শনিবার ২৯, জানুয়ারী ২০২২
EN

হজের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আজ

লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক ...লা-শারিকা লাক ধ্বনি। পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান সৌদি আরব এসে উপস্থিত হয়েছেন।

লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক ...লা-শারিকা লাক ধ্বনি। পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান সৌদি আরব এসে উপস্থিত হয়েছেন। বাংলাদেশ থেকেও হজযাত্রীদের শেষ ফ্লাইটের যাত্রীরা এখন মক্কায় অবস্থান করছেন।

হজ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার মিনার উদ্দেশে রওনা হবেন হজযাত্রীরা। মসজিদুল হারাম থেকে প্রায় নয় কিলোমিটার দূরে মিনার অবস্থান। ৭ থেকে ১২ জিলহজ এই কয়দিন মিনা, আরাফাহ এবং মুজদালিফায় অবস্থান করবেন তাঁরা।

তাবু নগরী মিনা নজিরবিহীন নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলেছে সৌদি নিরাপত্তা রক্ষীরা। সারা পৃথিবীর ২০ লাখের বেশি মুসলমান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর নিজ নিজ আবাস এবং মসজিদুল হারাম থেকে ইহরাম বেঁধে মক্কা থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে মিনার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। এর মাধ্যমে সূচনা হবে মুসলমানদের অন্যতম ফরজ ইবাদত পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা। মিনায় যাত্রার মধ্য দিয়ে হজ পালনের সূচনা হয়; যা শেষ হবে ১২ জিলহজ শয়তানকে পাথর মেরে।

হজ পালনকারীদের জন্য মিনায় অবস্থান করা সুন্নত। দীর্ঘ যানজট এড়াতে অনেকে মিনায় যাবেন পায়ে হেঁটে। অন্যান্য দেশের হাজিদের মতো বাংলাদেশের ১ লাখ ২৬ হাজার হাজিও রওয়ানা হবেন মিনার পথে।

আগামীকাল ৯ আগস্ট (শুক্রবার) সারাদিন মিনায় অবস্থান করে সেদিন রাতে ও প্রত্যুষে আরাফাতের ময়দানের দিকে যাত্রা করবেন তারা। ১০ আগস্ট (শনিবার) আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে হজের খুত্বা দেওয়া হবে। হজের খুত্বা শেষে জোহর ও আসরের নামাজ পড়বেন হাজিরা।

সেদিন সূর্যাস্তের পর আরাফাত থেকে মুজদালিফায় যাবেন। সেখানে গিয়ে তারা মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করবেন।মুজদালিফায় খোলা আকাশের নিচে সারারাত অবস্থানের পর শয়তানের স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রস্তুতি নেবেন হাজিরা।

ঐদিন ফজরের নামাজ শেষে বড়ো জামারায় (প্রতীকী বড়ো শয়তান) পাথর নিক্ষেপ করতে মিনায় যাবেন তারা। পাথর নিক্ষেপ শেষে পশু কোরবানি দেবেন তারা। মূলত ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে অবস্থানের দিনকেই হজের দিন বলা হয়। এদিনের নাম—ইয়ামুল আরাফা।

ইসলামের বিধান মোতাবেক, ১০ জিলহজ মিনায় প্রত্যাবর্তনের পর হাজিদের পর্যায়ক্রমে চারটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়। শয়তানকে (জামারা) পাথর নিক্ষেপ, আল্লাহর উদ্দেশে পশু কোরবানি (অনেকেই মিনায় না পারলে মক্কায় ফিরে গিয়ে পশু কোরবানি দেন), মাথা ন্যাড়া করা এবং তাওয়াফে জিয়ারত।

মিনায় হাজিদের সহায়তার জন্য ২৪/৬২ নম্বর তাঁবুতে পাঁচ দিনব্যাপী বাংলাদেশ হজ কার্যালয়ের কার্যক্রম চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এএস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *