শনিবার ৪, ডিসেম্বর ২০২১
EN

৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য হচ্ছে আলাদা টিকাকেন্দ্র

ঢাবি অধিভুক্ত রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের টিকার জন্য আলাদা টিকাকেন্দ্র খোলা হচ্ছে ৷ অধিভুক্ত সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আলাদা টিকাকেন্দ্র করতে ঢাকা জেলা সিভিল সার্জনকে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৷

ঢাবি অধিভুক্ত রাজধানীর সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের টিকার জন্য আলাদা টিকাকেন্দ্র খোলা হচ্ছে ৷ অধিভুক্ত সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আলাদা টিকাকেন্দ্র করতে ঢাকা জেলা সিভিল সার্জনকে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৷

গত ৭ অক্টোবর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ও লাইন ডাইরেক্টর (এমএনসিএন্ডএএইচ) ও কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য সচিব ডা. মো. শামসুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সিনোফার্ম কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন ও লজিস্টিক তোজগাঁও থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নিয়মিতভাবে বরাদ্দ দেওয়ার জন্য ঢাকা জেলা সিভিল সার্জনকে অনুরোধ করা হয়।

এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ ও ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের সমন্বয়ক অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার সাত কলেজের ২ লাখ ৫০ হাজার শিক্ষার্থীর টিকা কার্যক্রমের আওতায় আনতে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ ও সরকারি বাঙলা কলেজে টিকাকেন্দ্র স্থাপনের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকে চিঠি দেন ৷ ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই এ ব্যবস্থা নেয়া হলো।

সাত কলেজের সমন্বয়ক ও ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও আমি চিঠি পাইনি। আগামীকাল এ বিষয়ে সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথা বলবো, যাতে দ্রুত টিকা কার্যক্রম শুরু করা যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান বলেন, আমরা এটা নিয়ে কাজ শুরু করেছি। সাত কলেজের তো অনেক শিক্ষার্থী, আমরা বড় একটি জায়গা খুঁজছি, যেখানে কেন্দ্র করতে পারবো ৷ সাত কলেজে আলাদা কেন্দ্র করার জনবল নেই তাই নির্দিষ্ট একটি কেন্দ্র থেকে এসব শিক্ষার্থীকে টিকা নিতে হবে ৷ এই কেন্দ্র থেকে শুধু সাত কলেজের শিক্ষার্থীরাই টিকা নেবেন।

সিভিল সার্জন আরও বলেন, যেসব শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তাদের জন্য জন্মনিবন্ধন সনদের মাধ্যমে টিকার ব্যবস্থা করতে কাজ চলছে। আগামী ছয়-সাতদিনের মধ্যে টিকা কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

এমআর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *