সোমবার ২৭, জুন ২০২২
EN

স্বাধীনতার ৫০ বছরেও গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য মানুষ সংগ্রাম করছে : ড. রেজাউল করিম

স্বাধীনতার ৫০ পরও আমাদেরকে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে। অথচ সাম্য, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্রই ছিল আমাদের স্বাধীনতার অন্যতম চেতনা।

জামায়াত.jpg

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, স্বাধীনতার ৫০ পরও আমাদেরকে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে। অথচ সাম্য, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্রই ছিল আমাদের স্বাধীনতার অন্যতম চেতনা।

তাই মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী জাতীয় বীরদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন ও মহান বিজয়কে টেকসই ও অর্থবহ করতে হলে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের কোন বিকল্প নেই।

তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে শাহাদাতবরণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং শহীদ পরিবার ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সমবেদনা জানান।

তিনি আজ রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের বিমানবন্দর থানা আয়োজিত মহান বিজয় বিদস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

থানা আমীর এ্যাডভোকেট ইব্রাহিম খলিলের সভাপতিত্বে ও থানা সেক্রেটারি সুজারুল হক সুজনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরা পূর্ব জোন পরিচালক জামাল উদ্দীন, থানা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ এনামুল হক শিপন, জামায়াত নেতা আব্দুর রহীম সাব্বির ও মাহবুবুল ইসলাম দিদার প্রমূখ।

ড. রেজাউল করিম বলেন, সরকার অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করার জন্যই দেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংস করে দিয়েছে। হত্যা, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, গুম, অপহরণ, গুপ্তহত্যা ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাÐ এখন রাষ্ট্রাচারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে জনগণের জানমালের নিরাপত্তার পরিবর্তে ব্যাপকভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। মার্কিন যুক্তিরাষ্ট্র কর্তৃক সাবেক সেনাপ্রধানস আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা সেদিকেই অঙ্গলী নির্দেশ করে।

যা আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের সম্মানহানী ঘটিয়েছে। তাই দেশের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে হলে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প নেই। তিনি গণপ্রতিনিধিত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠায় একদফা আন্দোলনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক, সুখী, সমৃদ্ধ, শোষণ ও বঞ্চনামুক্ত সমাজই স্বাধীনতার ইপ্সিত লক্ষ্য। কিন্তু মহল বিশেষের ক্ষমতালিপ্সা, অপরাজনীতি ও অহমিকার কারণে সে প্রত্যাশা আজও পূরণ হয়নি।

সাম্যের পরিবর্তে বিভক্তি, গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র, আইনের শাসনের নামে জুলুম-নির্যাতন, সামাজিক ন্যায়বিচারের পরিবর্তে সীমাহীন বৈষম্যের ফলে দেশের মানুষ রাষ্ট্রের কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। যা কোন স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য হতে পারেনা। তাই কাক্সিক্ষত স্বাধীনতা ও মহান বিজয়কে অর্থবহ করতে হলে দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে।

আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন। ( প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

এইচএন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *