সোমবার ১৭, জানুয়ারী ২০২২
EN

সোমবার পঞ্চম দফা উপজেলা নির্বাচন

চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ আগামী সোমবার অনুষ্ঠিত হবে। গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলাসহ মোট ৩৬ জেলার ৭৩ উপজেলায় এরই মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ সব উপজেলায় নির্বাচনী উপকরণ পাঠানো শেষ করেছে ইসি।

চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ আগামী সোমবার। গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলাসহ মোট ৩৬ জেলার ৭৩ উপজেলায় এরই মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ সব উপজেলায় নির্বাচনী উপকরণ পাঠানো শেষ করেছে ইসি। এদিকে বিগত চারটি নির্বাচনে সহিংসতা, গুলি, ছিনতাই, কেন্দ্র দখলসহ নানা ঘটনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায়। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে শুক্রবার মধ্যরাত থেকে মাঠে নামছে সেনাবাহিনী। তাদের সঙ্গে থাকছে পর্যাপ্ত সংখ্যক র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটেলিয়ানের সদস্য। শনিবার মধ্যরাতেই (রাত ১২টা) শেষ হবে মিছিল-মিটিংসহ সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা। পাশাপাশি  বন্ধ হবে সব ধরনের যান চলাচল। ইসি সূত্র জানায়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন দলীয় ব্যানারে না হলেও দলীয় প্রভাব রয়েছে সবখানেই। আওয়ামী লীগ-বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের পছন্দ মতো প্রার্থী দিয়েছে। রয়েছে প্রধান দু'টি দলেরই অসংখ্য বিদ্রোহী প্রার্থী। নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে। নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের অনেক অভিযোগ জমা হলেও ইসি এ বিষয়ে একেবারেই নিশ্চুপ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচনী এলাকায় ভোটগ্রহণ উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী সোমবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে টানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। নির্বাচন কমিশন পঞ্চম দফায় ৭৫টি উপজেলার তফসিল ঘোষণা করলেও সোমবার ভোট হবে ৩৫ জেলার ৭৩টি উপজেলায়। টাঙ্গাইল-৮ আসনে উপ-নির্বাচনের কারণে বাসাইল উপজেলা এবং ঠাকুরগাও সদরের নির্বাচন আদালতের আদেশে স্থগিত করে ইসি। পরবর্তী ধাপে এ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া তৃতীয় দফায় স্থগিত গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা নির্বাচনের ভোট হবে একই দিন। এ বিষয়ে ইসি সচিবালয়ের সহকারী সচিব আশফাকুর রহমান জানান, নির্বাচনের ৩২ ঘণ্টা পূর্বে সব প্রচার-প্রচারণা বন্ধ থাকবে। তা অব্যাহত থাকবে নির্বাচনের পর ৬৪ ঘণ্টা পর্যন্ত। কেউ আইন ভঙ্গ করলে কারাদণ্ড ও আর্থিক দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এমনকি প্রার্থিতাও বাতিল হবে। এ নির্বাচনে মোবাইল ফোর্স হিসেবে পর্যাপ্ত সংখ্যক র‌্যাব, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকছে। এ ছাড়া প্রতি কেন্দ্রে এক জন পুলিশ (অস্ত্রসহ), অঙ্গীভূত আনসার একজন (অস্ত্রসহ), অঙ্গীভূত আনসার ১০ জন (নারী-৪, পুরুষ-৬ জন) এবং আনসার একজন (লাঠিসহ) ও গ্রামপুলিশ একজন করে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবে। পার্বত্য এলাকা, দ্বীপাঞ্চল ও হাওর এলাকায় এ সংখ্যা শুধু পুলিশের ক্ষেত্রে দু’জন হবে। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে ২৯৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৭৪ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। ৭৪টি উপজেলায় মোট ১ হাজার ৬৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন ৩৬৪ জন। ভাইস-চেয়ারম্যান (পুরুষ) প্রার্থীর সংখ্যা ৪২০ জন। ভাইস-চেয়ারম্যান (মহিলা) প্রার্থীর সংখ্যা-২৭৯ জন। এ সব এলাকায় মোট ভোটার ১ কোটি ৪২ লাখ ৬০ হাজার ৬৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭১ লাখ ১৫ হাজার ৩৮০ জন, নারী ভোটার ৭১ লাখ ৪৫ হাজার ২৮৩ জন। ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৫ হাজার ৭০৩টি, ভোটকক্ষ ৩৫ হাজার ৯৪১টি। প্রিজাইডিং অফিসার প্রতি ভোটকেন্দ্রে এক জন করে ৫ হাজার ৭০৩ জন। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার প্রতি ভোটকক্ষের জন্য একজন করে মোট ৩৫ হাজার ৯৪১ জন। পোলিং অফিসার সংখ্যা ৭১ হাজার ৮৮২ জন ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে ১ লাখ ১৩ হাজার ৫২৬ জন দায়িত্ব পালন করবেন। [b]ঢাকা, এএ, ২৯ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম)// এসআর[/b]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *