শুক্রবার ৩, ডিসেম্বর ২০২১
EN

লজ্জার হারে শেষ হলো বাংলাদেশের বিশ্বকাপ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল হতাশা দিয়ে। শেষটাও হলো সেভাবেই। সুপার টুয়েলভে জয়হীন থেকেই শেষ হলো বাংলাদেশের বিশ্বকাপ অভিযান। আজ বুধবার বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার সামনে স্রেফ উড়ে গেছে বাংলাদেশ। আট উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারের লজ্জা নিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল মাহমুদউল্লাহর দল।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল হতাশা দিয়ে। শেষটাও হলো সেভাবেই। সুপার টুয়েলভে জয়হীন থেকেই শেষ হলো বাংলাদেশের বিশ্বকাপ অভিযান। আজ বুধবার বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার সামনে স্রেফ উড়ে গেছে বাংলাদেশ। আট উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারের লজ্জা নিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল মাহমুদউল্লাহর দল।

দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাট করে ১৫ ওভারে ৭৩ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে কেউই ২০-এর ঘর পার করতে পারেননি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৮ বলে ১৯ রান করেছেন শামীম হোসেন। ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম করেছেন ১৭ রান। আর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ করেছেন ১৬ রান।

রান তাড়া করতে নেমে ৮২ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২০ বলে ৪০ রান করেন অ্যারন ফিঞ্চ। ১৪ বলে ১৮ রান করেন ডেভিড ওয়ার্নার। ১৬ রান করেন মিচেল মার্শ। এই জয়ের মাধ্যমে নিজেদের সেমিফাইনালের আশা আরও জোরদার করল অ্যারন ফিঞ্চের দল।

এদিন ইনিংসের শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। প্রথম ওভারেই হতাশ করেন ওপেনার লিটন দাস। মিচেল স্টার্কের ফুল লেংথের বলটি জায়গায় দাঁড়িয়ে ব্যাট দিয়ে থামানোর চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে যায় স্টাম্পে। গোল্ডেন ডাকেই ফিরে যান ডানহাতি ওপেনার।

ওয়ানডাউনে নেমে টিকতে পারলেন না সৌম্য সরকারও। দ্বিতীয় ওভারে আউট হন বাঁহাতি এই ব্যাটার। জশ হেইজেলউডের লেংথ বলে জায়গায় দাঁড়িয়ে থার্ডম্যানে খেলার চেষ্টা করেন সৌম্য। কিন্তু একটু বাড়তি লাফানো বল ব্যাটে লেগে চলে যায় স্টাম্পে। ৮ বলে ৫ রান করেন সৌম্য।

দলের বিপর্যয়ের দিনে হতাশ করলেন মুশফিকুর রহিমও। তিন ওভারে মুশফিকসহ তিন উইকেট তুলে নেয় অস্ট্রেলিয়া। ম্যাক্সওয়েলের সাদামাটা একটি ডেলিভারিতে ফ্লিক করার চেষ্টা করেন মুশফিক। কিন্তু লাইন মিস করেন, বল লাগে প্যাডে। সঙ্গে সঙ্গে আবেদন তোলেন অস্ট্রেলিয়ানরা।  আবেদনে সাড়াও দেন আম্পায়ার। রিভিউ নেননি মুশফিক। ফিরে যান ১ রানেই।

বাকিদের আশা-যাওয়ার মিছিলে কিছুটা আশা জাগিয়েছিলেন নাঈম। কিন্তু সেটাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দিল না অসিরা। ষষ্ঠ ওভারেই নাঈমকে নিজের শিকার বানান হেইজেলউড। অসি তারকার লেংথ ডেলিভারিতে স্লগের মতো করে পুল করার চেষ্টা করেন নাঈম। কিন্তু টাইমিং ঠিক হয়নি। তাঁর ব্যাটে লেগে বল চলে যায় স্কয়ারলেগে। সেখানে থাকা প্যাট কামিন্স ক্যাচ নিতে ভুল করলেন না।

পাওয়ার প্লে তে খুব বাজে কেটেছে বাংলাদেশ। এরপর চাপ কাটিয়ে আর উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। উইকেটে এসেই ফিরে যান ধারাবাহিক ব্যর্থ হওয়া আফিফ হোসেন। শূন্যতে তাঁকে আউট করেন অ্যাডাম জাম্পা। একইভাবে গোল্ডেন ডাকে মেহেদীকেও ফিরিয়ে দেন তিনি।

নিয়মিত উইকেট হারানোর মিছিলে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন শামীম হোসেন ও মাহমুদউল্লাহ। সেটিও বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না। সেট হয়ে দুজনেই ফেরেন সাজঘরে। চরম ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে ৭৩ রানে থেমে যায় বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বল হাতে ১৯ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৫টি উইকেট নেন অ্যাডাম জাম্পা। দুটি করে নেন মিচেল স্টার্ক ও হেইজেলউড। একটি উইকেট নেন ম্যাক্সওয়েল।

এমআর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *