শুক্রবার ৩, ডিসেম্বর ২০২১
EN

সাংবাদিক হাফেজ আহমাদ উল্লাহর ইন্তেকাল

দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সাবেক সিনিয়র সহ-সম্পাদক হাফেজ আহমাদ উল্লাহ ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজেউন)।

দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সাবেক সিনিয়র সহ-সম্পাদক হাফেজ আহমাদ উল্লাহ ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজেউন)।

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ৫মিনিটে রাজধানীর হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর।

আহমাদ উল্লাহর ছেলে সুচয়ন শামস এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিক আহমাদ উল্লাহ কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। শেষদিকে তার দুটি কিডনি অকেজো হয়ে যায়। গত কয়েক দিন ধরে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এ গুণী সাংবাদিক। অবশেষে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন।

আহমাদ উল্লাহর বড় ছেলে খৈয়াম জানিয়েছেন, আজ (২৫ ফেব্রুয়ারি) বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় জানাজা শেষে আজিমপুরে মরহুমকে দাফন করা হবে।

হাফেজ আহমাদ উল্লাহ দৈনিক যুগান্তরের শুরু থেকেই পত্রিকাটির সঙ্গে ছিলেন। ২১ বছরের বেশি সময় তিনি যুগান্তরের ‘ইসলাম ও জীবন’ পাতাটি সম্পাদনা করেন। এর বাইরেও দীর্ঘদিন 'ঢাকা আমার ঢাকা' ও 'পরবাস' পাতার দায়িত্বে ছিলেন।

তিনি ছিলেন- হাফেজ, সুফি গবেষক, সাংবাদিক, কথাসাহিত্যক, ছড়াকার, লেখক। সংবাদপত্রে ইসলামি ফিচারের জনক তিনি।

আহমাদ উল্লাহর জন্ম ০১ নভেম্বর ১৯৫৮ নরসিংদীতে। তিনি কুরআনের হাফেজ ছিলেন এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন।

ছড়াকার হিসেবেও তার পরিচিতি ছিল। তার প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে- ১. বকলম (১৯৮৩) ২. ইনুনি বিনুনি (১৯৮৬) ৩. কাঁচাগাব পাকাগাব (১৯৯০) ৪. আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা (১৯৯২) ৫. পাঁচ কুড়ি ছড়া (১৯৯৭) ৬. চিরদিনের রূপবান (১৯৯০) ৭. হারিয়ে যেতে নেই মানা (১৯৮৮) ৮. রাজাকারের কেচ্ছা (১৯৯০)।

এছাড়া পঞ্চম জাতীয় সংসদ সদস্য প্রামাণ্যগ্রন্থটি (১৯৯২) তিনি সম্পাদনা করেন।

এমবি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *