মঙ্গলবার ২৫, জানুয়ারী ২০২২
EN

৫০ বছরের মধ্যেই মানুষ চাঁদে বসতি গড়বে

আগামি ৫০ বছরের মধ্যেই মানুষ চাঁদে বসতি গড়বে জানিয়ে আরও একবার বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলেন স্টিফেন হকিং! এই ব্যাপারে তিনি যে বেশ আত্মবিশ্বাসী শুধু তাই নয়, আধুনিক বিজ্ঞান যে হারে লাফিয়ে লাফিয়ে অগ্রসর হচ্ছে তা নিয়ে বেশ আশা প্রকাশ করে এই মহাকাশবিজ্ঞানী।

আগামি ৫০ বছরের মধ্যেই মানুষ চাঁদে বসতি গড়বে জানিয়ে আরও একবার বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিলেন স্টিফেন হকিং! এই ব্যাপারে তিনি যে বেশ আত্মবিশ্বাসী শুধু তাই নয়, আধুনিক বিজ্ঞান যে হারে লাফিয়ে লাফিয়ে অগ্রসর হচ্ছে তা নিয়ে বেশ আশা প্রকাশ করে এই মহাকাশবিজ্ঞানী। এসময় তিনি আরও জানিয়েছেন, ২১০০ সাল নাগাদ মঙ্গলগ্রহেও মানুষ বসবাস করতে শুরু করবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি! মানুষ যখন প্রথমবার চাঁদে পা রেখেছিল তখন বলা হয়েছিল যে মুহূর্তের মধ্যে বিজ্ঞান অনেক বেশি এগিয়ে গেছে, এতটাই যে বৈজ্ঞানিক সাফল্যের দিক থেকে চাঁদে মানুষের প্রথম পায়ের ছাপকে এক বিশাল দৈত্যাকৃতির পদক্ষেপের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছিল। কিন্তু মহাকাশ নিয়ে স্টিফেন হকিং যা সব পরিকল্পনা করতে শুরু করেছেন তা দেখে মনে হচ্ছে, আসলে চাঁদে মানুষের প্রথম পা পড়াটা নিছকই সাফল্যের শুরু ছিল! তবে অধ্যাপক হকিং এও জানিয়েছেন যে, যদি মানুষ এই সময়ের মধ্যে নতুন গ্রহে বসতি গড়ার ব্যাপারে সাফল্য লাভ করতে না পারে তাহলে পৃথিবী এতটাই ঘন জনবসতিপূর্ণ হয়ে উঠবে যে শুধু এই পৃথিবীই নয়, পুরো মানবজাতির অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়ে যাবে। রোববার যুক্তরাজ্যভিত্তিক চ্যানেল ফোরে মহাকাশ বিষয়ক সরাসরি প্রচারিত একটি অনুষ্ঠানে ৭২ বছর বয়স্ক এই বিজ্ঞানী বলেন, “আমাদের গ্রহ অনেক পুরোনো হয়ে গিয়েছে। বয়েসের ভারে জর্জরিত এই গ্রহে একে তো প্রাকৃতিক সম্পদ ফুরিয়ে আসছে, তার উপর অতিরিক্ত মানুষের চাপও বহন করতে হচ্ছে পৃথিবীকে। কাজেই এই বিষয়গুলো আগে থেকে মাথায় রেখে কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই আমাদের ‘প্ল্যান বি’ চিন্তা করতে হবে।” তিনি বলেন, “যদি এই মানবজাতি আরো শত বছর পরেও তাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারে, তাহলে এই শত বছরের সময়কে আরো বাড়িয়ে কেন আমরা সহস্র বছরে বাড়াবো না? সেজন্যই মহাকাশের অন্ধকার খুঁড়ে বেড়াতে আমরা বাধ্য, যেন মহাজগৎ চষে বেড়ানোর মাধ্যমে আমরা নতুন পৃথিবী খুঁজে বের করে সেখানে মানুষের জন্য নতুন বসতি স্থাপন করতে পারি।” এই ঘটনাটি যে এই শতকেই ঘটানো সম্ভব তা নিয়ে জোরালো আশাবাদ ব্যক্ত করে হকিং বলেন, “এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে সঠিক পথে এগোলে মানবজাতির ইতিহাসে এই সময়টিকে ‘ট্রু স্পেস এজ’ অর্থাৎ মহাকাশে বিপ্লবের সময় হিসেবে আখ্যায়িত করলে খুব একটা বাড়িয়ে বলা হবে না!” সূত্র: ডেইলি মেইল [b]ঢাকা, ১৯ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *