মঙ্গলবার ৩০, নভেম্বর ২০২১
EN

শীতে ঠোঁটের যত্নে যা করণীয়

ঠোঁট ফাটা এমন একটি সাধারণ সমস্যা, যার জন্য চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার তেমন কোনো প্রয়োজন হয় না

শীতের আগমন প্রথমেই টের পায় আমাদের ত্বক। এদিক থেকে ঠোঁটে টান টান বোধ হয় সবার আগে। সতর্ক না হলে চামড়া ফেটে রক্ত পর্যন্ত বেরিয়ে আসতে পারে। প্রথমেই দেহের ভিতর থেকে ঠোঁটের পুষ্টি যোগাতে হবে।

দেহের ত্বকের মতো ঠোঁটেরও হাইড্রেশন দরকার। তাই শীতের অলসতায় পানি খাওয়া কমিয়ে দেওয়া যাবে না। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি, ফল ও সবজি খেতে হবে।

শীতের ঠান্ডা হাওয়া ছাড়াও আরও কিছু বিষয় আছে, যা ঠোঁট ফাটাকে ত্বরান্বিত করে বা বাড়িয়ে দেয়। যেমন বারবার জিব দিয়ে ঠোঁট চাটার অভ্যাস, ধূমপান, পুষ্টিহীনতা ও ভিটামিনের অভাব, প্রখর সূর্যের তাপ ও পানিশূন্যতা, রেটিনয়েড-জাতীয় ওষুধ সেবন। বিভিন্ন চর্মরোগ—যেমন চিলাইটস ও পরিপাকতন্ত্রের রোগ আছে, তাঁদেরও বেশি ঠোঁট ফাটে।

কী করবেন ঠোঁট ফাটলে?

ঠোঁট ফাটা এমন একটি সাধারণ সমস্যা, যার জন্য চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার তেমন কোনো প্রয়োজন হয় না। কিছু বিষয়ে সচেতনতা থাকলে নিজেরাই এই সমস্যার সমাধান করা যায়। যেমন:

*এই আবহাওয়ায় নিয়মিত লিপ বাম, পেট্রোলিয়াম জেলি ইত্যাদি ব্যবহার করুন।

*প্রতিদিন পানিশূন্যতা রোধে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করবেন।

*খুব ঠান্ডা হাওয়া থেকে মুখ বাঁচাতে স্কার্ফ পরতে পারেন।

*প্রখর সূর্যালোকে বের হওয়ার সময় অবশ্যই সানব্লক ব্যবহার করবেন।

*শীতের দিনে ঠোঁটে প্রসাধনী যেমন: লিপস্টিক ব্যবহার করতে সতর্ক হোন। এগুলো যেন বেশি শুষ্ক বা ম্যাট না হয়।

*জিব দিয়ে ঠোঁট ভেজানোর চেষ্টা করবেন না বা ঠোঁটের চামড়া টেনে ওঠাবেন না।

এ সময় আরও একটি সমস্যা—সেটা হলো পা ফাটার কষ্ট। কারও কারও এই পা ফাটা এত বেশি হতে পারে যে রক্ত বেরোয় এবং ফাটা অংশ দিয়ে জীবাণু প্রবেশ করে পায়ে ঝুঁকিপূর্ণ সংক্রমণ করতে পারে।

এএস

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *