দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাটা এলাকায় জাল দলিলের মাধ্যমে বুধরাই বেসবা নামে এক আদিবাসীর ৮২ শতাংশ জমি আত্মসাতের মামলায় ৬ ভূমি জালিয়াতকারির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
চার্জশিটভুক্ত ওই ৬ আসামি হলেন, শামসুল ইসলাম, মো. নাসির উদ্দিন, মো. ফজলুল হক মণ্ডল, মো. চান মিয়া মণ্ডল, মো. আবদুস সালাম মণ্ডল এবং আবদুর রশিদ মণ্ডল।
মঙ্গলবার দুদকের নিয়মিত সভায় উল্লেখিত আসামিদের বিরুদ্ধে দিনাজপুর আদালতে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেয়া হয়।
দুদকের উপপরিচালক ও মামলার তদন্তে সমন্বয়কারী সৈয়দ মিজানুল ইসলাম খান টাইমনিউজবিডিকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আদিবাসিদের জমি বিক্রির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের অনুমতি নেয়ার বিধান রয়েছে। এ সুযোগে ওই ভূমি জালিয়াত চক্র আদিবাসী বুধরাই বেসবার জমিটি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে একজনকে ভূয়া বুধরাই বেসবা সাজিয়ে জমি বিক্রির অনুমতি চেয়ে দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের দফতর থেকে অনুমতি গ্রহণ করে।
পরে ওই চক্রটি ১৯৭৮ সালের ৩ অক্টোবর বুধরাই বেসবার মালিকানাধীন ২৪০ শতাংশ জমির মধ্য থেকে ৮২ শতাংশ জমি একটি জাল দলিল নম্বর- ২৮৬০২ রেজিষ্ট্রির মাধ্যমে আত্মসাৎ করে।
এ ঘটনায় দুদকের ২০০২ সালে ৩১ অক্টোবর দণ্ডবিধি ৪২০/৪০৬/৪৬৭/ ৪৬৮/৪৭১ এবং ১০৯ ধারায় দিনাজপুরের সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করে। পরে দুদকের উপপরিচালক শিরিন পারভীন তদন্ত করে চার্জশিট দাখিলেরঅনুমতি চেয়ে আবেদন জানান।
[b]ঢাকা, একে, ১১ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর [/b]
আদিবাসীর জমি জালিয়াতির মামলায় দুদকের চার্জশিট
দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাটা এলাকায় জাল দলিলের মাধ্যমে বুধরাই বেসবা নামে এক আদিবাসীর ৮২ শতাংশ জমি আত্মসাতের মামলায় ৬ ভূমি জালিয়াতকারির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গোপন সনদে বাল্যবিয়ে জালিয়াতির ফাঁদে কিশোরীদের আইনি সুরক্ষা
সরকারি নিবন্ধন খাতাকে পাশ কাটিয়ে নওগাঁর বিভিন্ন উপজেলায় অবাধে ‘গোপন রেজিস্টারে’ চলছে নাবালক-নাবালিকাদের বাল্যবিয়ে। সরকারি নির্ধারিত ফি-এর চেয়ে অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে বিয়ের তথ্য আলাদা খাতায় সংরক্ষণ করছেন একশ্রেণীর অসাধু ম্যারেজ রেজিস্ট্রার (কাজী)। পরবর্তীতে ছেলে বা মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক হলে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে সরবরাহ করা হয় বিয়ের মূল নকল (কাবিননামা)। রেজিস্ট্রেশনের এই অবৈধ বাণিজ্যের কারণে আইনি সুরক্ষা ও মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
অনিয়ম-জালিয়াতির অভিযোগে ডব্লিউএইচওর পদ ছাড়লেন পুতুল
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে সংস্থাটির তদন্ত চলার মধ্যেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিলেন।
তালাক নিবন্ধনে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ ডিজিটাল বিবাহ জালিয়াতি রোধ সহজ হবে: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন চালু হলে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, জাল বিবাহ সনদ ও বিবাহসংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতি রোধ করা সহজ হবে। একই সঙ্গে জনগণ দ্রুত বিবাহ ও তালাকের তথ্য যাচাই এবং ডিজিটাল সনদ পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
শেয়ার জালিয়াতি মামলায় আসামি পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি চুপ্পু
দুর্নীতি, প্রতারণা, প্রভাব খাটিয়ে ব্যাংকের অর্থ লুট ও আত্মসাতের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে পারস্পরিক জোগসাজশে ব্রিলিয়ান্ট বিজনেস কোম্পানি লিমিটেডের নামে ২৫১ কোটি টাকার শেয়ার অধিগ্রহলের মামলার আসামি পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। এ মামলায় তার সাথে রয়েছেন আরো ১৯ জন।
৮০ হাজার কোটি টাকা ঋণ ও শেয়ার জালিয়াতিতে চুপ্পুর কোম্পানিও জড়িত
সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও তার কোম্পানি জেএমসি বিল্ডার্সসহ এস আলমের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো।
















