সোমবার ১৭, জানুয়ারী ২০২২
EN

সহস্রাধিক গার্মেন্টসে নেই অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা, ঘুষে মেলে সেফটি লাইসেন্স

যথাযথ অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা নেই রাজধানীসহ আশপাশের এলাকার সহস্রাধিক গামের্ন্টস ফ্যাক্টরী ও অন্যান্য কল-কারখানায়। এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকরা মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে ফায়ার সেফটির লাইসেন্স সংগ্রহ ও নবায়ন করছে। এমটাই বেরিয়ে এসেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রাথমিক অনুসন্ধানে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে কারখানাগুলো সরেজমিন পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক

যথাযথ অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা নেই রাজধানীসহ আশপাশের এলাকার সহস্রাধিক গামের্ন্টস ফ্যাক্টরী ও অন্যান্য কল-কারখানায়। এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকরা মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে ফায়ার সেফটির লাইসেন্স সংগ্রহ ও নবায়ন করছে। এমটাই বেরিয়ে এসেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রাথমিক অনুসন্ধানে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে কারখানাগুলো সরেজমিন পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর এলাকার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের অয়্যার হাউজ পরিদর্শক খন্দকার সানাউল হক ৫ থেকে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে গামের্ন্টস ফ্যাক্টরী ও অন্যান্য কলকারখানার ফায়ার সেফটির লাইসেন্স দিয়েছেন মর্মে অভিযোগ জমা হয়েছে দুদকে। বিষয়টি আমলে নিয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক। এরইমধ্যে একজন উপ-পরিচালক অনুসন্ধানী কার্যক্রম শুরু করেছেন। তিনি সানাউল হকের দায়িত্বকালে কতগুলো প্রতিষ্ঠানকে নতুন লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন করা হয়েছে তার তালিকা চেয়ে চিঠিও পাঠিয়েছেন। ওই চিঠির পর ফায়ার সার্ভিস ১২ শতাধিক প্রতিষ্ঠানের তালিকা সরবরাহ করেছে দুদকে। এর মধ্য থেকে লাইসেন্স গ্রহণকারী কিছু প্রতিষ্ঠান মালিককে তলব করে দুদক। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, সাভার, টঙ্গি ও গাজীপুর এলাকার সহস্রাধিক প্রতিষ্ঠান ঘুষের বিনিময়ে ফায়ার সেফটির লাইসেন্স নিয়েছেন। অগ্নি নির্বাপণ ক্ষমতা অর্জন না করেই তারা এ লাইসেন্স সংগ্রহ করেছে। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে কারখানাগুলোর শ্রমিকদের। নাম না প্রকাশের শর্তে দুদকের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানেই ফায়ার সেফটির লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়নের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতির বিষয়টি বেরিয়ে এসেছে। এ প্রেক্ষিতে ফায়ার সার্ভিস এ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ইন্সপেক্টর এবং কল-কারখানার মালিকদের তলব করা হচ্ছে দুদকে। সুষ্ঠু অনুসন্ধান প্রক্রিয়ার স্বার্থে দুদক গামের্ন্টস ফ্যাক্টরীসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে সরেজমিন পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়ে দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. নাসির উদ্দীন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, দুদকের জনবলের স্বল্পতা রয়েছে। তবে কিছু প্রতিষ্ঠান সরেজমিন পরিদর্শনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কারখানার দুর্নীতি সামান্য মনে হলেও শ্রমিকদের জীবনের ঝুঁকি অনেক বেশি। দুর্নীতির সঙ্গে এখন মানুষের নিরাপত্তার প্রশ্নটি  জড়িয়ে গেছে। রানা প্লাজা, তাজরীণ গার্মেন্টসের মতো ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির কথা অনেকেরই জানা। [b]ঢাকা, একে, ১৭ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর//এসআর[/b]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *