্প খাতে বিশেষ অবদান রাখায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মর্যাদাকর ওই পুরস্কার দেয়া হয়েছে। হাই-টেক শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০১৯’ পেলো ওয়ালটন। দেশের শিল্প খাতে বিশেষ অবদান রাখায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মর্যাদাকর ওই পুরস্কার দেয়া হয়েছে। হাই-টেক শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর ২০২১) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ওই পুরস্কার দেয়া হয়। বেসরকারি খাতের সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে পঞ্চমবারের মতো রাষ্ট্রপতির নামে প্রবর্তিত এ পুরস্কার দিলো শিল্প মন্ত্রণালয়।

পুরস্কার হিসেবে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ১টি করে ক্রেস্ট এবং সম্মাননাপত্র দেয়া হয়। এ বছর ৬টি ক্যাটাগরিতে ওয়ালটনসহ ১৯টি প্রতিষ্ঠান ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ পেয়েছে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম. এ. মান্নান, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। সভাপতিত্ব করেন শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) গোলাম মুর্শেদ।

পুরস্কারপ্রাপ্তিতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, শিল্প মন্ত্রণালয়সহ সরকারকে ধন্যবাদ জানান গোলাম মুর্শেদ। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু অর্থনৈতিক মুক্তির যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তার সফল বাস্তবায়ন করছেন তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গত ১২ বছর ধরে আমরা বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে আসছি। দেশের উন্নয়নের অন্যতম উদাহরণ ওয়ালটন। যেখানে ৩০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে।

ইলেকট্রনিক্স খাতে আমদানির্ভর দেশ থেকে বাংলাদেশ উৎপাদন এবং রপ্তানিমুখী দেশে পরিণত হয়েছে। চলতি বছর ওয়ালটন ১৪ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।

২০২৫ সালের মধ্যে ইলেকট্রনিক্স খাতে ১ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য নিয়েছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এটা সম্ভব হতো না।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি আরো বলেন, এসডিজির নবম লক্ষ্য হলো শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো। বাংলাদেশের বেসরকারি শিল্পখাতের উদ্যোক্তাগণ এখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তারা বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন।

২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি এবং ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী যে লক্ষ্য নিয়েছেন, বরাবরের মতো সরকারি সহায়তা অব্যাহত থাকলে তা অর্জনে বেসরকারি খাত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

সর্বোপরি সরকার এবং দেশের সকল পর্যায়ের ক্রেতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ওয়ালটনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

এমআর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *