শুক্রবার ৩, ডিসেম্বর ২০২১
EN

৮৪ রানেই শেষ বাংলাদেশের ইনিংস

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে আরও একটি লজ্জার রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ দল। সপ্তম আসরের ৩০তম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৮.২ ওভারে ৮৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে আরও একটি লজ্জার রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ দল। সপ্তম আসরের ৩০তম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৮.২ ওভারে ৮৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।  

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টাইগাদের এটা তৃতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগে ২০১৬ সালের ২৬ মার্চ ভারতের কলকাতায় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৫.৪ ওভারে ৭০ রানেই অলআউট হয় বাংলাদেশ।

তারও আগে ২০০৭ সালে শ্রীলংকার বিপক্ষে ১৫.৫ ওভারে ৮৩ রানে অলআউট হয় টাইগাররা।  

মঙ্গলবার টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা পেসার কাগিসো রাবাদার গতির মুখে পড়ে একে একে সাজঘরে ফেরেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ, সৌম্য সরকার ও মুশফিকুর রহিম।  প্রথম ৩ ওভারে ১৪ রানে টাইগারদের প্রথম সারির ৩ ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরান রাবাদা। 

এরপর বাংলাদেশ শিবিরে আঘাত হানেন পেসার আনরিচ নর্টজে। তার শিকার হয়ে ফেরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। 

১২তম ওভারে প্রথম বোলিংয়ে এসে টাইগার শিবিরে আঘাত হানেন প্রোটিয়া লেগ স্পিনার তাবরিজ শামসি। তার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ওপেনার লিটন দাস।  দলীয় ৪৫ রানে ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরার আগে ৩৬ বলে ২৪ রান করেন লিটন। 

এরপর ১৬তম ওভারের দ্বিতীয় বলে শামসির শিকার হন শামিম হোসেন।  বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেনে সাকিবের পরিবর্তে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া এই তরুণ ব্যাটার।  দলীয় ৬৪ রানে সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরার আগে ২০ বলে ১১ রান করার ‍সুযোগ পান শামিম। 

১৮তম ওভারের দ্বিতীয় বলে রান আউট হয়ে ফেরেন পেসার তাসকিন আহমেদ।  তার বিদায়ে ৭৭ রানে অষ্টম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ: ১৮.২ ওভারে ৮৪/১০ (মেহেদি হাসান ২৭, লিটন দাস ২৪, শামিম হোসেন ১১; কাগিসো রাবাদা ৩/২০, আনরিচ নর্টজে ৩/৮, তাবরিজ শামসি ২/২১)।

এমআর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *